ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

আগে বোলিং পেয়ে ভালই হয়েছে: মোহাম্মদ নবী

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

এশিয়া কাপ ক্রিকেটে হার দিয়ে যাত্রা করল টাইগাররা। গতকাল শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হয়েছেন সাকিব আল হাসানরা। আফগানরা টানা দুই জয়ে এশিয়া কাপের প্রথম দল হিসেবে সুপার ফোর নিশ্চিত করল।

এদিন নাভীন-উল-হককে পঞ্চম ওভারে পর পর দুটি বাউন্ডারি মারেন সাকিব। তার ওই দুই চারে মনে হয়েছিল শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। টি-২০ ক্যারিয়ারে নিজের শততম টি-২০ ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখবেন সাকিব। কিন্তু সে রকম কিছুই হয়নি। বরং পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মুজিব-উর-রেহমানের ফ্লুটারে লাইন মিস করে বোল্ড হন সাকিব। ফলে ক্যারিয়ারের শততম টি-২০ ম্যাচে ৯ রানের বেশি করতে পারেননি। শুধু সাকিব নন, মুজিবের বোলিং বৈচিত্র্যে নাভিশ্বাস উঠেছিল দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও এনামুল হক বিজয়ের। দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরেন মুজিবের বলে। ৭ ওভারে উপরের সারির চার ব্যাটারের বিদায়ে স্পষ্ট হয়েছে, উইকেটের আচরণ ছিল ধীরগতির। থেমে আসা বলে উইকেটে স্ট্রোক ছিল খেলা ভীষণ কঠিন। আফগান দুই স্পিনার মুজিব ও রশিদের ঘূর্ণির বিপক্ষে একাই লড়াই করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। সঙ্গী ছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মাহমুদুল্লাহ ২৫ রান করেন। মোসাদ্দেক অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। একাই লড়াই করেন তিনি। ৩১ বলের ইনিংসটিতে ৪টি চার ছাড়াও ছিল একটি ছক্কার মার। শেষ দিকে তার ব্যাটিং দৃঢ়তায়ই বাংলাদেশ লড়াকু স্কোর করে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের ১২৭ রানের জবাবে ১৩১ রান করে জয় তুলে আফগানরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে উইকেটগুলোতে পরে ব্যাট করা দলের জেতার হারই বেশি। সেদিক থেকে বাংলাদেশের আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত সুবিধা দিয়েছে আফগানদের। অন্তত আফগানিস্তান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবীর মত সেরকমই, ‘উইকেটের মাটি আসলে নতুন। আগে কখনো এই পিচে কেউ খেলেনি। সেজন্য আগে বোলিং করায় ভালই হয়েছে। উইকেট সম্পর্কে জানতে পেরেছি, আচরণ বুঝেছি। সেটা কাজে লাগিয়েই দ্রুত উইকেট নিয়ে ওদের চাপে ফেলেছি।’

আগে ব্যাটিং বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে মোসাদ্দেক জানিয়েছেন অদ্ভুত কারণ। রান তাড়ায় রশিদ খানের স্পিন সামলানোর চিন্তাতেই নাকি আগে ব্যাট করতে চেয়েছেন তারা।

আগে ব্যাট করেও যথেষ্ট রান জড়ো করতে পারেনি টাইগাররা। উইকেট কি আসলেই এতটাই খারাপ ছিল? আফগান অধিনায়কের মতে না নয়, এখানে খেলা উচিত বুদ্ধিদীপ্ত মানসিকতায়, ‘ব্যাট করার জন্য এতটা খারাপ ছিল না। মন্থর ছিল, ওরা কিছুটা চড়াও হয়ে উইকেট দিয়েছে। রান তাড়ায় আমরা শুরুতে উইকেট হারাতে চাই না। চাপটা সামলে নেওয়ায় পরে ওভার প্রতি ১০ করে নেওয়া সহজেই করতে পেরেছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৬ অক্টোবর চারদিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আগে বোলিং পেয়ে ভালই হয়েছে: মোহাম্মদ নবী

