ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাগরিক সেবায় অবহেলা করলে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক আইনজীবী টিটোর মৃত্যু, এক দিন বন্ধ বিচারিক কার্যক্রম পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে সঞ্চালনব্যবস্থা ‘স্মার্ট’ করার নির্দেশ মন্ত্রীর প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর পুশইন নিয়ে আবিদুলের পোস্ট ভাইরাল রাশিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের অনুরোধ ঢাকার দলীয় ঠিকাদাররা কাজ না পাওয়ায় সংসদ সদস্যদের ক্ষোভ, পর্যালোচনার আশ্বাস পুশইন ঠেকাতে বিজিবির নিশ্ছিদ্র টহল রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন নাজুক অবস্থায় রয়েছে: রুমিন ফারহানা

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে মিয়ানমারের প্রতি ভারত ও ইইউ’র আহ্বান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) নয়া দিল্লিতে ১৪তম ভারত-ইইউ সামিট শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। তবে বিবৃতিতে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। যৌথ ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের সভাপতি ডোনাল্ড টাস্ক এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রধান জিন ক্লাউড জাঙ্কার।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতায় দেশটি থেকে বিশাল সংখ্যক মানুষের পালিয়ে যাওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনায় ভারত ও ইইউ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। পালিয়ে যাওয়া এসব মানুষের বেশির ভাগ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা উভয় পক্ষ মনে করি যে, এই সহিংসতা শুরু হয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) জঙ্গিদের কয়েকটি হামলার পর। এই হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।’

ভারত-ইইউ যৌথ ঘোষণায় আরও বলা হয়,‘উভয় পক্ষ মনে করে রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করে অবিলম্বে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা উচিত।’ ঘোষণায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, ‘রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত মানুষদের ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।’

ভারত ও ইইউ এই সংকটে মানুষকে প্রয়োজনীয় মানবিক সহযোগিতা প্রদান করায় বাংলাদেশের ভূমিকাকেও স্বীকৃতি দিচ্ছে বলে যৌথ ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট নিরাপত্তা বাহিনীর চেকপোস্টে বিদ্রোহীদের হামলার পর ক্লিয়ারেন্স অপারেশন জোরদার করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ওই সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৫ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনযজ্ঞের অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘ। তবে মিয়ানমার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের অভিযোগ, কারাদণ্ড

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে মিয়ানমারের প্রতি ভারত ও ইইউ’র আহ্বান

আপডেট সময় ০৬:০৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) নয়া দিল্লিতে ১৪তম ভারত-ইইউ সামিট শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। তবে বিবৃতিতে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। যৌথ ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের সভাপতি ডোনাল্ড টাস্ক এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রধান জিন ক্লাউড জাঙ্কার।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতায় দেশটি থেকে বিশাল সংখ্যক মানুষের পালিয়ে যাওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনায় ভারত ও ইইউ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। পালিয়ে যাওয়া এসব মানুষের বেশির ভাগ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা উভয় পক্ষ মনে করি যে, এই সহিংসতা শুরু হয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) জঙ্গিদের কয়েকটি হামলার পর। এই হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।’

ভারত-ইইউ যৌথ ঘোষণায় আরও বলা হয়,‘উভয় পক্ষ মনে করে রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করে অবিলম্বে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা উচিত।’ ঘোষণায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, ‘রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত মানুষদের ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।’

ভারত ও ইইউ এই সংকটে মানুষকে প্রয়োজনীয় মানবিক সহযোগিতা প্রদান করায় বাংলাদেশের ভূমিকাকেও স্বীকৃতি দিচ্ছে বলে যৌথ ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট নিরাপত্তা বাহিনীর চেকপোস্টে বিদ্রোহীদের হামলার পর ক্লিয়ারেন্স অপারেশন জোরদার করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ওই সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৫ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনযজ্ঞের অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘ। তবে মিয়ানমার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।