ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৭০ পরিচ্ছন্নকর্মীকে বাসস্থান উপহার প্রধানমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের মাঝে বরাদ্দকৃত বাসাগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবন প্রাঙ্গণে নবনির্মিত ১৪ নম্বর আউটফলস্থিত ১০তলা বিশিষ্ট পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস শাপলা, শালুক ও পলাশে ১৭০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মীর মাঝে বাসা বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মেয়র এ কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, আজ আমরা ১৭০ জনের মাঝে বাসা বরাদ্দ দিয়েছি। এই বাসা বরাদ্দ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় হলেও তা মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার। কারণ এই বাসা বরাদ্দের যে মূল নীতিমালা বা আইন সেটি নিয়মিত কর্মকর্তা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা অনুধাবন করেছেন যে, আমাদের এই বিপুল সংখ্যক পরিচ্ছন্নকর্মী হরিজন, মুসলিম, তেলেগু, মানামি সম্প্রদায়ের, যারা নিম্ন আয়ের এবং যাদের কোনো মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই। এজন্য প্রধানমন্ত্রী সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ করে তাদেরকে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এই বাসস্থানের ব্যবস্থা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের মমতায় আপনাদের ঠিকানা করে দিলেন।

পর্যায়ক্রমে আবাসন সমস্যার সমাধান করা হবে জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘আমাদের বাসাগুলো কিছু প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে। কিছু ভবনের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে আবার কিছু বাসার নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চলমান ভবনগুলোর নির্মাণ শেষ করে আমরা সেগুলোও পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ দেব। আমাদের তেলুগু সম্প্রদায়কে যে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেখানে কিছু বাসা খালিও রয়েছে। আমি বরাদ্দ কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছি, অচিরেই প্রাপ্যতা তালিকা সম্পন্ন করে সেগুলোও যেন তেলেগু সম্প্রদায়ের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর আজকে বরাদ্দ দেওয়া তিনটি ভবনের মধ্যে ১২০টি বাসা বাকি রয়েছে। এখনেও যারা প্রকৃত পরিছন্নকর্মী আছেন, যারা এখনো পাননি তারা আবেদন করতে পারবেন। আমরা এ বছরের মধ্যেই বাকি ১২০টি বাসা বরাদ্দ দিয়ে দেব।

কোথাও অন্যায্য কিছু পরিলক্ষিত হলে তা জানানোর নির্দেশ দিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘কোথাও যদি অন্যায়-অন্যায্য কিছু গোচরীভূত হয় তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাবেন, আমাদেরকে জানাবেন। আমরা কিন্তু কোনো অন্যায়, অন্যায্য বরদাশত করব না। আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমরা গত দুই বছর ধরে কোনো অনিয়ম, অন্যায় বরদাশত করিনি। তা যে পযার্য়েরই হোক, যত বড় মাপেরই হোক। আমরা কোনো রকমের আপস করিনি, করছি না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহমেদ, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক হায়দর আলী, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭০ পরিচ্ছন্নকর্মীকে বাসস্থান উপহার প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১১:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের মাঝে বরাদ্দকৃত বাসাগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবন প্রাঙ্গণে নবনির্মিত ১৪ নম্বর আউটফলস্থিত ১০তলা বিশিষ্ট পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস শাপলা, শালুক ও পলাশে ১৭০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মীর মাঝে বাসা বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মেয়র এ কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, আজ আমরা ১৭০ জনের মাঝে বাসা বরাদ্দ দিয়েছি। এই বাসা বরাদ্দ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় হলেও তা মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার। কারণ এই বাসা বরাদ্দের যে মূল নীতিমালা বা আইন সেটি নিয়মিত কর্মকর্তা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা অনুধাবন করেছেন যে, আমাদের এই বিপুল সংখ্যক পরিচ্ছন্নকর্মী হরিজন, মুসলিম, তেলেগু, মানামি সম্প্রদায়ের, যারা নিম্ন আয়ের এবং যাদের কোনো মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই। এজন্য প্রধানমন্ত্রী সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ করে তাদেরকে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এই বাসস্থানের ব্যবস্থা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের মমতায় আপনাদের ঠিকানা করে দিলেন।

পর্যায়ক্রমে আবাসন সমস্যার সমাধান করা হবে জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘আমাদের বাসাগুলো কিছু প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে। কিছু ভবনের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে আবার কিছু বাসার নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চলমান ভবনগুলোর নির্মাণ শেষ করে আমরা সেগুলোও পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ দেব। আমাদের তেলুগু সম্প্রদায়কে যে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেখানে কিছু বাসা খালিও রয়েছে। আমি বরাদ্দ কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছি, অচিরেই প্রাপ্যতা তালিকা সম্পন্ন করে সেগুলোও যেন তেলেগু সম্প্রদায়ের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর আজকে বরাদ্দ দেওয়া তিনটি ভবনের মধ্যে ১২০টি বাসা বাকি রয়েছে। এখনেও যারা প্রকৃত পরিছন্নকর্মী আছেন, যারা এখনো পাননি তারা আবেদন করতে পারবেন। আমরা এ বছরের মধ্যেই বাকি ১২০টি বাসা বরাদ্দ দিয়ে দেব।

কোথাও অন্যায্য কিছু পরিলক্ষিত হলে তা জানানোর নির্দেশ দিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘কোথাও যদি অন্যায়-অন্যায্য কিছু গোচরীভূত হয় তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাবেন, আমাদেরকে জানাবেন। আমরা কিন্তু কোনো অন্যায়, অন্যায্য বরদাশত করব না। আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমরা গত দুই বছর ধরে কোনো অনিয়ম, অন্যায় বরদাশত করিনি। তা যে পযার্য়েরই হোক, যত বড় মাপেরই হোক। আমরা কোনো রকমের আপস করিনি, করছি না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহমেদ, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক হায়দর আলী, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।