আপডেট সময় ০৭:১৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

এশিয়া কাপ ক্রিকেটে হার দিয়ে যাত্রা করল টাইগাররা। গতকাল শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হয়েছেন সাকিব আল হাসানরা। আফগানরা টানা দুই জয়ে এশিয়া কাপের প্রথম দল হিসেবে সুপার ফোর নিশ্চিত করল।

এদিন নাভীন-উল-হককে পঞ্চম ওভারে পর পর দুটি বাউন্ডারি মারেন সাকিব। তার ওই দুই চারে মনে হয়েছিল শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। টি-২০ ক্যারিয়ারে নিজের শততম টি-২০ ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখবেন সাকিব। কিন্তু সে রকম কিছুই হয়নি। বরং পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মুজিব-উর-রেহমানের ফ্লুটারে লাইন মিস করে বোল্ড হন সাকিব। ফলে ক্যারিয়ারের শততম টি-২০ ম্যাচে ৯ রানের বেশি করতে পারেননি। শুধু সাকিব নন, মুজিবের বোলিং বৈচিত্র্যে নাভিশ্বাস উঠেছিল দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও এনামুল হক বিজয়ের। দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরেন মুজিবের বলে। ৭ ওভারে উপরের সারির চার ব্যাটারের বিদায়ে স্পষ্ট হয়েছে, উইকেটের আচরণ ছিল ধীরগতির। থেমে আসা বলে উইকেটে স্ট্রোক ছিল খেলা ভীষণ কঠিন। আফগান দুই স্পিনার মুজিব ও রশিদের ঘূর্ণির বিপক্ষে একাই লড়াই করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। সঙ্গী ছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মাহমুদুল্লাহ ২৫ রান করেন। মোসাদ্দেক অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। একাই লড়াই করেন তিনি। ৩১ বলের ইনিংসটিতে ৪টি চার ছাড়াও ছিল একটি ছক্কার মার। শেষ দিকে তার ব্যাটিং দৃঢ়তায়ই বাংলাদেশ লড়াকু স্কোর করে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের ১২৭ রানের জবাবে ১৩১ রান করে জয় তুলে আফগানরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে উইকেটগুলোতে পরে ব্যাট করা দলের জেতার হারই বেশি। সেদিক থেকে বাংলাদেশের আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত সুবিধা দিয়েছে আফগানদের। অন্তত আফগানিস্তান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবীর মত সেরকমই, ‘উইকেটের মাটি আসলে নতুন। আগে কখনো এই পিচে কেউ খেলেনি। সেজন্য আগে বোলিং করায় ভালই হয়েছে। উইকেট সম্পর্কে জানতে পেরেছি, আচরণ বুঝেছি। সেটা কাজে লাগিয়েই দ্রুত উইকেট নিয়ে ওদের চাপে ফেলেছি।’

আগে ব্যাটিং বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে মোসাদ্দেক জানিয়েছেন অদ্ভুত কারণ। রান তাড়ায় রশিদ খানের স্পিন সামলানোর চিন্তাতেই নাকি আগে ব্যাট করতে চেয়েছেন তারা।

আগে ব্যাট করেও যথেষ্ট রান জড়ো করতে পারেনি টাইগাররা। উইকেট কি আসলেই এতটাই খারাপ ছিল? আফগান অধিনায়কের মতে না নয়, এখানে খেলা উচিত বুদ্ধিদীপ্ত মানসিকতায়, ‘ব্যাট করার জন্য এতটা খারাপ ছিল না। মন্থর ছিল, ওরা কিছুটা চড়াও হয়ে উইকেট দিয়েছে। রান তাড়ায় আমরা শুরুতে উইকেট হারাতে চাই না। চাপটা সামলে নেওয়ায় পরে ওভার প্রতি ১০ করে নেওয়া সহজেই করতে পেরেছি।’