ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রী-সন্তানকে খুন করেন ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত এমন সন্দেহে নরসিংদীতে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের পর আটক ওই যুবক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত ছিল এমন সন্দেহে স্ত্রী ও দেড় বছর বয়সী শিশু সন্তানকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে এমনটাই জানিয়েছে ফখরুল।

নরসিংদী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম এসব তথ্য দিয়েছেন। ওসি বলেন, নিহত রেশমির পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে সন্দেহ করতো তার স্বামী ফখরুল। এরই জেরে স্ত্রী ও সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করে ফখরুল। হত্যাকাণ্ডের পর তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে সে।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে শহরের ঘোড়াদিয়ার সঙ্গীতা এলাকা থেকে ২৬ বছর বয়সী রেশমী আক্তার ও তার শিশু সন্তান সালমান সাফায়াতের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রেশমি পৌর শহরের দত্তপাড়া এলাকার পারভেজ মিয়ার মেয়ে।

তবে রেশমির পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে পৌর শহরের দত্তপাড়া এলাকার পারভেজ মিয়ার মেয়ে রেশমির সঙ্গে ঘোড়াদিয়া সঙ্গীতা এলাকার সাইফুল্লার ছেলে ফখরুলের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন রেশমিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো। এরই মধ্যে তাদের কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। তারপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। সবশেষ রবিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে রেশমি ও তার সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করে পালানোর চেষ্টা করেন ফখরুল। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ফখরুলকে ধরে ফেলে। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের বাবা পারভেজ মিয়া বলেন, বিয়ের পর থেকে আমার মেয়েটাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। আমরা কষ্ট পাব বলে মেয়ে আমাদের কিছুই বলত না।

তিনি আরও বলেন, ফখরুল মাদকাসক্ত ছিল। কিন্তু আমরা জানতাম না। এসব তথ্য আমাদের কাছ থেকে গোপন রেখে বিয়ে দিয়েছিল। এখন আমি আমার মেয়ে ও নাতি হত্যার বিচার চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রী-সন্তানকে খুন করেন ফখরুল

আপডেট সময় ১২:১১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত এমন সন্দেহে নরসিংদীতে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের পর আটক ওই যুবক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত ছিল এমন সন্দেহে স্ত্রী ও দেড় বছর বয়সী শিশু সন্তানকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে এমনটাই জানিয়েছে ফখরুল।

নরসিংদী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম এসব তথ্য দিয়েছেন। ওসি বলেন, নিহত রেশমির পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে সন্দেহ করতো তার স্বামী ফখরুল। এরই জেরে স্ত্রী ও সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করে ফখরুল। হত্যাকাণ্ডের পর তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে সে।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে শহরের ঘোড়াদিয়ার সঙ্গীতা এলাকা থেকে ২৬ বছর বয়সী রেশমী আক্তার ও তার শিশু সন্তান সালমান সাফায়াতের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রেশমি পৌর শহরের দত্তপাড়া এলাকার পারভেজ মিয়ার মেয়ে।

তবে রেশমির পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে পৌর শহরের দত্তপাড়া এলাকার পারভেজ মিয়ার মেয়ে রেশমির সঙ্গে ঘোড়াদিয়া সঙ্গীতা এলাকার সাইফুল্লার ছেলে ফখরুলের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন রেশমিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো। এরই মধ্যে তাদের কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। তারপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। সবশেষ রবিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে রেশমি ও তার সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করে পালানোর চেষ্টা করেন ফখরুল। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ফখরুলকে ধরে ফেলে। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের বাবা পারভেজ মিয়া বলেন, বিয়ের পর থেকে আমার মেয়েটাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। আমরা কষ্ট পাব বলে মেয়ে আমাদের কিছুই বলত না।

তিনি আরও বলেন, ফখরুল মাদকাসক্ত ছিল। কিন্তু আমরা জানতাম না। এসব তথ্য আমাদের কাছ থেকে গোপন রেখে বিয়ে দিয়েছিল। এখন আমি আমার মেয়ে ও নাতি হত্যার বিচার চাই।