আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্য খুন করা হয় অষ্টম শ্রেণীর স্কুলছাত্র মো.আশ্রাফুল আমিনকে (১৪)।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার গৌরিপুর এলাকার দৈয়াপাড়া গ্রামের একটি পুকুর পাড় থেকে মুখে স্কচটেপ পেঁচানো এবং গাছের সঙ্গে হাত পিছমোড়া বাঁধা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সিপিসি-২ কুমিল্লা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত জানায় র্যাব।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা জানান, পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে তিন ঘাতক অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। আসামি সাইদুল ইসলাম গৌরিপুর বাজার থেকে স্কচটেপ ও রশি ক্রয় করে। পরে তারা গৌরীপুর বাজারে অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করেন।
অটোরিকশাচালক আশ্রাফুল আমিন গৌরিপুর বাজারে এলে তাকে টার্গেট করা হয়। কিশোর চন্দ্র সাহা অটোরিকশা ভাড়া করেন, সাইদুল ও রিফাত আশ্রাফুলের অটোরিকশার পেছনে পেছনে আসেন। ঘটনাস্থলে আসার পরেই তিনজন মিলে অটোরিকশাচালক আশ্রাফুল আমিনকে গাছের সাথে বেঁধে মুখে স্কপটেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
র্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, হত্যার পর অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় খাদে পড়ে যায় ঘাতকরা। এ সময় তারা খাদ থেকে অটোরিকশাটি টেনে তুললেও ব্যাটারিতে চার্জ না থাকায় রিকশাটি ফেলে রেখে চলে যায়।
ঘটনার পর দিন নিহতের বাবা আল আমিন দাউদকান্দি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে র্যাব এ ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তারা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















