ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচি পরিবর্তন

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

আর কিছুদিন পরই মাহে রমজান। এ সময় মুসলিম ধর্মাবলম্বী ডায়াবেটিস রোগীদের (যারা রোজা রাখেন) ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়।

* রক্ত পরীক্ষার আদর্শ সময়:

দৈনিক অন্তত ৩ থেকে ৪ বার (উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আরও বেশি) ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত।

► সেহরির আগে : সেহরি খাওয়ার ঠিক আগে (ওষুধের ডোজ ঠিক করতে)।

► সকালে : সেহরির ২ ঘণ্টা পর।

► দুপুর ও বিকালে : বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এবং বিকাল ৪টার দিকে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি বোঝার জন্য)।

► ইফতারের ঠিক আগে : ইফতারের অল্প সময় আগে।

► ইফতারের পর : ইফতার করার ২ ঘণ্টা পর।

► অসুস্থ বোধ করলে : যে কোনো সময় যদি শরীর খারাপ লাগে, মাথা ঘোরে বা অতিরিক্ত ঘাম হয়।

* কখন রোজা দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে-

সুগার পরীক্ষার ফল যদি নিচের মতো হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত রোজা ভেঙে ফেলা জরুরি।

► সুগার খুব কমে গেলে : 3.9 mmol/L (70 mg/dL)-এর নিচে হলে।

► সুগার খুব বেড়ে গেলে : 16.6 mmol/L (300 mg/dL)-এর বেশি হলে।

► মারাত্মক অসুস্থতা : প্রচণ্ড পানিশূন্যতা, বমি বা জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হলে।

* রোজার সময় ওষুধ-

► একবার গ্রহণের ওষুধ : যদি কোনো ওষুধ দিনে একবার নিতে হয়, তবে সাধারণত তা ইফতারের সময় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

► একাধিকবার গ্রহণের ওষুধ : দিনে দুইবার বা তিনবার গ্রহণের ক্ষেত্রে, ইফতার এবং সেহরির সময়ের মধ্যে মাত্রা ভাগ করে নেওয়া। এক্ষেত্রে সকালের মাত্রা ইফতারে এবং রাতের মাত্রা সেহরিতে নেওয়া হয়, অথবা মাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয়।

► মেটফর্মিন (Metformin) : সাধারণত এটি সেহরি ও ইফতারের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে অথবা বেশির ভাগ মাত্রা ইফতারে নেওয়া হয়।

► সালফোনাইলইউরিয়া, ইনসুলিন : এ ওষুধগুলো হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এগুলোর মাত্রা কমানো বা সময় পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।

► ইনসুলিন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ইফতারের আগে স্বাভাবিক মাত্রা এবং সেহরির আগে কম মাত্রা বা অর্ধেক মাত্রা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত রোনালদোর গোল, জয় পেল আল নাসর

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচি পরিবর্তন

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

আর কিছুদিন পরই মাহে রমজান। এ সময় মুসলিম ধর্মাবলম্বী ডায়াবেটিস রোগীদের (যারা রোজা রাখেন) ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়।

* রক্ত পরীক্ষার আদর্শ সময়:

দৈনিক অন্তত ৩ থেকে ৪ বার (উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আরও বেশি) ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত।

► সেহরির আগে : সেহরি খাওয়ার ঠিক আগে (ওষুধের ডোজ ঠিক করতে)।

► সকালে : সেহরির ২ ঘণ্টা পর।

► দুপুর ও বিকালে : বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এবং বিকাল ৪টার দিকে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি বোঝার জন্য)।

► ইফতারের ঠিক আগে : ইফতারের অল্প সময় আগে।

► ইফতারের পর : ইফতার করার ২ ঘণ্টা পর।

► অসুস্থ বোধ করলে : যে কোনো সময় যদি শরীর খারাপ লাগে, মাথা ঘোরে বা অতিরিক্ত ঘাম হয়।

* কখন রোজা দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে-

সুগার পরীক্ষার ফল যদি নিচের মতো হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত রোজা ভেঙে ফেলা জরুরি।

► সুগার খুব কমে গেলে : 3.9 mmol/L (70 mg/dL)-এর নিচে হলে।

► সুগার খুব বেড়ে গেলে : 16.6 mmol/L (300 mg/dL)-এর বেশি হলে।

► মারাত্মক অসুস্থতা : প্রচণ্ড পানিশূন্যতা, বমি বা জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হলে।

* রোজার সময় ওষুধ-

► একবার গ্রহণের ওষুধ : যদি কোনো ওষুধ দিনে একবার নিতে হয়, তবে সাধারণত তা ইফতারের সময় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

► একাধিকবার গ্রহণের ওষুধ : দিনে দুইবার বা তিনবার গ্রহণের ক্ষেত্রে, ইফতার এবং সেহরির সময়ের মধ্যে মাত্রা ভাগ করে নেওয়া। এক্ষেত্রে সকালের মাত্রা ইফতারে এবং রাতের মাত্রা সেহরিতে নেওয়া হয়, অথবা মাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয়।

► মেটফর্মিন (Metformin) : সাধারণত এটি সেহরি ও ইফতারের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে অথবা বেশির ভাগ মাত্রা ইফতারে নেওয়া হয়।

► সালফোনাইলইউরিয়া, ইনসুলিন : এ ওষুধগুলো হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এগুলোর মাত্রা কমানো বা সময় পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।

► ইনসুলিন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ইফতারের আগে স্বাভাবিক মাত্রা এবং সেহরির আগে কম মাত্রা বা অর্ধেক মাত্রা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।