ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা পাবনায় বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছেলের পরিকল্পনায় বাবা-মাকে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দম্পতি হত্যার ঘটনায় মৃতের ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বাবার জমির দলিল ডাকাতির মাধ্যমে নিজের কব্জায় নিতে ছেলে মিঠু তার ফুফাতো ভাই সুলতান মাহমুদের সাথে পরিকল্পনা করে। বিনিময়ে বাড়িতে থাকা টাকা পয়সা যা পাওয়া যাবে সেটা সুলতান নিয়ে নেবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সুলতান তার ৬ জন সহযোগীকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাড়ির দেয়াল টপকে বাসায় প্রবেশ করে।

এসময় হাফিজুল ইসলামের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। এক সময় হাফিজুল ইসলাম অজ্ঞান হয়ে পড়লে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে পাশের কক্ষে স্ত্রী ফেন্সি বেগমকেও হাত-পা বেঁধে একই কায়দায় হত্যা করে বাড়ির অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই দম্পতির বড় ছেলেসহ ৩ জনকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ পুলিশ।

বুধবার রাতে দিনাজপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা পুলিশের কাছে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুর পুলিশ সুপার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শচীন চাকমা। আটককৃতরা হলেন নিহত দম্পতির বড় ছেলে মো. আব্দুল মতিন মিঠু (৫০), নবাবগঞ্জ উপজেলার ধরঞ্জী গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রাজন মিয়া (২৫) এবং একই এলাকার এনামুল হকের ছেলে উজ্জল হোসেন (২৫)।

আটককৃতরা বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় বলে নিশ্চিত করেন কোর্ট ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান।

এদিকে, ঘটনার পরদিন নিহত দম্পতির ছোট ছেলে আব্দুল মালেক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে একটি ডাকাতির মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে নবাবগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের দুটি প্রতিনিধি দল হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে।

দিনাজপুর পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্যদেরকেও আটক করার চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ছেলের পরিকল্পনায় বাবা-মাকে হত্যা

আপডেট সময় ০৮:২০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দম্পতি হত্যার ঘটনায় মৃতের ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বাবার জমির দলিল ডাকাতির মাধ্যমে নিজের কব্জায় নিতে ছেলে মিঠু তার ফুফাতো ভাই সুলতান মাহমুদের সাথে পরিকল্পনা করে। বিনিময়ে বাড়িতে থাকা টাকা পয়সা যা পাওয়া যাবে সেটা সুলতান নিয়ে নেবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সুলতান তার ৬ জন সহযোগীকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাড়ির দেয়াল টপকে বাসায় প্রবেশ করে।

এসময় হাফিজুল ইসলামের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। এক সময় হাফিজুল ইসলাম অজ্ঞান হয়ে পড়লে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে পাশের কক্ষে স্ত্রী ফেন্সি বেগমকেও হাত-পা বেঁধে একই কায়দায় হত্যা করে বাড়ির অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই দম্পতির বড় ছেলেসহ ৩ জনকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ পুলিশ।

বুধবার রাতে দিনাজপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা পুলিশের কাছে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুর পুলিশ সুপার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শচীন চাকমা। আটককৃতরা হলেন নিহত দম্পতির বড় ছেলে মো. আব্দুল মতিন মিঠু (৫০), নবাবগঞ্জ উপজেলার ধরঞ্জী গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রাজন মিয়া (২৫) এবং একই এলাকার এনামুল হকের ছেলে উজ্জল হোসেন (২৫)।

আটককৃতরা বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় বলে নিশ্চিত করেন কোর্ট ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান।

এদিকে, ঘটনার পরদিন নিহত দম্পতির ছোট ছেলে আব্দুল মালেক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে একটি ডাকাতির মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে নবাবগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের দুটি প্রতিনিধি দল হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে।

দিনাজপুর পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্যদেরকেও আটক করার চেষ্টা চলছে।