ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মোবাইলে প্রেম, বিয়ের আশ্বাসে যুবকের কাছে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ফোনে প্রেমের সূত্র ধরে পঞ্চগড়ের বোদায় এসে কথিত প্রেমিকসহ তার বন্ধুদের কাছে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন নরসিংদী জেলার এক তরুণী।

শনিবার গভীর রাতে ওই তরুণী বোদা থানায় চার জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও দুই-তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে কথিত প্রেমিক আব্দুল মালেকসহ তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে ধর্ষণের এই ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই জনকে রবিবার বিকালে পঞ্চগড়ের সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট অলরাম কার্জীর আদালতে হাজির করা হলে আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়।

মামলার আসামিরা হলেন, বোদা উপজেলার সিপাইপাড়া এলাকার মহিদুলের ছেলে কথিত প্রেমিক আব্দুল মালেক (২৫), তার বন্ধু প্রসাদ খাওয়া এলাকার রহিদুলের ছেলে মো. আপন (২৫), আরেক বন্ধু একই এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩০) এবং বামনপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন (২২)। এদের মধ্যে বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কথিত প্রেমিক আব্দুল মালেকের সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক হয় নরসিংদী জেলার ওই তরুণীর। প্রায় ৯ মাসের প্রেমের সূত্র ধরে মালেকের বিয়ের আশ্বাসে শুক্রবার সন্ধ্যায় পঞ্চগড়ের বোদায় চলে আসেন নরসিংদীর ওই তরুণী।

পরে আলমগীর হোসেনের সহযোগিতায় মালেক বোদার প্রসাদ খাওয়া এলাকার একটি বাড়িতে তাকে নিয়ে যান। পওে ওই বাড়িতে আশরাফুল ও আপন নামে অন্য দুই তরুণ আসেন। বাড়িতে অন্য কোন লোক না থাকায় সেখানে মেয়েটি থাকতে রাজী হয়নি। বিয়ের জন্য রাতেই তাকে কাজী অফিসে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পাশের একটি আম বাগানে নিয়ে মালেক, আপন ও আশরাফুল মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এসময় ইজিবাইক চালক আলমগীর হোসেনসহ আরও দুই-দিন জন পাহাড়ায় ছিলেন। তবে মেয়েটির চিৎকার চেচামেচিতে স্থানীয়রা বাগানে টর্চলাইট নিয়ে এগিয়ে আসলে মেয়েটিকে রেখে পালিয়ে যান তারা।

বোদা থানা পুলিশের ওসি সুজয় কুমার রায় বলেন, মামলার পর প্রধান আসামি মালেক ও তার সহযোগী আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিকটিমকে বহনকারী একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে ধর্ষণের শিকার তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। খবর পেয়ে তার অভিভাবকরা বোদা থানায় এসেছেন। তরুণীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

মোবাইলে প্রেম, বিয়ের আশ্বাসে যুবকের কাছে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী!

আপডেট সময় ১১:১৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ফোনে প্রেমের সূত্র ধরে পঞ্চগড়ের বোদায় এসে কথিত প্রেমিকসহ তার বন্ধুদের কাছে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন নরসিংদী জেলার এক তরুণী।

শনিবার গভীর রাতে ওই তরুণী বোদা থানায় চার জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও দুই-তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে কথিত প্রেমিক আব্দুল মালেকসহ তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে ধর্ষণের এই ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই জনকে রবিবার বিকালে পঞ্চগড়ের সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট অলরাম কার্জীর আদালতে হাজির করা হলে আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়।

মামলার আসামিরা হলেন, বোদা উপজেলার সিপাইপাড়া এলাকার মহিদুলের ছেলে কথিত প্রেমিক আব্দুল মালেক (২৫), তার বন্ধু প্রসাদ খাওয়া এলাকার রহিদুলের ছেলে মো. আপন (২৫), আরেক বন্ধু একই এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩০) এবং বামনপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন (২২)। এদের মধ্যে বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কথিত প্রেমিক আব্দুল মালেকের সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক হয় নরসিংদী জেলার ওই তরুণীর। প্রায় ৯ মাসের প্রেমের সূত্র ধরে মালেকের বিয়ের আশ্বাসে শুক্রবার সন্ধ্যায় পঞ্চগড়ের বোদায় চলে আসেন নরসিংদীর ওই তরুণী।

পরে আলমগীর হোসেনের সহযোগিতায় মালেক বোদার প্রসাদ খাওয়া এলাকার একটি বাড়িতে তাকে নিয়ে যান। পওে ওই বাড়িতে আশরাফুল ও আপন নামে অন্য দুই তরুণ আসেন। বাড়িতে অন্য কোন লোক না থাকায় সেখানে মেয়েটি থাকতে রাজী হয়নি। বিয়ের জন্য রাতেই তাকে কাজী অফিসে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পাশের একটি আম বাগানে নিয়ে মালেক, আপন ও আশরাফুল মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এসময় ইজিবাইক চালক আলমগীর হোসেনসহ আরও দুই-দিন জন পাহাড়ায় ছিলেন। তবে মেয়েটির চিৎকার চেচামেচিতে স্থানীয়রা বাগানে টর্চলাইট নিয়ে এগিয়ে আসলে মেয়েটিকে রেখে পালিয়ে যান তারা।

বোদা থানা পুলিশের ওসি সুজয় কুমার রায় বলেন, মামলার পর প্রধান আসামি মালেক ও তার সহযোগী আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিকটিমকে বহনকারী একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে ধর্ষণের শিকার তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। খবর পেয়ে তার অভিভাবকরা বোদা থানায় এসেছেন। তরুণীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।