ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

গার্মেন্টস সেক্টর সফল হলে অন্যগুলো কেন পারছে না, ব্যাখা দিলেন সালমান এফ রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের গার্মেন্টস সেক্টর রপ্তানিতে সফল হতে পারলেও অন্য সেক্টর অনেক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এর জন্য তিনি আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দায়ী করছেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, প্রথমত গ্লোবাল ট্রেড অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটা দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক। দ্বিতীয়ত আমাদের আমলাতন্ত্রের মাঠ পর্যায়ে মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। তৃতীয়ত আমাদের সবার জিও পলিটিক্যাল সিচুয়েশনে নিয়ে ভাবতে হবে, এটা কীভাবে সাপ্লাই চেইনে আঘাত করছে সেদিকে নজর দিতে হবে।

বুধবার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআরআইবি) রপ্তানি প্রতিযোগিতার জন্য বাণিজ্য সুবিধার উন্নতি: বাংলাদেশের জন্য অগ্রগতি পাঠ এবং নীতি অগ্রাধিকার শীর্ষক এক ভার্চুয়াল ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার সংস্কার করা গেলে দেশের প্রতিটা সেক্টর রপ্তানিতে ভালো করা সম্ভব। উচ্চপর্যায়ে আমলাতান্ত্রিক মানসিকতার পরিবর্তন এসেছে, তবে মাঠ পর্যায়ে এখনো রয়ে গেছে।

সালমান এফ রহমান বলেন, দেশে গত ১৫ বছরে জিডিপি বেড়েছে ১০ বারের বেশি। প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের জন্য সবকিছু করে যাচ্ছে। দেশ সে অনুযায়ী এগোচ্ছেও। তারপরও কিছু সেক্টরে সমস্যা রয়েই গেছে।

সালমান বলেন, বাংলাদেশের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগী হওয়ার জন্য আমি আইএফসি, বিশ্বব্যাংক এবং এডিবিকে ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকে।

তিনি বলেন, প্রথমে ইস্যু বলতে গেলে এক্সপোর্ট নিয়ে বলতে হয়। প্রধানমন্ত্রী অনেকবার বলেছেন গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি অনেক সফল, তাহলে অন্য এক্সপোর্ট সেক্টর কেন গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির মতো সফল হচ্ছে না? অন্য সেক্টরের মানুষেরা অভিযোগ করছে গার্মেন্টস সেক্টরের মতো তারা সুবিধা পাচ্ছে না, আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে অন্য সেক্টরের দিকে মনযোগ দিতে হবে, যেমনটা আরএমজি রপ্তানির দিকে দিয়েছি।

সালমান বলেন, এক্সপোর্ট বাড়াতে হলে পোর্টের সুযোগ সুবিধা আরও বাড়ানো উচিত। চিটাগং পোর্টের ক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। এ নিয়ে কাজ চলছে। কক্সবাজার জেলার মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে কাজ চলছে। এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসেবে নির্মাণ করা হবে। এগুলো হয়ে গেলে এক্সপোর্ট আরও বাড়ানো যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা বলেন, কীভাবে লোকাল প্রাইভেট ও ফরেন প্রাইভেট সেক্টরে আরও বিনিয়োগ আনা যায় আমি সেই বিষয়ে কাজ করছি। সরকারের সংস্থাগুলোও কাজ করছে। আপনাদের বুঝতে হবে, আমরা কোনো বিনিয়োগকারী না, আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাই আমাদের কাজগুলোও সেভাবেই হচ্ছে।

সালমান বলেন, দেশের আইসিটি সেক্টর এগিয়ে যাচ্ছে। এ সেক্টরে কাজ করছে ১৫ হাজার ফ্রিল্যান্সার। তারা প্রতিনিয়ত দেশকে ডিজিটালি উন্নয়নে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে তারা ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করছে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

আমলাতন্ত্রের সমস্যা আছে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, আমি সব সময় বলি যে উচ্চমানের আমলাতন্ত্রের কাছে আগে সবকিছু বন্দি ছিল। তবে এখন উচ্চপর্যায়ে সমস্যা কমেছে। আমলাতন্ত্রের উচ্চপর্যায়ে ইতিবাচক মানসিক পরিবর্তন এসেছে। তবে নিম্ন পর্যায় ও মাঠ পর্যায়ে এখনো সমস্যা রয়ে গেছে। এনবিআর এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে এসব চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছে। গার্মেন্টস সেক্টরের মত অন্য সেক্টরগুলোতেও নজর দিতে হবে।

সালমান বলেন, সাপ্লাই চেইনে সিরিয়াস সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমাদের সবার একযোগে এসব সমস্যা বের করে কাজ করতে হবে। কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগুনো যায়, তা করতে হবে। আমি পিআরআই, পলিসি এক্সচেঞ্জ এবং বিশ্বব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করব সাপ্লাই চেইন নিয়ে আরও সতর্ক হতে।

এ সময় ভার্চুয়াল ওয়েবিনারে যুক্ত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার, পলিসি এক্সচেঞ্জ চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ, আইএফসি ম্যানেজার সেলমা রাজাভেক, এনবিআর সদস্য (কাস্টম অডিট) ড. আব্দুল মান্নান সিকদার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বিজিএমইএর পরিচালক ও সিএসইর সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের এমডি এনামুল হক, এফসিডিওর ডেপুটি ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টর ডানকান ওভারফিল্ড, আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজার মারটিন হটম্যানসহ আরো অনেকে।

ওয়েবিনার শুরু করেন পিআরআইবি নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ও সঞ্চালনা করেন চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

