ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি হয় না : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গেল ছেলে, ঝাঁপ দিয়ে বাঁচালেন বাবা অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান বিচার শেষ না হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সুযোগ নেই: আন্দালিভ রহমান পার্থ অতীতের ইতিহাস দিয়ে বর্তমান জামায়াতকে বিশ্লেষণ করবেন না: শাহজাহান চৌধুরী হরমুজ খুলে দেওয়ার দাবি কাতারের, ‘ফ্রোজেন কনফ্লিক্ট’ নিয়ে সতর্কতা মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান

বনানীর ফ্ল্যাটে মিনিবার, বিপুল বিদেশি মদসহ আটক ১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিপুল পরিমাণ বিদেশি মাদকসহ সেলিম সাত্তার নামে এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সোমবার রাজধানীর বনানীতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেলিম সাত্তার জিএমজি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সামাহ রেজার ব্লেডস (বলাকা ব্লেড) ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে তার বনানীর ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে কোকেন, এমডিএমএ, এলএসডি, উচ্চমাত্রার গাঁজা বা কুশ, গাঁজার চকলেট ও কেক এবং বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদকসেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার সেলিম সাত্তার সুইজারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তিনি নিজেকে সুইজারল্যান্ড এবং কানাডার নাগরিক বলে দাবি করেন।

আটকের সময় তার ফ্ল্যাটে সায়মা মুস্তাফা শশী নামে এক তরুণীকে পাওয়া যায়। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তিনি নিজেকে সেলিমের স্ত্রী দাবি করে বলেন, ৫ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। তিনি সন্তানসম্ভবা। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগে।

মাদকসেবন ও ব্যবসার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার স্বামী এসব অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কি না, তা তিনি জানেন না।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো অঞ্চলের উপপরিচালক (উত্তর) রাশেদুজ্জামান বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেলিম সাত্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বিলাসবহুল জীবনের আড়ালে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী।

অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার ফ্ল্যাটে অভিজাত লোকজনের আনাগোনা ছিল। মূলত তিনি তার ঘনিষ্ঠ এবং পরিচিত মহলে মাদকের কেনাবেচা করে আসছিলেন।

নিয়মিত বিদেশে যাতায়াতের সুবাদে তিনি গোপনে মাদকের চালান নিয়ে আসতেন। ভবনের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার ফ্ল্যাটে আগন্তুকদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি

বনানীর ফ্ল্যাটে মিনিবার, বিপুল বিদেশি মদসহ আটক ১

আপডেট সময় ১০:৫১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিপুল পরিমাণ বিদেশি মাদকসহ সেলিম সাত্তার নামে এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সোমবার রাজধানীর বনানীতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেলিম সাত্তার জিএমজি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সামাহ রেজার ব্লেডস (বলাকা ব্লেড) ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে তার বনানীর ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে কোকেন, এমডিএমএ, এলএসডি, উচ্চমাত্রার গাঁজা বা কুশ, গাঁজার চকলেট ও কেক এবং বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদকসেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার সেলিম সাত্তার সুইজারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তিনি নিজেকে সুইজারল্যান্ড এবং কানাডার নাগরিক বলে দাবি করেন।

আটকের সময় তার ফ্ল্যাটে সায়মা মুস্তাফা শশী নামে এক তরুণীকে পাওয়া যায়। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তিনি নিজেকে সেলিমের স্ত্রী দাবি করে বলেন, ৫ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। তিনি সন্তানসম্ভবা। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগে।

মাদকসেবন ও ব্যবসার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার স্বামী এসব অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কি না, তা তিনি জানেন না।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো অঞ্চলের উপপরিচালক (উত্তর) রাশেদুজ্জামান বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেলিম সাত্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বিলাসবহুল জীবনের আড়ালে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী।

অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার ফ্ল্যাটে অভিজাত লোকজনের আনাগোনা ছিল। মূলত তিনি তার ঘনিষ্ঠ এবং পরিচিত মহলে মাদকের কেনাবেচা করে আসছিলেন।

নিয়মিত বিদেশে যাতায়াতের সুবাদে তিনি গোপনে মাদকের চালান নিয়ে আসতেন। ভবনের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার ফ্ল্যাটে আগন্তুকদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।