ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

বোলারদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন মাশরাফি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পচেফস্ট্রুম টেস্টে বাজেভাবে হারায় নিজের বোলারদের কাঠগড়ায় তুলেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়কের এই সমালোচনায় সতীর্থ বোলারদের মন খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার হাত বোলারদের কাঁধে।

ফ্ল্যাট উইকেটে কেন টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছেন মুশফিক, এই প্রশ্নের উত্তরে অধিনায়ক যুক্তি দেখিয়েছেন, ‘ফ্ল্যাট উইকেটে আমাদের বোলাররা বোলিং করতে পারবে, এটা কখনোই বিশ্বাস করি না।’ কিন্তু মাশরাফির ভাবনা ভিন্ন। আজ মিরপুরে একটি মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানের এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক দাঁড়ালেন মোস্তাফিজ-তাসকিনদের পাশে, ‘টেস্ট ক্রিকেটের বোলিং নিয়ে সব সময়ই আমাদের দুশ্চিন্তা ছিল। টেস্ট ক্রিকেটে লম্বা সময় বল করতে হবে, পাশাপাশি ব্রেক থ্রু দিতে হবে। অস্ট্রেলিয়া বলেন কিংবা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় বলেন, সেখানে স্পিনাররাই নিয়ন্ত্রণ করেছে। টেস্ট ক্রিকেটের বোলিং আসলে রাতারাতি বদলে দেওয়া সম্ভব নয়। টেস্ট ক্রিকেট ব্যাটসম্যানের জন্য যেমন চ্যালেঞ্জিং, তেমনি ব্যাটসম্যানরাও আপনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে। এমন না যে সব রাতারাতি বদলে দেওয়া সম্ভব। তারপরও এরা একবারেই অনভিজ্ঞ, এরা যদি আরও বেশি খেলার সুযোগ পায়, অভিজ্ঞ হলে আমার বিশ্বাস ভালো করবে।’

পচেফস্ট্রুম টেস্টে বাজেভাবে হারায় সমালোচনা হচ্ছে চারদিকে। কিন্তু পরাজয়ের হতাশা ছাপিয়ে এই টেস্ট থেকে ইতিবাচক দিকও খুঁজে পাচ্ছেন মাশরাফি, ‘চারটা দিন যে ছেলেরা লড়াই করেছে, সেটা কিন্তু আমরা কেউ বলছি না। কিছু ভুল না করলে শেষ ইনিংসে (ব্যাটিং লাইনআপ) এমনভাবে ভেঙে পড়ত না। দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন কেমন, সেটিও বুঝতে হবে। অস্ট্রেলিয়া দল বাংলাদেশে এসে তিন দিনে হেরে গেছে। শুধু যদি জয় আর হারটাই দেখি। তাঁদের (দলকে) কিসের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, এটা যদি বুঝতে না পারি, তাহলে আমার মনে হয় ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করা ঠিক নয়। এটা ঠিক, চতুর্থ ইনিংসে যেটা হয়েছে, কেউই আশা করিনি। এমন হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হয়ে গেছে। ক্রিকেটে এমন দিন আসে। এমন ইনিংস কিন্তু ১০ বছর পরে দেখা গেল (১০০-এর নিচে বাংলাদেশ অলআউট)। যারা খেলেছে, তাদের যদি প্রশ্ন করেন, তারা আমাদের চেয়ে আরও বেশি হতাশ।’
সমালোচনার চেয়ে এই মুহূর্তে ইতিবাচক মন্তব্যই যে খেলোয়াড়দের বেশি অনুপ্রাণিত করে, মাশরাফি সে কথাটাও মনে করিয়ে দিলেন। ৬ অক্টোবর শুরু ব্লুমফন্টেইন টেস্টের মাঝেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিমান ধরবেন দেশে থাকা বাংলাদেশের ওয়ানডে খেলোয়াড়েরা। এ যাত্রায় কে কে থাকছেন, সেটি অবশ্য মাশরাফি এখনই বলতে পারেননি, ‘ওখানে যারা আছে অধিকাংশই ওয়ানডে খেলবে। বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না। হয়তো আমি আর সাকিব যাব এখান থেকে। এই দুজন নিশ্চিত। পুরো দল দিলে হয়তো বোঝা যাবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বোলারদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন মাশরাফি

