ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সীমান্তে গুলিতে নিহত সবাই অপরাধী: বিএসএফ ডিজি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশিদের সবাইকে অপরাধী হিসেবে মন্তব্য করেছেন বিএসএফ মহাপরিচালক (ডিজি) পঙ্কজ কুমার সিং।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে পিলখানায় বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বিএসএফ মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং বলেন, সীমান্তের দুই পাশে ভালো-মন্দ দুই ধরনের লোকই আছেন। সীমান্তে মন্দ লোকেরাই নিহত হয়েছেন, যারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে রয়েছে চোরাকারবারি, মাদক কারবারি ও পাচারকারি।

সীমান্তে হত্যার শিকারদের কীসের ভিত্তিতে অপরাধী বলছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, জুডিশিয়ালি সিস্টেম কিংবা কোনো অপরাধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাউকে অপরাধী বলতে পারি না। তবে আমরা প্রচলিত পদ্ধতিতে শুধু অপরাধী বলতে পারি না। আমরা ডিএমপি পুলিশ, কলকাতা পুলিশ ও সীমান্তে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কথা বলে অপরাধীদের তথ্য বিনিময় করে তাদের (সীমান্তে গুলিতে নিহত) অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করি। সীমান্তে যাবতীয় অপরাধ দুই দেশের মাফিয়ারা নিয়ন্ত্রণ করে।

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, শিশু ও নারী পাচারের সঙ্গে জড়িতরাই সীমান্ত অতিক্রম করে। এখন পর্যন্ত সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও চোরাকারবারি ঠেকাতে ৮৯ বিএসএফ সদস্য মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা মারণাস্ত্র নয়, এমন অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছি। বিজিবির সঙ্গে আমাদের আগের তুলনায় সম্পর্ক ভালো। সীমান্ত সুরক্ষায় আমরা একসঙ্গে কাজ করবো।

প্রতিবার সীমান্ত সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা বন্ধে আলোচনা হয় কিন্তু সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। গত জুন মাসেও সীমান্তে হত্যা হয়েছে পাঁচজন। তবুও সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামছে না। এমন এক প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ভিন্ন। পশ্চিমা দেশগুলোর চাইতে আলাদা। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা পর্যায়ে সীমান্তের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়। দুই দেশেই ভালো-মন্দ মানুষ আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সীমান্তে গুলিতে নিহত সবাই অপরাধী: বিএসএফ ডিজি

আপডেট সময় ০৫:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশিদের সবাইকে অপরাধী হিসেবে মন্তব্য করেছেন বিএসএফ মহাপরিচালক (ডিজি) পঙ্কজ কুমার সিং।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে পিলখানায় বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বিএসএফ মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং বলেন, সীমান্তের দুই পাশে ভালো-মন্দ দুই ধরনের লোকই আছেন। সীমান্তে মন্দ লোকেরাই নিহত হয়েছেন, যারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে রয়েছে চোরাকারবারি, মাদক কারবারি ও পাচারকারি।

সীমান্তে হত্যার শিকারদের কীসের ভিত্তিতে অপরাধী বলছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, জুডিশিয়ালি সিস্টেম কিংবা কোনো অপরাধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাউকে অপরাধী বলতে পারি না। তবে আমরা প্রচলিত পদ্ধতিতে শুধু অপরাধী বলতে পারি না। আমরা ডিএমপি পুলিশ, কলকাতা পুলিশ ও সীমান্তে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কথা বলে অপরাধীদের তথ্য বিনিময় করে তাদের (সীমান্তে গুলিতে নিহত) অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করি। সীমান্তে যাবতীয় অপরাধ দুই দেশের মাফিয়ারা নিয়ন্ত্রণ করে।

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, শিশু ও নারী পাচারের সঙ্গে জড়িতরাই সীমান্ত অতিক্রম করে। এখন পর্যন্ত সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও চোরাকারবারি ঠেকাতে ৮৯ বিএসএফ সদস্য মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা মারণাস্ত্র নয়, এমন অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছি। বিজিবির সঙ্গে আমাদের আগের তুলনায় সম্পর্ক ভালো। সীমান্ত সুরক্ষায় আমরা একসঙ্গে কাজ করবো।

প্রতিবার সীমান্ত সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা বন্ধে আলোচনা হয় কিন্তু সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। গত জুন মাসেও সীমান্তে হত্যা হয়েছে পাঁচজন। তবুও সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামছে না। এমন এক প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ভিন্ন। পশ্চিমা দেশগুলোর চাইতে আলাদা। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা পর্যায়ে সীমান্তের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়। দুই দেশেই ভালো-মন্দ মানুষ আছে।