আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নগ্ন হস্তক্ষেপ এবং সাম্প্রতিক সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
খামেনি ডট আইআর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ এবং সন্ত্রাসবাদে প্রকাশ্য সমর্থনের জন্য দেশটিকে অবশ্যই আইনিভাবে জবাবদিহি করতে হবে। সম্প্রতি ইরানে সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনো স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ ছিল না বরং এগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েল পরিচালিত একটি সুপরিকল্পিত এবং সুসংগঠিত প্রকল্প বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরাঘচি তার নিবন্ধে অভিযোগ করেন, ৮ থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে ঘটা সহিংসতায় অপরাধী গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছে ওয়াশিংটন। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে এবং সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক ছড়াতে মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উসকানিমূলক বক্তব্য এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিরুদ্ধে দেওয়া হুমকি কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও ভিয়েনা কনভেনশনের পরিপন্থী।
ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তেহরান ইতিমধ্যে আইনি ও কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে যুক্তরাষ্ট্রের এই বৈরী আচরণের তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হচ্ছে। ইরান তার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় কোনো আপস করবে না এবং সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দিয়ে পার পাওয়া যাবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। আরাঘচির মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে এবং এ লক্ষ্যে ইরান প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