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পচেফস্ট্রুম টেস্টে বাজেভাবে হারায় নিজের বোলারদের কাঠগড়ায় তুলেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়কের এই সমালোচনায় সতীর্থ বোলারদের মন খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার হাত বোলারদের কাঁধে।

ফ্ল্যাট উইকেটে কেন টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছেন মুশফিক, এই প্রশ্নের উত্তরে অধিনায়ক যুক্তি দেখিয়েছেন, ‘ফ্ল্যাট উইকেটে আমাদের বোলাররা বোলিং করতে পারবে, এটা কখনোই বিশ্বাস করি না।’ কিন্তু মাশরাফির ভাবনা ভিন্ন। আজ মিরপুরে একটি মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানের এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক দাঁড়ালেন মোস্তাফিজ-তাসকিনদের পাশে, ‘টেস্ট ক্রিকেটের বোলিং নিয়ে সব সময়ই আমাদের দুশ্চিন্তা ছিল। টেস্ট ক্রিকেটে লম্বা সময় বল করতে হবে, পাশাপাশি ব্রেক থ্রু দিতে হবে। অস্ট্রেলিয়া বলেন কিংবা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় বলেন, সেখানে স্পিনাররাই নিয়ন্ত্রণ করেছে। টেস্ট ক্রিকেটের বোলিং আসলে রাতারাতি বদলে দেওয়া সম্ভব নয়। টেস্ট ক্রিকেট ব্যাটসম্যানের জন্য যেমন চ্যালেঞ্জিং, তেমনি ব্যাটসম্যানরাও আপনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে। এমন না যে সব রাতারাতি বদলে দেওয়া সম্ভব। তারপরও এরা একবারেই অনভিজ্ঞ, এরা যদি আরও বেশি খেলার সুযোগ পায়, অভিজ্ঞ হলে আমার বিশ্বাস ভালো করবে।’

পচেফস্ট্রুম টেস্টে বাজেভাবে হারায় সমালোচনা হচ্ছে চারদিকে। কিন্তু পরাজয়ের হতাশা ছাপিয়ে এই টেস্ট থেকে ইতিবাচক দিকও খুঁজে পাচ্ছেন মাশরাফি, ‘চারটা দিন যে ছেলেরা লড়াই করেছে, সেটা কিন্তু আমরা কেউ বলছি না। কিছু ভুল না করলে শেষ ইনিংসে (ব্যাটিং লাইনআপ) এমনভাবে ভেঙে পড়ত না। দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন কেমন, সেটিও বুঝতে হবে। অস্ট্রেলিয়া দল বাংলাদেশে এসে তিন দিনে হেরে গেছে। শুধু যদি জয় আর হারটাই দেখি। তাঁদের (দলকে) কিসের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, এটা যদি বুঝতে না পারি, তাহলে আমার মনে হয় ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করা ঠিক নয়। এটা ঠিক, চতুর্থ ইনিংসে যেটা হয়েছে, কেউই আশা করিনি। এমন হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হয়ে গেছে। ক্রিকেটে এমন দিন আসে। এমন ইনিংস কিন্তু ১০ বছর পরে দেখা গেল (১০০-এর নিচে বাংলাদেশ অলআউট)। যারা খেলেছে, তাদের যদি প্রশ্ন করেন, তারা আমাদের চেয়ে আরও বেশি হতাশ।’
সমালোচনার চেয়ে এই মুহূর্তে ইতিবাচক মন্তব্যই যে খেলোয়াড়দের বেশি অনুপ্রাণিত করে, মাশরাফি সে কথাটাও মনে করিয়ে দিলেন। ৬ অক্টোবর শুরু ব্লুমফন্টেইন টেস্টের মাঝেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিমান ধরবেন দেশে থাকা বাংলাদেশের ওয়ানডে খেলোয়াড়েরা। এ যাত্রায় কে কে থাকছেন, সেটি অবশ্য মাশরাফি এখনই বলতে পারেননি, ‘ওখানে যারা আছে অধিকাংশই ওয়ানডে খেলবে। বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না। হয়তো আমি আর সাকিব যাব এখান থেকে। এই দুজন নিশ্চিত। পুরো দল দিলে হয়তো বোঝা যাবে।’