ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সেই ক্রেন দিয়েই সরানো হলো গার্ডার, গাড়ি থেকে বেরোল ৫ লাশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্ঘটনার তিন ঘণ্টা পর দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া প্রাইভেটকারের ওপর থেকে সরানো হলো গার্ডার। সোমবার সন্ধ্যা ৭টার পর গার্ডার সরিয়ে লাশগুলো বের করে দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয়। মরদেহগুলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জসিমউদ্দিন মোড় সংলগ্ন সড়কে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) স্থাপনা প্রকল্পের একটি গার্ডার প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে। এতে পাঁচ আরোহী নিহত হন। আহত হন আরও দুই জন আরোহী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রকল্পের কাজ চলাকালীন একটি গার্ডার ক্রেন দিয়ে তোলা হচ্ছিল। হঠাৎ ক্রেনটি গার্ডারসহ কাত হয়ে যায় এবং নিচ দিয়ে যাওয়া একটি প্রাইভেটকারের ওপর গার্ডারটি পড়ে। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।

প্রাইভেটকারে আরোহী ছিলেন সাত জন। ছিলেন নববিবাহিত হৃদয়ের বাবা রুবেল (৬০), হৃদয়ের শাশুড়ি ফাহিমা (৪০), কনে রিয়া মনির খালা ঝরনা (২৮), ঝরনার দুই সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। শুধু বেঁচে আছেন হৃদয় ও রিয়া। তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর গার্ডার সরিয়ে প্রাইভেটকার থেকে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। লিভার দিয়ে উঁচু করার চেষ্টা করেন তাঁরা। কিন্তু তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় সাড়ে ৬টার দিকে আনা হয় একটি এক্সক্যাভেটর। সেটি দিয়ে কাত হয়ে থাকার ক্রেনটি সোজা করে সেটি দিয়েই প্রাইভেটকারের ওপর থেকে গার্ডার সরানো হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্বজনেরা জানান, শুক্রবার হৃদয় ও রিয়ার বিয়ে হয়। তারা আজ ছেলের বাড়ি থেকে মেয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। হৃদয়ের পরিবার দক্ষিণখান থানার কাওলা আফিল মেম্বারের বাড়ির ভাড়াটিয়া। আর কনে রিয়া মনির বাড়ি আশুলিয়ার খেজুরবাগানে আসরাফউদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সেই ক্রেন দিয়েই সরানো হলো গার্ডার, গাড়ি থেকে বেরোল ৫ লাশ

আপডেট সময় ০৯:২৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্ঘটনার তিন ঘণ্টা পর দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া প্রাইভেটকারের ওপর থেকে সরানো হলো গার্ডার। সোমবার সন্ধ্যা ৭টার পর গার্ডার সরিয়ে লাশগুলো বের করে দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয়। মরদেহগুলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জসিমউদ্দিন মোড় সংলগ্ন সড়কে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) স্থাপনা প্রকল্পের একটি গার্ডার প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে। এতে পাঁচ আরোহী নিহত হন। আহত হন আরও দুই জন আরোহী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রকল্পের কাজ চলাকালীন একটি গার্ডার ক্রেন দিয়ে তোলা হচ্ছিল। হঠাৎ ক্রেনটি গার্ডারসহ কাত হয়ে যায় এবং নিচ দিয়ে যাওয়া একটি প্রাইভেটকারের ওপর গার্ডারটি পড়ে। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।

প্রাইভেটকারে আরোহী ছিলেন সাত জন। ছিলেন নববিবাহিত হৃদয়ের বাবা রুবেল (৬০), হৃদয়ের শাশুড়ি ফাহিমা (৪০), কনে রিয়া মনির খালা ঝরনা (২৮), ঝরনার দুই সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। শুধু বেঁচে আছেন হৃদয় ও রিয়া। তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর গার্ডার সরিয়ে প্রাইভেটকার থেকে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। লিভার দিয়ে উঁচু করার চেষ্টা করেন তাঁরা। কিন্তু তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় সাড়ে ৬টার দিকে আনা হয় একটি এক্সক্যাভেটর। সেটি দিয়ে কাত হয়ে থাকার ক্রেনটি সোজা করে সেটি দিয়েই প্রাইভেটকারের ওপর থেকে গার্ডার সরানো হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্বজনেরা জানান, শুক্রবার হৃদয় ও রিয়ার বিয়ে হয়। তারা আজ ছেলের বাড়ি থেকে মেয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। হৃদয়ের পরিবার দক্ষিণখান থানার কাওলা আফিল মেম্বারের বাড়ির ভাড়াটিয়া। আর কনে রিয়া মনির বাড়ি আশুলিয়ার খেজুরবাগানে আসরাফউদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায়।