ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পূর্ণ ডোজ টিকা নিলে মৃত্যুঝুঁকি কমে ১১ গুণ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পূর্ণ ডোজ টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১১ গুণ কমে যায়। একই সঙ্গে ১০ গুণ কমে যায় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। খবর এএফপির।

গত শুক্রবার করোনা টিকার কার্যকারিতা নিয়ে তিনটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে সিডিসি। এসব গবেষণায় টিকার কার্যকারিতা নিয়ে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। সিডিসির পরিচালক রোশেল ভলেনস্কি এ নিয়ে সেদিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একের পর এক গবেষণা করে দেখা গেছে, করোনার টিকা কাজ করছে।’

সিডিসির তিনটি গবেষণার প্রথমটিতে চলতি বছরের ৪ এপ্রিল থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঞ্চলের করোনা রোগীদের ওপর জরিপ চালানো হয়। ওই সময়ে করোনা ডেলটা ধরন অতটাও ভয়াবহ আকার ধারণ করেনি। পরে ২০ জুন থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত আরেকটি জরিপ চালানো হয়। দুই জরিপ থেকে পাওয়া তথ্যের তুলনা করে দেখা যায়, আগের তুলনায় টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়েছে।

সিডিসির গবেষণা অনুযায়ী, টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের আক্রান্ত হওয়ার হার আগের তুলনায় বাড়লেও তাদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার কমেছে।

সিডিসি বলছে, গবেষণায় দেখা গেছে পূর্ণ ডোজ টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১১ গুণ কমে যায়। একই সঙ্গে ১০ গুণ কমে যায় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি। তবে টিকা নেওয়া কম বয়সীদের তুলনায় বয়স্কদের মধ্যে ভর্তি ও মৃত্যুর হার তুলনামূলক বেশি।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের করোনা টিকার কার্যকারিতা নিয়ে আরেকটি গবেষণা চালিয়েছে সিডিসি। চলতি বছরে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৪০০টির বেশি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চালানো ওই গবেষণায় দেখা যায়, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর মডার্নার টিকা নেওয়া ৯৫ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি। ফাইজারের টিকার ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৮০ শতাংশ। আর জনসনের টিকা নেওয়া ৬০ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পূর্ণ ডোজ টিকা নিলে মৃত্যুঝুঁকি কমে ১১ গুণ

আপডেট সময় ০৮:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পূর্ণ ডোজ টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১১ গুণ কমে যায়। একই সঙ্গে ১০ গুণ কমে যায় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। খবর এএফপির।

গত শুক্রবার করোনা টিকার কার্যকারিতা নিয়ে তিনটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে সিডিসি। এসব গবেষণায় টিকার কার্যকারিতা নিয়ে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। সিডিসির পরিচালক রোশেল ভলেনস্কি এ নিয়ে সেদিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একের পর এক গবেষণা করে দেখা গেছে, করোনার টিকা কাজ করছে।’

সিডিসির তিনটি গবেষণার প্রথমটিতে চলতি বছরের ৪ এপ্রিল থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঞ্চলের করোনা রোগীদের ওপর জরিপ চালানো হয়। ওই সময়ে করোনা ডেলটা ধরন অতটাও ভয়াবহ আকার ধারণ করেনি। পরে ২০ জুন থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত আরেকটি জরিপ চালানো হয়। দুই জরিপ থেকে পাওয়া তথ্যের তুলনা করে দেখা যায়, আগের তুলনায় টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়েছে।

সিডিসির গবেষণা অনুযায়ী, টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের আক্রান্ত হওয়ার হার আগের তুলনায় বাড়লেও তাদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার কমেছে।

সিডিসি বলছে, গবেষণায় দেখা গেছে পূর্ণ ডোজ টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১১ গুণ কমে যায়। একই সঙ্গে ১০ গুণ কমে যায় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি। তবে টিকা নেওয়া কম বয়সীদের তুলনায় বয়স্কদের মধ্যে ভর্তি ও মৃত্যুর হার তুলনামূলক বেশি।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের করোনা টিকার কার্যকারিতা নিয়ে আরেকটি গবেষণা চালিয়েছে সিডিসি। চলতি বছরে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৪০০টির বেশি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চালানো ওই গবেষণায় দেখা যায়, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর মডার্নার টিকা নেওয়া ৯৫ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি। ফাইজারের টিকার ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৮০ শতাংশ। আর জনসনের টিকা নেওয়া ৬০ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি।