ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

নির্বাচনই সংস্কারের প্রথম ধাপ : আমীর খসরু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচনই সংস্কারের প্রথম ধাপ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, এটা দিয়ে শুরু করতে হবে সংস্কার এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন।

শুক্রবার দুপুরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতেই হবে নির্বাচনের মাধ্যমে, এটা প্রথম ধাপ। নির্বাচন হলো প্রথম সংস্কার, এটা দিয়ে শুরু করতে হবে সংস্কার এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন। যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা, সেটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে আগামী দিনে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই লোকগুলো গত ১৬ বছর যুক্তরাষ্ট্রে থেকে ফ্যাসিস্টবিরোধী-স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন। তারা হোয়াইট হাউসের সামনে, ক্যাপিটাল হিলে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সামনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়েছেন। তার সামনে গিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, তার সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশে এদের সবার আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে। এদের অনেকে ব্যবসা হারিয়েছেন, চাকরি হারিয়েছেন। এদের পরিবারের অনেক লোক জীবনও দিয়েছেন।

বিএনপি নেতা বলেন, আমরা আন্দোলনের কথা বলি, কিন্তু আন্দোলন একদিনে হয়নি। এ আন্দোলনে গত ১৫-১৬ বছর কত লোকের ত্যাগ স্বীকার, সেটা অনেকে ভুলে যায়। আমরা শুধু সাম্প্রতিক আন্দোলনের কথা বলি।

তিনি বলেন, এই লোকগুলোকে বাদ দিয়ে আন্দোলন হয়নি। এরা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যার কারণে এদের পরিবারকে বাংলাদেশে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই লোকগুলো ১৬ বছর দেশে আসতে পারেননি। তাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনকে দেখতে পাননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নেবেন ডিএনসিসি প্রশাসক

নির্বাচনই সংস্কারের প্রথম ধাপ : আমীর খসরু

আপডেট সময় ০৪:৫৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচনই সংস্কারের প্রথম ধাপ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, এটা দিয়ে শুরু করতে হবে সংস্কার এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন।

শুক্রবার দুপুরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতেই হবে নির্বাচনের মাধ্যমে, এটা প্রথম ধাপ। নির্বাচন হলো প্রথম সংস্কার, এটা দিয়ে শুরু করতে হবে সংস্কার এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন। যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা, সেটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে আগামী দিনে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই লোকগুলো গত ১৬ বছর যুক্তরাষ্ট্রে থেকে ফ্যাসিস্টবিরোধী-স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন। তারা হোয়াইট হাউসের সামনে, ক্যাপিটাল হিলে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সামনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়েছেন। তার সামনে গিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, তার সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশে এদের সবার আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে। এদের অনেকে ব্যবসা হারিয়েছেন, চাকরি হারিয়েছেন। এদের পরিবারের অনেক লোক জীবনও দিয়েছেন।

বিএনপি নেতা বলেন, আমরা আন্দোলনের কথা বলি, কিন্তু আন্দোলন একদিনে হয়নি। এ আন্দোলনে গত ১৫-১৬ বছর কত লোকের ত্যাগ স্বীকার, সেটা অনেকে ভুলে যায়। আমরা শুধু সাম্প্রতিক আন্দোলনের কথা বলি।

তিনি বলেন, এই লোকগুলোকে বাদ দিয়ে আন্দোলন হয়নি। এরা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যার কারণে এদের পরিবারকে বাংলাদেশে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই লোকগুলো ১৬ বছর দেশে আসতে পারেননি। তাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনকে দেখতে পাননি।