ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

মোদির পোস্টকে সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি মনে করছেন হাসনাত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর এই দিনে মুক্তি লাভ করে বাংলাদেশ। সেই থেকে প্রতিবছর এই দিনটি নানা আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করে বাংলাদেশ। এবার সেই বাংলাদেশের বিজয় দিবসের দিনটিকেই নিজেদের দাবি করেছে ভারত। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

বিজয় দিবসের দিন সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে ১৬ ডিসেম্বরকে নিজেদের বিজয় দিবস দাবি করে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। কিন্তু তার সেই পোস্টের কোথায় নেই বাংলাদেশের অস্তিত্ব। যা নিয়েই সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে ক্ষোভ ঝেড়েছেন হাসনাত। তার মতে, মোদির এই পোস্ট বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ।

১৬ ডিসেম্বরকে বাংলাদেশ নয় ভারতের বিজয় দিবস দাবি মোদির

মোদির সেই পোস্টের স্ক্রিনশট দিয়ে নিজের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পোস্টে হাসনাত লিখেছেন, ‘এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু মোদি দাবি করেছে, এটি শুধু ভারতের যুদ্ধ এবং তাদের অর্জন। তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের অস্তিত্বই উপেক্ষিত।’

হাসনাত মোদির এই পোস্ট নিয়ে আরও লিখেন, ‘যখন এই স্বাধীনতাকে ভারত নিজেদের অর্জন হিসেবে দাবি করে, তখন আমি একে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, এবং অখণ্ডতার প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখি।’

মোদির এমন দাবির পর ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতার পক্ষে নিজেদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন হাসনাত। তিনি আরও লিখেন, ‘ভারতের এই হুমকির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী। এই লড়াই আমাদের চালিয়ে যেতেই হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

মোদির পোস্টকে সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি মনে করছেন হাসনাত

আপডেট সময় ১১:৫৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর এই দিনে মুক্তি লাভ করে বাংলাদেশ। সেই থেকে প্রতিবছর এই দিনটি নানা আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করে বাংলাদেশ। এবার সেই বাংলাদেশের বিজয় দিবসের দিনটিকেই নিজেদের দাবি করেছে ভারত। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

বিজয় দিবসের দিন সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে ১৬ ডিসেম্বরকে নিজেদের বিজয় দিবস দাবি করে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। কিন্তু তার সেই পোস্টের কোথায় নেই বাংলাদেশের অস্তিত্ব। যা নিয়েই সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে ক্ষোভ ঝেড়েছেন হাসনাত। তার মতে, মোদির এই পোস্ট বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ।

১৬ ডিসেম্বরকে বাংলাদেশ নয় ভারতের বিজয় দিবস দাবি মোদির

মোদির সেই পোস্টের স্ক্রিনশট দিয়ে নিজের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পোস্টে হাসনাত লিখেছেন, ‘এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু মোদি দাবি করেছে, এটি শুধু ভারতের যুদ্ধ এবং তাদের অর্জন। তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের অস্তিত্বই উপেক্ষিত।’

হাসনাত মোদির এই পোস্ট নিয়ে আরও লিখেন, ‘যখন এই স্বাধীনতাকে ভারত নিজেদের অর্জন হিসেবে দাবি করে, তখন আমি একে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, এবং অখণ্ডতার প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখি।’

মোদির এমন দাবির পর ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতার পক্ষে নিজেদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন হাসনাত। তিনি আরও লিখেন, ‘ভারতের এই হুমকির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী। এই লড়াই আমাদের চালিয়ে যেতেই হবে।’