ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী পেপাল, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘ: লুৎফে সিদ্দিকী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রতিষ্ঠান পেপাল (PayPal) অবশেষে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের বিষয়ে নীতিগতভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে এ আগ্রহ বাস্তবায়নে সময় লাগবে এবং এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, পেপাল নিয়ে অনেক বছর ধরেই আলোচনা চলছিল। কিন্তু নানা কারণে তারা আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে চাচ্ছিল না। গত বছরের ১ ডিসেম্বরের দিকে কয়েক মাস অনুরোধের পর তারা প্রথমবারের মতো একটি সিনিয়র লেভেলের টিম বাংলাদেশে পাঠায়।

তিনি জানান, পেপালের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট হেড (সিঙ্গাপুরভিত্তিক), সাউথ এশিয়ার প্রধান (দিল্লিভিত্তিক) এবং আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চার-পাঁচ দিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করেন। এ সময় তারা দেশের উদ্যোক্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও আইসিটি খাতের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও তাদের বৈঠক হয়।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত বলেন, এবার প্রথম বারেরমতো উচ্চ পর্যায়ে আমার সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। ইন প্রিন্সিপাল তারা বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে আগ্রহী। তবে আমি খুব সতর্কভাবে বলছি—এটা নিয়ে যেন ভুল হেডলাইন না হয়। পেপাল এখনই আসছে—এমন ধারণা তৈরি করতে তারা নিজেরাই চাচ্ছে না।

লুৎফে সিদ্দিকী আরও ব্যাখ্যা করেন, পেপালের মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের নতুন কোনো দেশে কার্যক্রম শুরু করতে হলে দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ওদের নিজেদের মধ্যে ডিবেট হবে, বোর্ডে আলোচনা হবে। এই পুরো প্রসেসটা তারা এখন শুরু করতে যাচ্ছে।

তবে নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন তুলে ধরে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, আমার ইম্প্রেশন হলো—ওরা ফুললি কনভিন্সড। বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক পোটেনশিয়াল আগেও ছিল, এখনও আছে। তবে এবার তারা সবচেয়ে বেশি কনফিডেন্স ফিল করেছে আমাদের গভর্ন্যান্স নিয়ে। বিশেষ করে গভর্নরের সঙ্গে এবং প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংকের এমডিদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা দেখেছে ব্যাংকিং সেক্টরের পরিস্থিতি আগের মতো নেই, উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, পেপালের পক্ষ থেকে এখন আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী পেপাল, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘ: লুৎফে সিদ্দিকী

আপডেট সময় ০৮:২৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রতিষ্ঠান পেপাল (PayPal) অবশেষে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের বিষয়ে নীতিগতভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে এ আগ্রহ বাস্তবায়নে সময় লাগবে এবং এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, পেপাল নিয়ে অনেক বছর ধরেই আলোচনা চলছিল। কিন্তু নানা কারণে তারা আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে চাচ্ছিল না। গত বছরের ১ ডিসেম্বরের দিকে কয়েক মাস অনুরোধের পর তারা প্রথমবারের মতো একটি সিনিয়র লেভেলের টিম বাংলাদেশে পাঠায়।

তিনি জানান, পেপালের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট হেড (সিঙ্গাপুরভিত্তিক), সাউথ এশিয়ার প্রধান (দিল্লিভিত্তিক) এবং আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চার-পাঁচ দিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করেন। এ সময় তারা দেশের উদ্যোক্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও আইসিটি খাতের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও তাদের বৈঠক হয়।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত বলেন, এবার প্রথম বারেরমতো উচ্চ পর্যায়ে আমার সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। ইন প্রিন্সিপাল তারা বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে আগ্রহী। তবে আমি খুব সতর্কভাবে বলছি—এটা নিয়ে যেন ভুল হেডলাইন না হয়। পেপাল এখনই আসছে—এমন ধারণা তৈরি করতে তারা নিজেরাই চাচ্ছে না।

লুৎফে সিদ্দিকী আরও ব্যাখ্যা করেন, পেপালের মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের নতুন কোনো দেশে কার্যক্রম শুরু করতে হলে দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ওদের নিজেদের মধ্যে ডিবেট হবে, বোর্ডে আলোচনা হবে। এই পুরো প্রসেসটা তারা এখন শুরু করতে যাচ্ছে।

তবে নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন তুলে ধরে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, আমার ইম্প্রেশন হলো—ওরা ফুললি কনভিন্সড। বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক পোটেনশিয়াল আগেও ছিল, এখনও আছে। তবে এবার তারা সবচেয়ে বেশি কনফিডেন্স ফিল করেছে আমাদের গভর্ন্যান্স নিয়ে। বিশেষ করে গভর্নরের সঙ্গে এবং প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংকের এমডিদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা দেখেছে ব্যাংকিং সেক্টরের পরিস্থিতি আগের মতো নেই, উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, পেপালের পক্ষ থেকে এখন আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।