ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৪ শতাংশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সরকার সাড়ে ৭ শতাংশের যে প্রত্যাশা নিয়ে লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সেটা হবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ে এক পর্যালোচনা তুলে ধরে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের মূখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন এসব জানান।

তিনি জানান, সামস্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু কর্মসংস্থানের গতি কমে গেছে। বিনিয়োগ, রফতানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে দুর্বলতা রয়েছে। সংস্কারের অগ্রগতিতে স্থবিরতা। আজ সকালে আগারগাওস্থ বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে ডেভেলপমেন্ট আপডেট নিয়ে এক ব্রিফিংএ তিনি এ কথা বলেন। এসময় বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফানও বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক গত মঙ্গরবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে এবার প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। ড. জাহিদ বলেন, আঅন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মানদন্ডে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ভাল। এজন্য শিল্প ও সেবা খাতের প্রতি দৃষ্টি বাড়াতে হবে।
জিডিপিতে কৃষির অবদান কমছে। প্রবৃদ্ধির সুফল কর্মসংস্থান খাতে দেখতে পাচ্ছি না। পোশাক শিল্পেও কর্মসংস্থান কমেছে। জিডিপির অনুপাতে ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়েনি।

তিনি বলেন, মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ ঢাকায় বাস করে। মোট কর্মসংস্থানেরর ৪৫ শতাংশ হলো শিল্পে। ঢাকার বাইরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিনোদনের অভাবের কারনে মান সম্পন্ন কর্মসংস্থান সেখানে করা কঠিন। সরকার যেসব সংস্কার করছে তা ধীর গতি। বড় সংস্কার পিছিয়ে গেছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, শুল্ক, উৎপাদন কমে যাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারনে চালের বাজারে অস্থিরতা। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আগামীতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ৬ শতাংশের বেশি হতে পারে। রফতানি প্রবৃদ্ধি দুঅঙ্কে যেতে সময় লাগবে। সামনে জাতীয় নির্বাচনের কারনে সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে আগ্রহ কম থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৪ শতাংশ

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সরকার সাড়ে ৭ শতাংশের যে প্রত্যাশা নিয়ে লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সেটা হবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ে এক পর্যালোচনা তুলে ধরে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের মূখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন এসব জানান।

তিনি জানান, সামস্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু কর্মসংস্থানের গতি কমে গেছে। বিনিয়োগ, রফতানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে দুর্বলতা রয়েছে। সংস্কারের অগ্রগতিতে স্থবিরতা। আজ সকালে আগারগাওস্থ বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে ডেভেলপমেন্ট আপডেট নিয়ে এক ব্রিফিংএ তিনি এ কথা বলেন। এসময় বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফানও বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক গত মঙ্গরবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে এবার প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। ড. জাহিদ বলেন, আঅন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মানদন্ডে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ভাল। এজন্য শিল্প ও সেবা খাতের প্রতি দৃষ্টি বাড়াতে হবে।
জিডিপিতে কৃষির অবদান কমছে। প্রবৃদ্ধির সুফল কর্মসংস্থান খাতে দেখতে পাচ্ছি না। পোশাক শিল্পেও কর্মসংস্থান কমেছে। জিডিপির অনুপাতে ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়েনি।

তিনি বলেন, মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ ঢাকায় বাস করে। মোট কর্মসংস্থানেরর ৪৫ শতাংশ হলো শিল্পে। ঢাকার বাইরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিনোদনের অভাবের কারনে মান সম্পন্ন কর্মসংস্থান সেখানে করা কঠিন। সরকার যেসব সংস্কার করছে তা ধীর গতি। বড় সংস্কার পিছিয়ে গেছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, শুল্ক, উৎপাদন কমে যাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারনে চালের বাজারে অস্থিরতা। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আগামীতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ৬ শতাংশের বেশি হতে পারে। রফতানি প্রবৃদ্ধি দুঅঙ্কে যেতে সময় লাগবে। সামনে জাতীয় নির্বাচনের কারনে সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে আগ্রহ কম থাকবে।