ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স

৩০ পেরোলে নারীদের যেসব পরীক্ষা করা জরুরি

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরিবেশ দূষণ, খাবারে ভেজাল, অনিদ্রা, কাজের চাপ, মানসিক উদ্বেগসহ নানা কারণে বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক রোগ শরীরে বাসা বাধে। ৩০ পেরোলে তা আরও বাড়তে থাকে।

৩০ পেরোলে নারীদের শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। তাই স্বাস্থ্য সম্পর্কে এ সময় বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন। শরীরচর্চা, খাওয়া-দাওয়া, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকে যেমন নজর দেওয়া প্রয়োজন, তেমন নারীর কিছু শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে রাখা উচিত। সেগুলো নিচে দেওয়া হলো।

ম্যামোগ্রাম: অনেক সময়েই নারীর স্তনে একটি ছোট্ট লাম্প বা ফোলাভাব দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনেকেই পাত্তা দেন না। কিন্তু এই গাফিলতির কারণে এই ছোট্ট লাম্পটিই বড় আকার ধারণ করে এবং তা স্তনের ক্যানসারে পরিণত হতে পারে। অনেক সময়েই স্তনের ফোলাভাবটি ম্যালিগন্যান্ট হয়।

তাই যদি কখনও স্তনে ব্যথা হয় বা কোনো অবাঞ্ছিত অংশ বা মাংসপিন্ড দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের সাহায্য নিন এবং ম্যামোগ্রাম টেস্ট করিয়ে নিন।

জরায়ুতে ক্যানসার পরীক্ষা: নিময়িত প্যাপ স্মিয়ারের মাধ্যমে নারীর জরায়ু পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিত। ক্যানসারের সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তাতে আভাস পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি ৩০ বছরের পর এইচপিভি পরীক্ষা করে দেখা যায় ক্যানসারের ঝুঁকি কতটা আছে।

গর্ভধারণের পরীক্ষা: ৩০ বছর বয়সের পর নারীদের শরীরে ডিম্বাণু উৎপাদনের ক্ষমতা কমতে থাকে। মাতৃত্ব পরিকল্পনা করার আগে অবশ্যই কিছু শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে দেখে নিতে হবে শরীরে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না।

লিপিড প্রোফাইল: সুস্থ জীবন থাকতে স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া এবং শরীরচর্চা করা প্রয়োজন। তাই সব ঠিক আছে কি না দেখা জন্য লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।

থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট ও হিমোগ্রাম: অনেক মেয়ের মধ্যে অ্যানিমিয়া এবং থাইরয়েডের মতো রোগের কোনো রকম উপসর্গ দেখা যায় না। কিন্তু পরীক্ষা করালে এই রোগ ধরা পড়ে। তাই হিমোগ্লোবিন কতটা এবং থাইরয়েড প্রোফাইল কী রকম জানা থাকলে এই রোগ সহজেই ধরা পড়বে এবং চিকিৎসা শুরু করে দেওয়া যায়।

চোখের চেক আপ: চশমা পরলে তো অবশ্যই মাঝে মাঝে আপনার চোখের পাওয়ার পরীক্ষা করানো প্রয়োজন, কিন্তু যদি চশমা নাও পরেন, সেক্ষেত্রেও চোখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া দরকার। ৩০ পেরোলে ছানির সমস্যা না হলেও পরবর্তীতে যাতে চোখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। এখন আমাদের বেশিরভাগ সময় কাটে ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনে। তাই চোখে বেশি চাপ পড়ছে।

ব্লাড সুগার টেস্ট: অনেক নারীর রক্তে শর্করার পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকে। তাই ৩০ বছরের পর পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

৩০ পেরোলে নারীদের যেসব পরীক্ষা করা জরুরি

আপডেট সময় ১১:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরিবেশ দূষণ, খাবারে ভেজাল, অনিদ্রা, কাজের চাপ, মানসিক উদ্বেগসহ নানা কারণে বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক রোগ শরীরে বাসা বাধে। ৩০ পেরোলে তা আরও বাড়তে থাকে।

৩০ পেরোলে নারীদের শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। তাই স্বাস্থ্য সম্পর্কে এ সময় বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন। শরীরচর্চা, খাওয়া-দাওয়া, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকে যেমন নজর দেওয়া প্রয়োজন, তেমন নারীর কিছু শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে রাখা উচিত। সেগুলো নিচে দেওয়া হলো।

ম্যামোগ্রাম: অনেক সময়েই নারীর স্তনে একটি ছোট্ট লাম্প বা ফোলাভাব দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনেকেই পাত্তা দেন না। কিন্তু এই গাফিলতির কারণে এই ছোট্ট লাম্পটিই বড় আকার ধারণ করে এবং তা স্তনের ক্যানসারে পরিণত হতে পারে। অনেক সময়েই স্তনের ফোলাভাবটি ম্যালিগন্যান্ট হয়।

তাই যদি কখনও স্তনে ব্যথা হয় বা কোনো অবাঞ্ছিত অংশ বা মাংসপিন্ড দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের সাহায্য নিন এবং ম্যামোগ্রাম টেস্ট করিয়ে নিন।

জরায়ুতে ক্যানসার পরীক্ষা: নিময়িত প্যাপ স্মিয়ারের মাধ্যমে নারীর জরায়ু পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিত। ক্যানসারের সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তাতে আভাস পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি ৩০ বছরের পর এইচপিভি পরীক্ষা করে দেখা যায় ক্যানসারের ঝুঁকি কতটা আছে।

গর্ভধারণের পরীক্ষা: ৩০ বছর বয়সের পর নারীদের শরীরে ডিম্বাণু উৎপাদনের ক্ষমতা কমতে থাকে। মাতৃত্ব পরিকল্পনা করার আগে অবশ্যই কিছু শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে দেখে নিতে হবে শরীরে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না।

লিপিড প্রোফাইল: সুস্থ জীবন থাকতে স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া এবং শরীরচর্চা করা প্রয়োজন। তাই সব ঠিক আছে কি না দেখা জন্য লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।

থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট ও হিমোগ্রাম: অনেক মেয়ের মধ্যে অ্যানিমিয়া এবং থাইরয়েডের মতো রোগের কোনো রকম উপসর্গ দেখা যায় না। কিন্তু পরীক্ষা করালে এই রোগ ধরা পড়ে। তাই হিমোগ্লোবিন কতটা এবং থাইরয়েড প্রোফাইল কী রকম জানা থাকলে এই রোগ সহজেই ধরা পড়বে এবং চিকিৎসা শুরু করে দেওয়া যায়।

চোখের চেক আপ: চশমা পরলে তো অবশ্যই মাঝে মাঝে আপনার চোখের পাওয়ার পরীক্ষা করানো প্রয়োজন, কিন্তু যদি চশমা নাও পরেন, সেক্ষেত্রেও চোখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া দরকার। ৩০ পেরোলে ছানির সমস্যা না হলেও পরবর্তীতে যাতে চোখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। এখন আমাদের বেশিরভাগ সময় কাটে ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনে। তাই চোখে বেশি চাপ পড়ছে।

ব্লাড সুগার টেস্ট: অনেক নারীর রক্তে শর্করার পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকে। তাই ৩০ বছরের পর পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো।