ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

মহাকাশে বিশাল ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মহাবিশ্বের একটি দূরবর্তী গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এবং চন্দ্রা এক্স-রে অবজারভেটরি থেকে প্রাপ্ত ডেটা ব্যবহার করে এই ব্ল্যাক হোলের সন্ধান মিলেছে।

ব্ল্যাক হোলটি প্রতি মুহূর্তে এডিংটন সীমার চেয়েও ৪০ গুণ বেশি গতিতে পদার্থ গ্রাস করছে। গবেষকরা জেমস ওয়েবের ইনফ্রারেড দর্শন ব্যবহারের মাধ্যমে গ্যালাক্সির কেন্দ্রীয় অংশে ঘনীভূত গ্যাসের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করেছেন, যা অভূতপূর্ব। গবেষণার ফলাফল ‘ন্যাচার অ্যাস্ট্রোনমি’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন আন্তর্জাতিক জেমিনি অবজারভেটরির হিয়োন সুহ। তিনি বলেন, LID-568-এর মতো দুর্বল বস্তুর শনাক্তকরণ জেমস ওয়েবের সাহায্য ছাড়া সম্ভব হতো না। ইনটিগ্রাল ফিল্ড স্পেক্ট্রোগ্রাফ ব্যবহারটি নতুন এবং প্রয়োজনীয় ছিল পর্যবেক্ষণের জন্য।

অসামান্য তথ্য: প্রাচীন মহাবিশ্বে ব্ল্যাক হোলের বৃদ্ধি

LID-568 নামে পরিচিত এই ব্ল্যাক হোলটি বিগ ব্যাং-এর ১.৫ বিলিয়ন বছর পর দেখা গেছে। এটি মহাবিশ্বের প্রাচীনকালের দ্রুতবর্ধমান ব্ল্যাক হোলের গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন তথ্য দিচ্ছে। বর্তমানে প্রচলিত তত্ত্ব অনুসারে, সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের উৎপত্তি হয় প্রাথমিক তারকা পতনের মাধ্যমে (লাইট সিড) বা গ্যাসের সরাসরি পতন থেকে (হেভি সিড)। তবে এতদিন তত্ত্বগুলো পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণমূলক প্রমাণের অভাবে ছিল।

গবেষণার সহ-লেখক এবং জ্যোতির্বিদ জুলিয়া বলেন, এই ব্ল্যাক হোলটি যেন দারুণ ভোজে মেতে উঠেছে। এটি প্রমাণ করে যে, দ্রুতগতির পদার্থগ্রহণ প্রক্রিয়া এডিংটন সীমার উপরে কাজ করতে পারে, যা প্রাচীন মহাবিশ্বে বিশাল ব্ল্যাক হোলের উপস্থিতির একটি ব্যাখ্যা হতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় তিনজনের মৃত অবস্থায় পাওয়ার

মহাকাশে বিশাল ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার

আপডেট সময় ১০:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মহাবিশ্বের একটি দূরবর্তী গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এবং চন্দ্রা এক্স-রে অবজারভেটরি থেকে প্রাপ্ত ডেটা ব্যবহার করে এই ব্ল্যাক হোলের সন্ধান মিলেছে।

ব্ল্যাক হোলটি প্রতি মুহূর্তে এডিংটন সীমার চেয়েও ৪০ গুণ বেশি গতিতে পদার্থ গ্রাস করছে। গবেষকরা জেমস ওয়েবের ইনফ্রারেড দর্শন ব্যবহারের মাধ্যমে গ্যালাক্সির কেন্দ্রীয় অংশে ঘনীভূত গ্যাসের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করেছেন, যা অভূতপূর্ব। গবেষণার ফলাফল ‘ন্যাচার অ্যাস্ট্রোনমি’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন আন্তর্জাতিক জেমিনি অবজারভেটরির হিয়োন সুহ। তিনি বলেন, LID-568-এর মতো দুর্বল বস্তুর শনাক্তকরণ জেমস ওয়েবের সাহায্য ছাড়া সম্ভব হতো না। ইনটিগ্রাল ফিল্ড স্পেক্ট্রোগ্রাফ ব্যবহারটি নতুন এবং প্রয়োজনীয় ছিল পর্যবেক্ষণের জন্য।

অসামান্য তথ্য: প্রাচীন মহাবিশ্বে ব্ল্যাক হোলের বৃদ্ধি

LID-568 নামে পরিচিত এই ব্ল্যাক হোলটি বিগ ব্যাং-এর ১.৫ বিলিয়ন বছর পর দেখা গেছে। এটি মহাবিশ্বের প্রাচীনকালের দ্রুতবর্ধমান ব্ল্যাক হোলের গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন তথ্য দিচ্ছে। বর্তমানে প্রচলিত তত্ত্ব অনুসারে, সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের উৎপত্তি হয় প্রাথমিক তারকা পতনের মাধ্যমে (লাইট সিড) বা গ্যাসের সরাসরি পতন থেকে (হেভি সিড)। তবে এতদিন তত্ত্বগুলো পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণমূলক প্রমাণের অভাবে ছিল।

গবেষণার সহ-লেখক এবং জ্যোতির্বিদ জুলিয়া বলেন, এই ব্ল্যাক হোলটি যেন দারুণ ভোজে মেতে উঠেছে। এটি প্রমাণ করে যে, দ্রুতগতির পদার্থগ্রহণ প্রক্রিয়া এডিংটন সীমার উপরে কাজ করতে পারে, যা প্রাচীন মহাবিশ্বে বিশাল ব্ল্যাক হোলের উপস্থিতির একটি ব্যাখ্যা হতে পারে।