ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

এরদোয়ান হত্যাচেষ্টায় ৩৪ জনের যাবজ্জীবন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৩৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বুধবার দেশটির একটি আদালত এ রায় দেন। গত বছর সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এরদোয়ানকে হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগে ৪৬ জনের বিচার অনুষ্ঠিত হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তদের বেশিরভাগ তুর্কি স্পেশাল ফোর্সের সেনাসদস্য। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অবকাশে থাকা এরদোয়ানের হোটেলে আক্রমণের অভিযোগ গঠন করা হয়। দেশ থেকে বহিষ্কৃত ফেতুল্লাহ গুলেনেরও এই অভিযোগে বিচার চলেছে। কিন্তু আমেরিকায় থাকা গুলেন বিচারকার্যের সময় উপস্থিত ছিলেন না। তার মামলায় রায়ও প্রদান করা হয়নি।

তুরস্কের অভিযোগ গুলেন এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা বেশিরভাগ তার অনুসারী। গুলেন মুভমেন্টকে তুরস্কের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

এরদোয়ান হত্যাচেষ্টায় ৩৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৩৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বুধবার দেশটির একটি আদালত এ রায় দেন। গত বছর সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এরদোয়ানকে হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগে ৪৬ জনের বিচার অনুষ্ঠিত হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তদের বেশিরভাগ তুর্কি স্পেশাল ফোর্সের সেনাসদস্য। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অবকাশে থাকা এরদোয়ানের হোটেলে আক্রমণের অভিযোগ গঠন করা হয়। দেশ থেকে বহিষ্কৃত ফেতুল্লাহ গুলেনেরও এই অভিযোগে বিচার চলেছে। কিন্তু আমেরিকায় থাকা গুলেন বিচারকার্যের সময় উপস্থিত ছিলেন না। তার মামলায় রায়ও প্রদান করা হয়নি।

তুরস্কের অভিযোগ গুলেন এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা বেশিরভাগ তার অনুসারী। গুলেন মুভমেন্টকে তুরস্কের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।