আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
চাপা শঙ্কায় শুরু হওয়া দিনটা যেন মুহূর্তেই রঙ বদলালো। উইকেটশূন্য ১৪৫ রানে থাকা পাকিস্তান তৃতীয় দিনে তুললো আরও ১৪১ রান! তাইজুলের মোহনীয় ফ্লাইট আর ঘূর্ণিতে টাইগারদের থেকে ৪৪ রান দূরে থামল সফরকারীদের ইনিংস। তবে লিড পেয়েও হতাশার একটা বিকাল কাটাতে হলো টাইগারদের। তাতেই চট্টগ্রামে দুর্দান্ত অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের দিনের সাফল্য রঙ হারালো।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন বড় স্কোরের লক্ষ্যে মাঠে নামেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবদুল্লাহ ও আবিদ আলী। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইন আপ নিয়েও পাকিস্তান বেশি দূর এগোতে পারেনি। তারা তাদের ১০ উইকেট হারিয়েছে দুই সেশনেই। এসময় স্কোরবোর্ডে তুলতে পেরেছে প্রথম দিনের থেকেও কম রান।
তবে এমন সাফল্যময় একটা দিনের পুরো কৃতিত্ব ফাইফার তাইজুল ইসলামের। নিরস উইকেটে অভিজ্ঞতা আর স্কিলের ঝুলি উপুড় করে দিলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের এই বিষেই দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে বাংলাদেশ। ১১৬ রানে ৭ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটা বাংলাদেশের সেরা বোলিং। আগের সেরা ছিল ২০১১ সালে ঢাকা টেস্টে সাকিব আল হাসানের ৮২ রানে ৬ উইকেট।
তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে। দুই সেশনের মধ্য পাকিস্তানকে গুটিয়ে দিয়ে ৪৪ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। কিন্তু লিড পেয়েও বাজে শুরু করে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যান শেষ বিকেলে খাবি খাচ্ছিল হাসান আলি-শাহিন আফ্রিদির বলে। প্রথম ইনিংসে ৪৯ রানে প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার আরেকটু আগেই ফিরলেন চার টপঅর্ডার। স্কোরবোর্ডে ২৫ রান তুলতেই ফিরে যান শান্ত-মুমিনুল-সাদমান ও সাইফরা।
পাকিস্তানের তুলে নেওয়া চার উইকেটের তিনটিই পেসার আফ্রিদির। একটি উইকেট নিয়েছেন হাসান আলী। দ্রুত ৪ উইকেট হারানো দলকে টানছেন মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলি চৌধুরি। পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে দিতে এই দুই জনের দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























