ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

কেয়ার মেডিক্যাল বন্ধ করে মাইগ্রেশন চান শিক্ষার্থীরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কেয়ার মেডিক্যাল কলেজের সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে অন্যত্র মাইগ্রেশন চান অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তারা।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী ওহিয়া ফার্জিন বলেন, কেয়ার মেডিক্যাল বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনা ও পরিচালনা নীতি ২০১১ অনুসারে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। এই প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো থেকে শুরু করে শিক্ষার মান কোনো কিছুই ঠিক নেই। পদে পদে রয়েছে অনিয়ম। ছলচাতুরির মাধ্যমে আমাদের ভর্তি করে অনিশ্চিত গন্তব্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন ও ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয় থেকে ১০টি আসন বৃদ্ধিসহ মোট ৫০টি আসন নিয়ে কেয়ার মেডিক্যাল ২০১৪-১৫ থেকে পরবর্তী তিন শিক্ষাবর্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি করে। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনা ও পরিচালনা নীতি ২০১১ সংশোধনের মাধ্যমে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নামে জমি বৃদ্ধি, কলেজের নিজস্ব নামে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধির শর্তারোপ করা হয়। সেই শর্তপূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে কলেজটিতে এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এরপর হাইকোর্টে রিট মামলা করলে ভর্তি বন্ধের আদেশ স্থগিত করেন উচ্চ আদালত। এরপর তারা আরও চারটি বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, এসব শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয় থেকে প্রথম বর্ষের রেজিস্ট্রেশন নিয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। এরপর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির আগে নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য ছয় মাস সময় দিয়ে ভর্তি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত সময়ে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়ে প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতায় রিট মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। তবে অধয্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল রেজিস্ট্রেশন দেয়নি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তালিকাভুক্ত করেনি। এ অবস্থায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

অধ্যয়নরত ২১৮ শিক্ষার্থী কেয়ার মেডিক্যাল কলেজের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করে তাদের অন্যত্র মাইগ্রেশনের মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে অয়ন, আসিফ, সিলভিয়া ও রায়হান বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় ভুক্তভোগী আরও অনেক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেয়ার মেডিক্যাল বন্ধ করে মাইগ্রেশন চান শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০৮:৫২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কেয়ার মেডিক্যাল কলেজের সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে অন্যত্র মাইগ্রেশন চান অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তারা।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী ওহিয়া ফার্জিন বলেন, কেয়ার মেডিক্যাল বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনা ও পরিচালনা নীতি ২০১১ অনুসারে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। এই প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো থেকে শুরু করে শিক্ষার মান কোনো কিছুই ঠিক নেই। পদে পদে রয়েছে অনিয়ম। ছলচাতুরির মাধ্যমে আমাদের ভর্তি করে অনিশ্চিত গন্তব্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন ও ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয় থেকে ১০টি আসন বৃদ্ধিসহ মোট ৫০টি আসন নিয়ে কেয়ার মেডিক্যাল ২০১৪-১৫ থেকে পরবর্তী তিন শিক্ষাবর্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি করে। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনা ও পরিচালনা নীতি ২০১১ সংশোধনের মাধ্যমে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নামে জমি বৃদ্ধি, কলেজের নিজস্ব নামে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধির শর্তারোপ করা হয়। সেই শর্তপূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে কলেজটিতে এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এরপর হাইকোর্টে রিট মামলা করলে ভর্তি বন্ধের আদেশ স্থগিত করেন উচ্চ আদালত। এরপর তারা আরও চারটি বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, এসব শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয় থেকে প্রথম বর্ষের রেজিস্ট্রেশন নিয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। এরপর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির আগে নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য ছয় মাস সময় দিয়ে ভর্তি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত সময়ে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়ে প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতায় রিট মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। তবে অধয্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল রেজিস্ট্রেশন দেয়নি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তালিকাভুক্ত করেনি। এ অবস্থায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

অধ্যয়নরত ২১৮ শিক্ষার্থী কেয়ার মেডিক্যাল কলেজের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করে তাদের অন্যত্র মাইগ্রেশনের মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে অয়ন, আসিফ, সিলভিয়া ও রায়হান বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় ভুক্তভোগী আরও অনেক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।