ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ফ্লাইদুবাই পাইলট হামামের বিতর্কিত পোস্ট ও বিমান হামলার নেপথ্যে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাই এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে হামলায় অভিযুক্ত কো-পাইলটের পরিচয় পাওয়া গেছে। ২৯ বছর বয়সী এই পাইলটের নাম হামাম আল-হামানি, যিনি ওমানের নাগরিক। সিএনএনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, হামাম তার রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ধর্মীয় মতাদর্শ প্রকাশ করতেন।

২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার অভিজ্ঞতা নিয়ে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছিলেন হামাম। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, বিয়ের পর স্ত্রীকে নিকাব পরিধান করতে হবে এবং তাকে চাকরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে—এমন শর্তই ছিল তার প্রধান দাবি। তিনি জানিয়েছিলেন, তার এই কড়া শর্তের কারণে শুরুতে কোনো পাত্রীই রাজি হচ্ছিলেন না এবং তার মা তাদের খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তবে পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে যখন তার মা সম্ভাব্য পাত্রীদের জানান যে হামাম একজন পেশাদার পাইলট। এরপরই পাত্রীরা হঠাৎ বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেতেন বলে হামাম দাবি করেছিলেন। ২০২২ সালে এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন হামাম।

এছাড়া নারী ও পুরুষের কর্মক্ষেত্রে অবাধ মেলামেশা নিয়েও হামামের তীব্র দ্বিমত ছিল। তিনি ২০২২ সালের একই সময়ে লিখেছিলেন, কত সংখ্যক ধার্মিক ও সম্মানীয় নারী পুরুষদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নৈতিকভাবে ধ্বংস হয়েছেন এবং তাদের ভুল পথে চালিত করা হয়েছে। মূলত রক্ষণশীল এই মানসিকতার প্রতিফলন তার ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত আচরণের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার দিন তেল আবিবগামী বিমানটি পরিচালনা করছিলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছাড় ও ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হামানি। মাঝআকাশে ফ্লাইটের ভেতরেই হামাম ধারালো কোনো বস্তু ব্যবহার করে ক্যাপ্টেন স্মিতকে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তিনি বিমানটি বিধ্বস্ত করারও চেষ্টা চালিয়েছিলেন বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। যদিও তার সেই অশুভ প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বিমানটি রক্ষা পায়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

ফ্লাইদুবাই পাইলট হামামের বিতর্কিত পোস্ট ও বিমান হামলার নেপথ্যে

আপডেট সময় ০৭:৪৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাই এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে হামলায় অভিযুক্ত কো-পাইলটের পরিচয় পাওয়া গেছে। ২৯ বছর বয়সী এই পাইলটের নাম হামাম আল-হামানি, যিনি ওমানের নাগরিক। সিএনএনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, হামাম তার রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ধর্মীয় মতাদর্শ প্রকাশ করতেন।

২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার অভিজ্ঞতা নিয়ে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছিলেন হামাম। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, বিয়ের পর স্ত্রীকে নিকাব পরিধান করতে হবে এবং তাকে চাকরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে—এমন শর্তই ছিল তার প্রধান দাবি। তিনি জানিয়েছিলেন, তার এই কড়া শর্তের কারণে শুরুতে কোনো পাত্রীই রাজি হচ্ছিলেন না এবং তার মা তাদের খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তবে পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে যখন তার মা সম্ভাব্য পাত্রীদের জানান যে হামাম একজন পেশাদার পাইলট। এরপরই পাত্রীরা হঠাৎ বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেতেন বলে হামাম দাবি করেছিলেন। ২০২২ সালে এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন হামাম।

এছাড়া নারী ও পুরুষের কর্মক্ষেত্রে অবাধ মেলামেশা নিয়েও হামামের তীব্র দ্বিমত ছিল। তিনি ২০২২ সালের একই সময়ে লিখেছিলেন, কত সংখ্যক ধার্মিক ও সম্মানীয় নারী পুরুষদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নৈতিকভাবে ধ্বংস হয়েছেন এবং তাদের ভুল পথে চালিত করা হয়েছে। মূলত রক্ষণশীল এই মানসিকতার প্রতিফলন তার ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত আচরণের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার দিন তেল আবিবগামী বিমানটি পরিচালনা করছিলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছাড় ও ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হামানি। মাঝআকাশে ফ্লাইটের ভেতরেই হামাম ধারালো কোনো বস্তু ব্যবহার করে ক্যাপ্টেন স্মিতকে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তিনি বিমানটি বিধ্বস্ত করারও চেষ্টা চালিয়েছিলেন বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। যদিও তার সেই অশুভ প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বিমানটি রক্ষা পায়।