ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোবাইলে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা, লাশ ফেলল বাড়ির ডোবায়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জুলহাস মিয়া (৩৮) নামের এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা হত্যার পর তার লাশ বাড়ির ডোবায় ফেলে যায়।

সোমবার রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সারাংপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মঙ্গলবার পুলিশ ডোবা থেকে জুলহাসের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। জুলহাস মিয়া ওই গ্রামের মৃত বারেক মিয়ার ছেলে। তিনি গরুর ব্যবসা করতেন।

নিহতের স্ত্রী মারুফা বেগম জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে জুলহাস ঘুমের প্রস্তুতি নেয়। এ সময় মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। তারপর আর রাতে বাড়ি ফেরেনি। পরদিন সকালে তার লাশ বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে থাকতে দেখে।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার

মোবাইলে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা, লাশ ফেলল বাড়ির ডোবায়

আপডেট সময় ১০:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জুলহাস মিয়া (৩৮) নামের এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা হত্যার পর তার লাশ বাড়ির ডোবায় ফেলে যায়।

সোমবার রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সারাংপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মঙ্গলবার পুলিশ ডোবা থেকে জুলহাসের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। জুলহাস মিয়া ওই গ্রামের মৃত বারেক মিয়ার ছেলে। তিনি গরুর ব্যবসা করতেন।

নিহতের স্ত্রী মারুফা বেগম জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে জুলহাস ঘুমের প্রস্তুতি নেয়। এ সময় মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। তারপর আর রাতে বাড়ি ফেরেনি। পরদিন সকালে তার লাশ বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে থাকতে দেখে।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।