ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল জেনার সাথে জড়িত প্রমাণ হলে এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক: হারুনুর রশিদ বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের সব মানুষের অভিন্ন পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জ্বালানি তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: জ্বালানি বিভাগ নৈতিক স্খলন প্রমাণিত, জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার টাঙ্গাইলে পৃথক হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড ৪২ কর্মদিবসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ বস্ত্র খাতের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জনসংখ্যা বাড়লে জাতীয় সংসদের আসন বাড়তে পারে : ইসি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, জনসংখ্যার প্রতিবেদন পেলে সীমানা পুনর্নির্ধারণ হবে। সেই সঙ্গে ঢাকার জনসংখ্যা বাড়লে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা বাড়তে পারে, আবার জনসংখ্যা আগের চেয়ে কমলে আসন সংখ্যাও কমতে পারে বলে জানান তিনি।

আজ রবিবার নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এমন কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, জনসংখ্যার প্রতিবেদন পেলে সীমানা পুনর্নির্ধারণ হবে। ঘরোয়া কাজ শুরু করে দিয়েছি। বর্তমানে ডাটা সংগ্রহ করছি, কোথায় কয়টা আসন, কত ভোটার সংখ্যা ইত্যাদি। পরিসংখ্যান ব্যুরো চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলে, তারা একটা প্রতিবেদন দিয়েছে। কিন্তু আমরা ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও জেলা ভিত্তিক দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা জেলা ভিত্তিক প্রতিবেদন দিয়েছে।

তিনি বলেন, আইনে বলা আছে প্রশাসনিক খণ্ডতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এরপর জনসংখ্যার বিষয়টি আনতে হবে। তবে কোথাও কোথাও জনসংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে। তথ্য সংগ্রহ করছি। বিশ্লেষণ এখনো শুরু হয়নি। জনসংখ্যাটা যেটা দেখেছি তাতে প্রতি আসনে ৫ লাখ ৫০ হাজার হয়। এতে খুব একটা পরিবর্তন হয় না। হয়তো হলেও দুই একটাতে পরিবর্তন করতে হবে। কোনে জায়গায় লাগবে পরীক্ষা করে এখনো দেখিনি।

নির্বাচন কমিশনার আলমগীর বলেন, বর্তমানে ঢাকায় ২০টা আসন রয়েছে। জনসংখ্যা বেড়ে গেলে বাড়বে। কমলে কমবে। তবে রিঅ্যারেঞ্জমেন্ট খুব একটা হবে বলে মনে হয় না।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংসদীয় আসনের সীমানায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছিলেন। সেসময় ২৫টি সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন করা হয়েছিল। আসনগুলো হলো- নীলফামারী- ৩ ও ৪, রংপুর- ১ ও ৩, কুড়িগ্রাম- ৩ ও ৪. সিরাজগঞ্জ- ১ ও ২, খুলনা- ৩ ও ৪, জামালপুর- ৪ ও ৫, নারায়ণগঞ্জ- ৪ ও ৫, সিলেট- ২ ও ৩, মৌলভীবাজার- ২ ও ৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৫ ও ৬, কুমিল্লা- ৬, ৯ ও ১০ এবং নোয়াখালী- ৪ ও ৫।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক

জনসংখ্যা বাড়লে জাতীয় সংসদের আসন বাড়তে পারে : ইসি

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, জনসংখ্যার প্রতিবেদন পেলে সীমানা পুনর্নির্ধারণ হবে। সেই সঙ্গে ঢাকার জনসংখ্যা বাড়লে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা বাড়তে পারে, আবার জনসংখ্যা আগের চেয়ে কমলে আসন সংখ্যাও কমতে পারে বলে জানান তিনি।

আজ রবিবার নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এমন কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, জনসংখ্যার প্রতিবেদন পেলে সীমানা পুনর্নির্ধারণ হবে। ঘরোয়া কাজ শুরু করে দিয়েছি। বর্তমানে ডাটা সংগ্রহ করছি, কোথায় কয়টা আসন, কত ভোটার সংখ্যা ইত্যাদি। পরিসংখ্যান ব্যুরো চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলে, তারা একটা প্রতিবেদন দিয়েছে। কিন্তু আমরা ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও জেলা ভিত্তিক দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা জেলা ভিত্তিক প্রতিবেদন দিয়েছে।

তিনি বলেন, আইনে বলা আছে প্রশাসনিক খণ্ডতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এরপর জনসংখ্যার বিষয়টি আনতে হবে। তবে কোথাও কোথাও জনসংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে। তথ্য সংগ্রহ করছি। বিশ্লেষণ এখনো শুরু হয়নি। জনসংখ্যাটা যেটা দেখেছি তাতে প্রতি আসনে ৫ লাখ ৫০ হাজার হয়। এতে খুব একটা পরিবর্তন হয় না। হয়তো হলেও দুই একটাতে পরিবর্তন করতে হবে। কোনে জায়গায় লাগবে পরীক্ষা করে এখনো দেখিনি।

নির্বাচন কমিশনার আলমগীর বলেন, বর্তমানে ঢাকায় ২০টা আসন রয়েছে। জনসংখ্যা বেড়ে গেলে বাড়বে। কমলে কমবে। তবে রিঅ্যারেঞ্জমেন্ট খুব একটা হবে বলে মনে হয় না।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংসদীয় আসনের সীমানায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছিলেন। সেসময় ২৫টি সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন করা হয়েছিল। আসনগুলো হলো- নীলফামারী- ৩ ও ৪, রংপুর- ১ ও ৩, কুড়িগ্রাম- ৩ ও ৪. সিরাজগঞ্জ- ১ ও ২, খুলনা- ৩ ও ৪, জামালপুর- ৪ ও ৫, নারায়ণগঞ্জ- ৪ ও ৫, সিলেট- ২ ও ৩, মৌলভীবাজার- ২ ও ৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৫ ও ৬, কুমিল্লা- ৬, ৯ ও ১০ এবং নোয়াখালী- ৪ ও ৫।