আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলে পরিবর্তন হলো অনেক কিছুই। ব্যর্থতার কারণে বাদ পড়লো সৌম্য-লিটনরা, দলে ঢুকল সাইফ-শহিদুলের মতো নতুন মুখ। দুই দফা টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ পেয়ে ব্যর্থ নাজমুল হোসেন শান্ত পেলেন আরেকটি সুযোগ। এবার সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চান ২৩ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান। বিশ্বকাপের ভরাডুবি কাটিয়ে উঠতে পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়তে চান বিপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে।
আগামী ১৯ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সেখানে থাকছেন না সাকিব-তামিম-মুশফিকের মতো অভিজ্ঞরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টাইগারদের ব্যর্থতা ও চোটে জর্জরিত দলে এবার শক্তি নতুনরা। তাদের নিয়েই দুর্দান্ত ফর্মে থাকা পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে কাজটা যদিও কঠিন তবুও ভালো করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী শান্ত। বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএলে) পাকিস্তানের বেশ কিছু ক্রিকেটারের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় সিরিজে সেটিই আত্মবিশ্বাস যোগাবে টাইগারদের।
শান্ত বলেন, ‘বিশ্ব ক্রিকেট চিন্তা করলে পাকিস্তান সেরা দলগুলোর একটি। বিপিএলে ওদের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে। ওই দিক থেকে আমরা একটু আত্মবিশ্বাসী যে ওই বোলারদের মোকাবেলা করেছি, বা ওই ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে বল করেছি। এই সুযোগ আছে। বিশ্ব ক্রিকেটে প্রত্যেকটা দলই ভাল। চিন্তা করলে হবে না যে অনেক ভাল কিছু করব, আমরা জাস্ট বল দেখব, খেলব। অতো বেশি চিন্তার কিছু নেই আমরা যেটা পারি ওই জিনিসটা করব।’
দলে ডাক পাওয়া তরুণ ক্রিকেটারদের সামর্থ্য নিয়ে আশাবাদী শান্ত। তার মতে, জুনিয়র হলেও প্রত্যেকের ভেতরে রয়েছে দায়িত্ব নেওয়ার তাড়না। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে যারা আছি প্রত্যেকেই সামর্থ্যবান। প্রত্যেকটা ব্যাটসম্যানই দায়িত্ব নিয়ে খেলার মতো। আমাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। এখানে সিনিয়র বা জুনিয়র বলে কিছু নাই। এখানে সবাই সামর্থ্যবান বলে আমরা আছি। প্রত্যেকেরই দায়িত্ব আছে। যার যে দায়িত্ব সবারই ওটা সমানভাবে পালন করতে হবে। সবারই সেই সামর্থ্য আছে।’
বিশ্বকাপে বোলিংয়ে কিছুটা ফর্ম দেখাতে পারলেও ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি হয়েছিল টাইগার ব্যাটারদের। মারমার কাটকাট এই ফরম্যাটেও ছিল ডট বলের ছড়াছড়ি। বড় শট খেলার মাঝেও ছিল অদ্ভুদ রকম জড়তা। আর সেই জড়তা কাটিয়ে উঠতে চান শান্ত। পাকিস্তানের বিপক্ষে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে চান উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘সাধারণত টি-টোয়েন্টি অবশ্যই রানেরই খেলা। আমি যখনই খেলি আমার লক্ষ্য থাকে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটই খেলব। চিন্তা থাকে প্রথম বল থেকেই আগ্রাসী মেজাজে থাকব। তার মানে এই না যে প্রতি বলেই মারতে থাকব। অবশ্যই বল বিচার করে খেলব।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















