ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

৮০ লাখ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার প্রস্তুতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ ক্যাম্পেইন চলাকালে যে ৮০ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছিলেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তারিখ আগামীকাল বৃহস্পতিবার। প্রথম ডোজের ক্ষেত্রে কয়েক দিনে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করলেও দ্বিতীয় ডোজে একই দিনে ৮০ লাখ লোককে টিকা দিতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে সংস্থাটি সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনার টিকা ব্যবস্থা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক জানিয়েছেন, তারা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সব জেলায় টিকা পাঠানো হয়েছে। এক দিনে ৮০ লাখ লোক টিকা পাবে বলে আশা করছেন তারা।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ৮০ লাখ মানুষকে একসঙ্গে টিকা দেওয়ার কথা ছিল। তবে এক দিনে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হয়নি। ২৯ সেপ্টেম্বরসহ ৮০ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৬ জনকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রয়োজন হলে ৩টার পরেও এই ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি চলমান থাকবে। সারাদেশে সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলায় বিশেষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন হবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার ৮০ লাখ লোককে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া সম্পন্ন হলে প্রায় তিন কোটি মানুষ পূর্ণ দুই ডোজ টিকার আওতায় আসবেন। এর মাধ্যমে দেশের ১৭ শতাংশ মানুষ পূর্ণ দুই ডোজ টিকা পাবেন।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকাদান শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল সে সময়। তবে এখন ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-এস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী টিকা পেলে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়ে যেতো। তবে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তি অনুযায়ী টিকা সরবরাহ না করায় সংকটে পড়তে হয় বাংলাদেশকে। পরে অবশ্য বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ টিকা আনার ব্যবস্থা নেয়। সম্প্রতি সেরাম ইনস্টিটিউট থেকেও টিকা এসেছে। তবে সরকার আর নতুন করে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটিকে টিকার অর্ডার দেবে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ছয় কোটি ২৬ লাখ এক হাজার ১৫৩ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে চার কোটি ১২ লাখ ৬৮ হাজার ৮১০ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন দুই কোটি ১৩ লাখ ৩২ হাজার ২৮৯ জন। বুধবার দুই ডোজ মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার ১৪০ ডোজ টিকা।

এছাড়া এখন পর্যন্ত করোনার টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ আট হাজার ৯৫৮ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

৮০ লাখ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার প্রস্তুতি

আপডেট সময় ১১:০৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ ক্যাম্পেইন চলাকালে যে ৮০ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছিলেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তারিখ আগামীকাল বৃহস্পতিবার। প্রথম ডোজের ক্ষেত্রে কয়েক দিনে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করলেও দ্বিতীয় ডোজে একই দিনে ৮০ লাখ লোককে টিকা দিতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে সংস্থাটি সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনার টিকা ব্যবস্থা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক জানিয়েছেন, তারা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সব জেলায় টিকা পাঠানো হয়েছে। এক দিনে ৮০ লাখ লোক টিকা পাবে বলে আশা করছেন তারা।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ৮০ লাখ মানুষকে একসঙ্গে টিকা দেওয়ার কথা ছিল। তবে এক দিনে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হয়নি। ২৯ সেপ্টেম্বরসহ ৮০ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৬ জনকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রয়োজন হলে ৩টার পরেও এই ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি চলমান থাকবে। সারাদেশে সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলায় বিশেষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন হবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার ৮০ লাখ লোককে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া সম্পন্ন হলে প্রায় তিন কোটি মানুষ পূর্ণ দুই ডোজ টিকার আওতায় আসবেন। এর মাধ্যমে দেশের ১৭ শতাংশ মানুষ পূর্ণ দুই ডোজ টিকা পাবেন।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকাদান শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল সে সময়। তবে এখন ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-এস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী টিকা পেলে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়ে যেতো। তবে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তি অনুযায়ী টিকা সরবরাহ না করায় সংকটে পড়তে হয় বাংলাদেশকে। পরে অবশ্য বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ টিকা আনার ব্যবস্থা নেয়। সম্প্রতি সেরাম ইনস্টিটিউট থেকেও টিকা এসেছে। তবে সরকার আর নতুন করে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটিকে টিকার অর্ডার দেবে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ছয় কোটি ২৬ লাখ এক হাজার ১৫৩ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে চার কোটি ১২ লাখ ৬৮ হাজার ৮১০ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন দুই কোটি ১৩ লাখ ৩২ হাজার ২৮৯ জন। বুধবার দুই ডোজ মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার ১৪০ ডোজ টিকা।

এছাড়া এখন পর্যন্ত করোনার টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ আট হাজার ৯৫৮ জন।