ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি ‘বাংলাদেশের জন্য খারাপ লাগছে, এভাবে বিশ্বকাপ খেলতে চাইনি’ বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী পেপাল, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘ: লুৎফে সিদ্দিকী ঋণখেলাপি, বিদেশি নাগরিকদের লাল কার্ড দেখানো হবে: আসিফ মাহমুদ জামায়াত ক্ষমতায় গেলে হিন্দুদের ‘জামাই আদরে’ রাখবে: কৃষ্ণ নন্দী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান

গণজাগরণের মাধ্যমে ‘জাতীয় সরকার’ চান আ স ম রব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গণজাগরণের মাধ্যমে দেশে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করার কথা বলেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেছেন, জাতি আজ রাজনীতি, অর্থনীতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে। এ থেকে মুক্তি আবশ্যক। টেবিলে বসে নয়, গণজাগরণের মাধ্যমে জাতীয় শক্তির পুনরুজ্জীবন করে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করতে হবে।

রোববার দলটির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আবদুর রব বলেন, রাষ্ট্রের সব অঙ্গকে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক জালিয়াতি চক্রে আবদ্ধ করা হয়েছে। জাতিকে নৈতিকভাবে দেউলিয়া ও নির্বাচনকে পাতানো খেলায় রূপান্তর করা হয়েছে। যেভাবে ধর্মীয় সহিংসতা উসকে ও অনৈক্য সংঘাতকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে- তাতে জাতি রাষ্ট্র সুরক্ষার প্রশ্নে জাতীয়তাবাদের পুনরুজ্জীবন জরুরি।

তিনি বলেন, বিদ্যমান বাংলাদেশি রাজতন্ত্রের হাত থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে গণজাগরণের মাধ্যমে জাতীয় শক্তির পুনরুজ্জীবন করা। এই পুনরুজ্জীবিত শক্তিই ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করবে।এটা হবে সব সমাজশক্তির অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার। জাতীয় সরকার সংবিধানের চেতনাকে সমুন্নত করবে এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিচালিত হবে।

রব বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতা অর্জনের পর সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব শক্তি ও দলকে নিয়ে ‘বিপ্লব জাতীয় সরকার’ গঠনের দাবি করেছিলাম। সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দলীয় সরকার গঠন করায় জাতিকে অনেক খেসারত দিতে হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুকেও আমরা সুরক্ষা দিতে পারিনি।

ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন- গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ড. রেজা কিবরিয়া, মো. সিরাজ মিয়া, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কেএম জাবির, সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, মোশাররফ হোসেন, এসএম সামছুল আলম নিক্সন, তৌফিকুজ্জামান পীরাচা প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন জেএসডির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী। শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএমএস আনসার উদ্দিন।

সভায় জেএসডি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ৭২ সালের সংবিধানে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র যুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন ঘটেনি। এক দলীয় বাকশাল গঠন করেও আওয়ামী লীগ গভীর সংকট উত্তরণ করতে পারেনি বরং সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্বকের তারুণ্য নষ্ট করে যেসব অভ্যাস

গণজাগরণের মাধ্যমে ‘জাতীয় সরকার’ চান আ স ম রব

আপডেট সময় ১১:২৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গণজাগরণের মাধ্যমে দেশে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করার কথা বলেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেছেন, জাতি আজ রাজনীতি, অর্থনীতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে। এ থেকে মুক্তি আবশ্যক। টেবিলে বসে নয়, গণজাগরণের মাধ্যমে জাতীয় শক্তির পুনরুজ্জীবন করে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করতে হবে।

রোববার দলটির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আবদুর রব বলেন, রাষ্ট্রের সব অঙ্গকে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক জালিয়াতি চক্রে আবদ্ধ করা হয়েছে। জাতিকে নৈতিকভাবে দেউলিয়া ও নির্বাচনকে পাতানো খেলায় রূপান্তর করা হয়েছে। যেভাবে ধর্মীয় সহিংসতা উসকে ও অনৈক্য সংঘাতকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে- তাতে জাতি রাষ্ট্র সুরক্ষার প্রশ্নে জাতীয়তাবাদের পুনরুজ্জীবন জরুরি।

তিনি বলেন, বিদ্যমান বাংলাদেশি রাজতন্ত্রের হাত থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে গণজাগরণের মাধ্যমে জাতীয় শক্তির পুনরুজ্জীবন করা। এই পুনরুজ্জীবিত শক্তিই ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করবে।এটা হবে সব সমাজশক্তির অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার। জাতীয় সরকার সংবিধানের চেতনাকে সমুন্নত করবে এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিচালিত হবে।

রব বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতা অর্জনের পর সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব শক্তি ও দলকে নিয়ে ‘বিপ্লব জাতীয় সরকার’ গঠনের দাবি করেছিলাম। সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দলীয় সরকার গঠন করায় জাতিকে অনেক খেসারত দিতে হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুকেও আমরা সুরক্ষা দিতে পারিনি।

ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন- গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ড. রেজা কিবরিয়া, মো. সিরাজ মিয়া, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কেএম জাবির, সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, মোশাররফ হোসেন, এসএম সামছুল আলম নিক্সন, তৌফিকুজ্জামান পীরাচা প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন জেএসডির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী। শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএমএস আনসার উদ্দিন।

সভায় জেএসডি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ৭২ সালের সংবিধানে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র যুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন ঘটেনি। এক দলীয় বাকশাল গঠন করেও আওয়ামী লীগ গভীর সংকট উত্তরণ করতে পারেনি বরং সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।