ঢাকা ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দাঁত আঁকাবাঁকা হলে কী করবেন

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সুন্দর হাসির পূর্ব শর্ত হল সুন্দর দাঁত। আমরা সবাই চাই ঝকঝকে মুক্তার মতো দাঁত। প্রায়ই দেখা যায় আঁকাবাঁকা, ফাঁকা ও উঁচু-নিচু দাঁতের কারণে অনেকে নিজেকে কিছুটা লুকিয়ে রাখেন। ইচ্ছা থাকাসত্ত্বেও প্রাণ খুলে হাসতে পারেন না। অসচেতনতার কারণে দাঁতের এমন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

যেমন নির্দিষ্ট বয়সের আগে দুধ দাঁত ফেলে দেয়া অথবা দীর্ঘদিন পর্যন্ত রেখে দেয়া, অতিরিক্ত কোনো দাঁত থেকে যাওয়া বা কোনো দাঁত কম থাকা, শিশুদের আঙুল চোষার অভ্যাস থাকা এবং নাকের পরিবর্তে মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়া। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য এ সমস্যায় ব্যক্তির নিজস্ব হাত থাকে না। যেমন দাঁতের আকার চোয়ালের তুলনায় বড় বা ছোট হওয়া, দাঁত ও তার চারপাশের মধ্যে ভারসাম্য না থাকা, মুখের মধ্যে কোনো টিউমার বা সিস্ট থাকা ইত্যাদি। কখনও কখনও বংশগত কারণেও দাঁত এলোমেলো হয়ে থাকে।

আঁকাবাঁকা দাঁতের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে যত্নবান হতে হয়, অন্যথায় মাড়ি প্রদাহ, ডেন্টাল কেরিজ, দাঁতে অতিরিক্ত প্লাক জমাসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে

আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে আঁকাবাঁকা দাঁতের যত্ন নেবেন

* নিয়মিত দাঁত মাজার পর একটি সাদা কাপড় দিয়ে আপনার আঁকাবাঁকা দাঁতগুলো ঘষে নিন। এতে দাঁতের বাড়তি ময়লা দূর হবে এবং বাঁকা দাঁত খুব একটা দৃষ্টিকটু দেখাবে না।

* শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার দাঁতের ফাঁকে জমে দাঁত দ্রুত ক্ষয় করে এবং এর মসৃণতা নষ্ট করে। তাই এসব খাবার গ্রহণের পর সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করুন। ভালোভাবে কুলি করে দাঁত পরিষ্কার করে নিন।

* ওপর-নিচে, ভেতর ও বাইরে সব দিকে পরিষ্কার করুন। বাঁকা দাঁতে ময়লা বেশি জমে। তাই একটু সময় নিয়ে ব্রাশ করুন।

* অনেক সময় একই স্থানে দুটি দাঁত গজায়, সেক্ষেত্রে ডেন্টিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী একটি দাঁত তুলে ফেলুন। অনেকের দুটি দাঁতের মাঝে ফাঁকা স্থান বা ভাঙা দাঁত থাকে। এক্ষেত্রেও যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের দ্বারস্থ হওয়া ভালো।

* শিশুদের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠার শুরু থেকেই সতর্ক হোন, বোতলে দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন এবং ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করা শেখান।

* দুধদাঁতে প্রক্সিমাল ক্যারিজ হলে দ্রুত চিকিৎসা করান

বর্তমানে বিভিন্ন ডেন্টাল ক্লিনিকগুলোতে দাঁত সোজা করার জন্য বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। ব্রেস পরানো, ডেন্টাল রিফর্মেশন ইত্যাদি নানা পদ্ধতি এখানে সুলভে পাওয়া যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দাঁত আঁকাবাঁকা হলে কী করবেন

আপডেট সময় ১১:০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সুন্দর হাসির পূর্ব শর্ত হল সুন্দর দাঁত। আমরা সবাই চাই ঝকঝকে মুক্তার মতো দাঁত। প্রায়ই দেখা যায় আঁকাবাঁকা, ফাঁকা ও উঁচু-নিচু দাঁতের কারণে অনেকে নিজেকে কিছুটা লুকিয়ে রাখেন। ইচ্ছা থাকাসত্ত্বেও প্রাণ খুলে হাসতে পারেন না। অসচেতনতার কারণে দাঁতের এমন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

যেমন নির্দিষ্ট বয়সের আগে দুধ দাঁত ফেলে দেয়া অথবা দীর্ঘদিন পর্যন্ত রেখে দেয়া, অতিরিক্ত কোনো দাঁত থেকে যাওয়া বা কোনো দাঁত কম থাকা, শিশুদের আঙুল চোষার অভ্যাস থাকা এবং নাকের পরিবর্তে মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়া। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য এ সমস্যায় ব্যক্তির নিজস্ব হাত থাকে না। যেমন দাঁতের আকার চোয়ালের তুলনায় বড় বা ছোট হওয়া, দাঁত ও তার চারপাশের মধ্যে ভারসাম্য না থাকা, মুখের মধ্যে কোনো টিউমার বা সিস্ট থাকা ইত্যাদি। কখনও কখনও বংশগত কারণেও দাঁত এলোমেলো হয়ে থাকে।

আঁকাবাঁকা দাঁতের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে যত্নবান হতে হয়, অন্যথায় মাড়ি প্রদাহ, ডেন্টাল কেরিজ, দাঁতে অতিরিক্ত প্লাক জমাসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে

আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে আঁকাবাঁকা দাঁতের যত্ন নেবেন

* নিয়মিত দাঁত মাজার পর একটি সাদা কাপড় দিয়ে আপনার আঁকাবাঁকা দাঁতগুলো ঘষে নিন। এতে দাঁতের বাড়তি ময়লা দূর হবে এবং বাঁকা দাঁত খুব একটা দৃষ্টিকটু দেখাবে না।

* শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার দাঁতের ফাঁকে জমে দাঁত দ্রুত ক্ষয় করে এবং এর মসৃণতা নষ্ট করে। তাই এসব খাবার গ্রহণের পর সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করুন। ভালোভাবে কুলি করে দাঁত পরিষ্কার করে নিন।

* ওপর-নিচে, ভেতর ও বাইরে সব দিকে পরিষ্কার করুন। বাঁকা দাঁতে ময়লা বেশি জমে। তাই একটু সময় নিয়ে ব্রাশ করুন।

* অনেক সময় একই স্থানে দুটি দাঁত গজায়, সেক্ষেত্রে ডেন্টিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী একটি দাঁত তুলে ফেলুন। অনেকের দুটি দাঁতের মাঝে ফাঁকা স্থান বা ভাঙা দাঁত থাকে। এক্ষেত্রেও যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের দ্বারস্থ হওয়া ভালো।

* শিশুদের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠার শুরু থেকেই সতর্ক হোন, বোতলে দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন এবং ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করা শেখান।

* দুধদাঁতে প্রক্সিমাল ক্যারিজ হলে দ্রুত চিকিৎসা করান

বর্তমানে বিভিন্ন ডেন্টাল ক্লিনিকগুলোতে দাঁত সোজা করার জন্য বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। ব্রেস পরানো, ডেন্টাল রিফর্মেশন ইত্যাদি নানা পদ্ধতি এখানে সুলভে পাওয়া যায়।