ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

জাতীয় অধ্যাপক আমিনুল হক আর নেই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বার্ধক্যজনিত কারণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক ভিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ড. একেএম আমিনুল হক মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)।

সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল মনসুর।

জানা যায়, অধ্যাপক ড. একেএম আমিনুল হক একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী ছিলেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৫২ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় লাহোর থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। ১৯৫৭ সালে নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাকৃবির ভিসি হিসেবে ১৯৮০-১৯৮৮ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত হন। তিনি শাহাবুদ্দিন আহমেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মন্ত্রীর পদমর্যাদার একজন প্রাক্তন উপদেষ্টা। ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির নির্বাচিত সহযোগী।

জীবনের শেষপর্যায়ে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মৎস্য বিভাগের সামুদ্রিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় অধ্যাপক আমিনুল হক আর নেই

আপডেট সময় ১১:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বার্ধক্যজনিত কারণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক ভিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ড. একেএম আমিনুল হক মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)।

সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল মনসুর।

জানা যায়, অধ্যাপক ড. একেএম আমিনুল হক একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী ছিলেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৫২ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় লাহোর থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। ১৯৫৭ সালে নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাকৃবির ভিসি হিসেবে ১৯৮০-১৯৮৮ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত হন। তিনি শাহাবুদ্দিন আহমেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মন্ত্রীর পদমর্যাদার একজন প্রাক্তন উপদেষ্টা। ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির নির্বাচিত সহযোগী।

জীবনের শেষপর্যায়ে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মৎস্য বিভাগের সামুদ্রিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।