ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নুডুলসের সঙ্গে সেফটিপিন খেয়ে ফেলল শিশু, অতঃপর…

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নাটোরের লালপুরে নুডুলসের সঙ্গে আস্ত একটা সেফটিপিন খেয়ে ফেলেছে তিন বছরের এক শিশু। সোহানা আক্তার জিদনী নামের শিশুটির খাদ্যনালিতে আটকে আছে সেফটিপিনটি।

বৃহস্পতিবার শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখানে সেফটিপিন বের করার যন্ত্র নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন রামেক হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তাই শুক্রবার শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শিশু সোহানা নাটোরের লালপুর উপজেলার বড়বাঁধ এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে। শফিকুল একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন।

শফিকুল জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে তার মা জুলেখা বেগম নুডুলস খাওয়ানোর সময় ভুলবশত শিশুটির গলায় সেফটিপিন আটকে যায়। তাৎক্ষণিক সে বমি করতে শুরু করে। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। রাতেই সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এক্সরে রিপোর্টে দেখা যায়, শিশুটির খাদ্যনালিতে সেফটিপিন বিধে আছে। শিশুর বাবা আরও জানান, ওই সেফটিপিন নুডুলসে ছিল নাকি অন্য কোনোভাবে খাবারে এসেছিল বিষয়টি তারা নিশ্চিত না।

রামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাক-কান-গলা বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. নাজমুল হাসান জানান, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এখন তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এখানে খাদ্যনালি থেকে সেফটিপিন বের করা সম্ভব হয়নি। সেফটিপিন বের করতে যে যন্ত্র প্রয়োজন সেটি তিন দিন আগে নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

তিনি জানান, সেফটিপিন খাদ্যনালিতে আটকানো ঝুঁকিপূর্ণ। এটি বের করতে গিয়ে খাদ্যনালি ছিঁড়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নুডুলসের সঙ্গে সেফটিপিন খেয়ে ফেলল শিশু, অতঃপর…

আপডেট সময় ০৬:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নাটোরের লালপুরে নুডুলসের সঙ্গে আস্ত একটা সেফটিপিন খেয়ে ফেলেছে তিন বছরের এক শিশু। সোহানা আক্তার জিদনী নামের শিশুটির খাদ্যনালিতে আটকে আছে সেফটিপিনটি।

বৃহস্পতিবার শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখানে সেফটিপিন বের করার যন্ত্র নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন রামেক হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তাই শুক্রবার শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শিশু সোহানা নাটোরের লালপুর উপজেলার বড়বাঁধ এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে। শফিকুল একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন।

শফিকুল জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে তার মা জুলেখা বেগম নুডুলস খাওয়ানোর সময় ভুলবশত শিশুটির গলায় সেফটিপিন আটকে যায়। তাৎক্ষণিক সে বমি করতে শুরু করে। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। রাতেই সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এক্সরে রিপোর্টে দেখা যায়, শিশুটির খাদ্যনালিতে সেফটিপিন বিধে আছে। শিশুর বাবা আরও জানান, ওই সেফটিপিন নুডুলসে ছিল নাকি অন্য কোনোভাবে খাবারে এসেছিল বিষয়টি তারা নিশ্চিত না।

রামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাক-কান-গলা বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. নাজমুল হাসান জানান, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এখন তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এখানে খাদ্যনালি থেকে সেফটিপিন বের করা সম্ভব হয়নি। সেফটিপিন বের করতে যে যন্ত্র প্রয়োজন সেটি তিন দিন আগে নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

তিনি জানান, সেফটিপিন খাদ্যনালিতে আটকানো ঝুঁকিপূর্ণ। এটি বের করতে গিয়ে খাদ্যনালি ছিঁড়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকে।