অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
বেশিরভাগ সময়ই অনেকে শ্যাম্পু করার পর চুলের আর কোনও যত্ন নেয় না৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে শ্যাম্পু করে চুল কখনই ফেলে রাখতে নেই কন্ডিশানার ব্যবহার করা খুবই উচিত৷ এটা আপনার চুলকে রুক্ষ হওয়া থেকে বাঁচাবে এবং চুলকে সফট করবে৷ শ্যাম্পু চুলের রুট থেকে ময়লা পরিস্কার করে কিন্তু চুলকে রুক্ষতা থেকে বাঁচায় না এই কাজটাই করে কন্ডিশানার৷ চুলকে নিউট্রিয়েনস দেয় কন্ডিসানার৷ এখন বাজারে বিভিন্নরকমের কন্ডিসানার পাবেন,যদি কেউ কেমিক্যালযুক্ত কন্ডিসানার না চান তাহলে তারা বাজারে হোম মেড প্রোডাক্টও পাবেন অনায়াসে৷
তবে বিউটিসিয়ানরা সবসময় বলেন কন্ডিসানার উইথ শ্যাম্পু ব্যবহার করতে৷ সেটাও করতে পারেন৷ সবসময় অনেকেই রুক্ষ-শুষ্ক চুলের জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে যান করেন এর প্রধান কারণ হল চুল তার প্রোটিন পায় না৷ ত্বকের যেমন প্রোটিনের দরকার হয় তেমনই চুলেরও৷
আপনাদের জন্য রইল কিছু হোমমেড কন্ডিসনার৷
কলা এবং মধুর কন্ডিশনার:
অনেকেই আছেন যারা কলা খেতে পছন্দ করেন না,কলা বাড়িতে পরে অনেকসময় নষ্ট হয়৷ তারা কলা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান৷ কলার সঙ্গে মধু ভালো করে মিশিয়ে প্যাক বানান৷ এই প্যাকটি চুলে কন্ডিশানার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন৷ এটি একটি খুব ভালো এবং কার্যকরী কন্ডিসানার৷ সপ্তাহে দু’বার এই কন্ডিশানারটি ব্যবহার করতে হবে৷
ডিম এবং লেবু:
যদি দেখেন আপনার চুল পুরোপুরি ডামেজ হয়ে গেছে তাহলে ডিম দিয়ে তৈরি কন্ডিশানার আপনাদের জন্য খুবই উপকারী৷ ডিম আপলার চুলকে প্রোটিন দেয় যা আপনার চরলের রুক্ষতা দূর করে৷ ডিমের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে চরলে লাগান ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন৷
অ্যালো ভেরার সঙ্গে অলিভ অয়েল:
চার থেকে পাঁচ টেবিল চামচ অ্যালো ভেরা জুস,২-৩ চামচ ডিমের সাদা অংশ এবং ৩-৪ চামচ অলিভ অয়েল একটি পাত্রে মেশান৷ অলিভ অয়েল মেশানোর আগে গরম করতে ভুলবেন না৷ আপনি যদি দু থেকে তিন মাস ধরে সপ্তাহে দু-তিন বার এই কন্ডিসানারটি লাগান তাহলে অবশ্যই উপকার পাবেন৷
নারকেল তেল এবং মধু:
নারকেল তেলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে চুলে লাগান,এটি একটি অন্যতম হ্যান্ডমেড কন্ডিশানার৷ এক চামচ মধুর সঙ্গে দু-চামচ নারকেল তেল মেশান৷ তারপর মিশ্রণটি চুলে ভালো করে লাগান৷
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