গার্মেন্টস সেক্টর সফল হলে অন্যগুলো কেন পারছে না, ব্যাখা দিলেন সালমান এফ রহমান

আপডেট সময় ০৬:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের গার্মেন্টস সেক্টর রপ্তানিতে সফল হতে পারলেও অন্য সেক্টর অনেক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এর জন্য তিনি আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দায়ী করছেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, প্রথমত গ্লোবাল ট্রেড অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটা দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক। দ্বিতীয়ত আমাদের আমলাতন্ত্রের মাঠ পর্যায়ে মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। তৃতীয়ত আমাদের সবার জিও পলিটিক্যাল সিচুয়েশনে নিয়ে ভাবতে হবে, এটা কীভাবে সাপ্লাই চেইনে আঘাত করছে সেদিকে নজর দিতে হবে।

বুধবার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআরআইবি) রপ্তানি প্রতিযোগিতার জন্য বাণিজ্য সুবিধার উন্নতি: বাংলাদেশের জন্য অগ্রগতি পাঠ এবং নীতি অগ্রাধিকার শীর্ষক এক ভার্চুয়াল ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার সংস্কার করা গেলে দেশের প্রতিটা সেক্টর রপ্তানিতে ভালো করা সম্ভব। উচ্চপর্যায়ে আমলাতান্ত্রিক মানসিকতার পরিবর্তন এসেছে, তবে মাঠ পর্যায়ে এখনো রয়ে গেছে।

সালমান এফ রহমান বলেন, দেশে গত ১৫ বছরে জিডিপি বেড়েছে ১০ বারের বেশি। প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের জন্য সবকিছু করে যাচ্ছে। দেশ সে অনুযায়ী এগোচ্ছেও। তারপরও কিছু সেক্টরে সমস্যা রয়েই গেছে।

সালমান বলেন, বাংলাদেশের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগী হওয়ার জন্য আমি আইএফসি, বিশ্বব্যাংক এবং এডিবিকে ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকে।

তিনি বলেন, প্রথমে ইস্যু বলতে গেলে এক্সপোর্ট নিয়ে বলতে হয়। প্রধানমন্ত্রী অনেকবার বলেছেন গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি অনেক সফল, তাহলে অন্য এক্সপোর্ট সেক্টর কেন গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির মতো সফল হচ্ছে না? অন্য সেক্টরের মানুষেরা অভিযোগ করছে গার্মেন্টস সেক্টরের মতো তারা সুবিধা পাচ্ছে না, আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে অন্য সেক্টরের দিকে মনযোগ দিতে হবে, যেমনটা আরএমজি রপ্তানির দিকে দিয়েছি।

সালমান বলেন, এক্সপোর্ট বাড়াতে হলে পোর্টের সুযোগ সুবিধা আরও বাড়ানো উচিত। চিটাগং পোর্টের ক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। এ নিয়ে কাজ চলছে। কক্সবাজার জেলার মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে কাজ চলছে। এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসেবে নির্মাণ করা হবে। এগুলো হয়ে গেলে এক্সপোর্ট আরও বাড়ানো যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা বলেন, কীভাবে লোকাল প্রাইভেট ও ফরেন প্রাইভেট সেক্টরে আরও বিনিয়োগ আনা যায় আমি সেই বিষয়ে কাজ করছি। সরকারের সংস্থাগুলোও কাজ করছে। আপনাদের বুঝতে হবে, আমরা কোনো বিনিয়োগকারী না, আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাই আমাদের কাজগুলোও সেভাবেই হচ্ছে।

সালমান বলেন, দেশের আইসিটি সেক্টর এগিয়ে যাচ্ছে। এ সেক্টরে কাজ করছে ১৫ হাজার ফ্রিল্যান্সার। তারা প্রতিনিয়ত দেশকে ডিজিটালি উন্নয়নে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে তারা ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করছে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

আমলাতন্ত্রের সমস্যা আছে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, আমি সব সময় বলি যে উচ্চমানের আমলাতন্ত্রের কাছে আগে সবকিছু বন্দি ছিল। তবে এখন উচ্চপর্যায়ে সমস্যা কমেছে। আমলাতন্ত্রের উচ্চপর্যায়ে ইতিবাচক মানসিক পরিবর্তন এসেছে। তবে নিম্ন পর্যায় ও মাঠ পর্যায়ে এখনো সমস্যা রয়ে গেছে। এনবিআর এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে এসব চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছে। গার্মেন্টস সেক্টরের মত অন্য সেক্টরগুলোতেও নজর দিতে হবে।

সালমান বলেন, সাপ্লাই চেইনে সিরিয়াস সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমাদের সবার একযোগে এসব সমস্যা বের করে কাজ করতে হবে। কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগুনো যায়, তা করতে হবে। আমি পিআরআই, পলিসি এক্সচেঞ্জ এবং বিশ্বব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করব সাপ্লাই চেইন নিয়ে আরও সতর্ক হতে।

এ সময় ভার্চুয়াল ওয়েবিনারে যুক্ত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার, পলিসি এক্সচেঞ্জ চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ, আইএফসি ম্যানেজার সেলমা রাজাভেক, এনবিআর সদস্য (কাস্টম অডিট) ড. আব্দুল মান্নান সিকদার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বিজিএমইএর পরিচালক ও সিএসইর সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের এমডি এনামুল হক, এফসিডিওর ডেপুটি ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টর ডানকান ওভারফিল্ড, আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজার মারটিন হটম্যানসহ আরো অনেকে।

ওয়েবিনার শুরু করেন পিআরআইবি নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ও সঞ্চালনা করেন চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার।