ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

ছেলের পরিকল্পনায় বাবা-মাকে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দম্পতি হত্যার ঘটনায় মৃতের ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বাবার জমির দলিল ডাকাতির মাধ্যমে নিজের কব্জায় নিতে ছেলে মিঠু তার ফুফাতো ভাই সুলতান মাহমুদের সাথে পরিকল্পনা করে। বিনিময়ে বাড়িতে থাকা টাকা পয়সা যা পাওয়া যাবে সেটা সুলতান নিয়ে নেবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সুলতান তার ৬ জন সহযোগীকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাড়ির দেয়াল টপকে বাসায় প্রবেশ করে।

এসময় হাফিজুল ইসলামের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। এক সময় হাফিজুল ইসলাম অজ্ঞান হয়ে পড়লে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে পাশের কক্ষে স্ত্রী ফেন্সি বেগমকেও হাত-পা বেঁধে একই কায়দায় হত্যা করে বাড়ির অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই দম্পতির বড় ছেলেসহ ৩ জনকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ পুলিশ।

বুধবার রাতে দিনাজপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা পুলিশের কাছে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুর পুলিশ সুপার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শচীন চাকমা। আটককৃতরা হলেন নিহত দম্পতির বড় ছেলে মো. আব্দুল মতিন মিঠু (৫০), নবাবগঞ্জ উপজেলার ধরঞ্জী গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রাজন মিয়া (২৫) এবং একই এলাকার এনামুল হকের ছেলে উজ্জল হোসেন (২৫)।

আটককৃতরা বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় বলে নিশ্চিত করেন কোর্ট ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান।

এদিকে, ঘটনার পরদিন নিহত দম্পতির ছোট ছেলে আব্দুল মালেক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে একটি ডাকাতির মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে নবাবগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের দুটি প্রতিনিধি দল হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে।

দিনাজপুর পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্যদেরকেও আটক করার চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

ছেলের পরিকল্পনায় বাবা-মাকে হত্যা

আপডেট সময় ০৮:২০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দম্পতি হত্যার ঘটনায় মৃতের ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বাবার জমির দলিল ডাকাতির মাধ্যমে নিজের কব্জায় নিতে ছেলে মিঠু তার ফুফাতো ভাই সুলতান মাহমুদের সাথে পরিকল্পনা করে। বিনিময়ে বাড়িতে থাকা টাকা পয়সা যা পাওয়া যাবে সেটা সুলতান নিয়ে নেবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সুলতান তার ৬ জন সহযোগীকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাড়ির দেয়াল টপকে বাসায় প্রবেশ করে।

এসময় হাফিজুল ইসলামের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। এক সময় হাফিজুল ইসলাম অজ্ঞান হয়ে পড়লে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে পাশের কক্ষে স্ত্রী ফেন্সি বেগমকেও হাত-পা বেঁধে একই কায়দায় হত্যা করে বাড়ির অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই দম্পতির বড় ছেলেসহ ৩ জনকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ পুলিশ।

বুধবার রাতে দিনাজপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা পুলিশের কাছে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুর পুলিশ সুপার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শচীন চাকমা। আটককৃতরা হলেন নিহত দম্পতির বড় ছেলে মো. আব্দুল মতিন মিঠু (৫০), নবাবগঞ্জ উপজেলার ধরঞ্জী গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রাজন মিয়া (২৫) এবং একই এলাকার এনামুল হকের ছেলে উজ্জল হোসেন (২৫)।

আটককৃতরা বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় বলে নিশ্চিত করেন কোর্ট ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান।

এদিকে, ঘটনার পরদিন নিহত দম্পতির ছোট ছেলে আব্দুল মালেক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে একটি ডাকাতির মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে নবাবগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের দুটি প্রতিনিধি দল হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে।

দিনাজপুর পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্যদেরকেও আটক করার চেষ্টা চলছে।