ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়া করিনি, প্রক্রিয়া শুরু হবে: রিজওয়ানা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি ‘জুলাই প্রোক্লেমেশন’ ঘোষণার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ দিন সময় ঠিক করে দিলেও এর খসড়া তৈরির কাজ এখনো শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেছেন, খসড়া তৈরির প্রক্রিয়ায় সব পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে, ফলে এ নিয়ে মতভেদ হওয়ার কোনো শঙ্কা সরকার দেখছে না।

কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে লাখো ছাত্র-জনতার সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি সরকারকে সময় বেঁধে দেওয়ার পরদিন বুধবার জুলাই ঘোষণাপত্রের অবস্থা নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের ড্রাফট করিনি। ড্রাফটের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এ বিষয়ে সব দল ঐকমত্য হবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সব পক্ষগুলো মোটামুটিভাবে একমত যে একটা প্রোক্লেমেশন হতে হবে। সবপক্ষ তাদের ওই সম্মতি থাকবে বলেই আমরা আশা করি। আর যেহেতু ড্রাফটিং এর প্রক্রিয়াতে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ সরকার করে দেবে, কাজেই মতানৈক্য হওয়ার কোনো কারণ নাই।

বাংলাদেশের ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেওয়া ২০২৪ সালের শেষ দিন মঙ্গলবার ‘মার্চ ফর ইউনিটি কর্মসূচি’ ঘোষণা করে জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। শহিদ মিনারের ওই কর্মসূচি থেকেই ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের কথা ছিল।

সেই প্রস্তুতি নিয়ে সারা দেশ থেকে ছাত্র-জনতাকে শহিদ মিনারে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

বলা হয়েছিল, এই ‘জুলাই প্রোক্লেমেশন’ হবে ‘আগামীর বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র’। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে এর মাধ্যমে ‘নাৎসি বাহিনীর’ মত ‘অপ্রাসঙ্গিক’ ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে ১৯৭২ সালের ‘মুজিববাদী’ সংবিধানের ‘কবর’ রচনা করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়া করিনি, প্রক্রিয়া শুরু হবে: রিজওয়ানা

আপডেট সময় ০৯:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি ‘জুলাই প্রোক্লেমেশন’ ঘোষণার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ দিন সময় ঠিক করে দিলেও এর খসড়া তৈরির কাজ এখনো শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেছেন, খসড়া তৈরির প্রক্রিয়ায় সব পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে, ফলে এ নিয়ে মতভেদ হওয়ার কোনো শঙ্কা সরকার দেখছে না।

কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে লাখো ছাত্র-জনতার সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি সরকারকে সময় বেঁধে দেওয়ার পরদিন বুধবার জুলাই ঘোষণাপত্রের অবস্থা নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের ড্রাফট করিনি। ড্রাফটের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এ বিষয়ে সব দল ঐকমত্য হবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সব পক্ষগুলো মোটামুটিভাবে একমত যে একটা প্রোক্লেমেশন হতে হবে। সবপক্ষ তাদের ওই সম্মতি থাকবে বলেই আমরা আশা করি। আর যেহেতু ড্রাফটিং এর প্রক্রিয়াতে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ সরকার করে দেবে, কাজেই মতানৈক্য হওয়ার কোনো কারণ নাই।

বাংলাদেশের ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেওয়া ২০২৪ সালের শেষ দিন মঙ্গলবার ‘মার্চ ফর ইউনিটি কর্মসূচি’ ঘোষণা করে জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। শহিদ মিনারের ওই কর্মসূচি থেকেই ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের কথা ছিল।

সেই প্রস্তুতি নিয়ে সারা দেশ থেকে ছাত্র-জনতাকে শহিদ মিনারে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

বলা হয়েছিল, এই ‘জুলাই প্রোক্লেমেশন’ হবে ‘আগামীর বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র’। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে এর মাধ্যমে ‘নাৎসি বাহিনীর’ মত ‘অপ্রাসঙ্গিক’ ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে ১৯৭২ সালের ‘মুজিববাদী’ সংবিধানের ‘কবর’ রচনা করা হবে।