আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ইসলাইলের সেনাবাহিনী বলেছে, তাদের বিমান গাজায় হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। গাজা থেকে জ্বলন্ত বেলুন নিক্ষেপের পর প্রতিবাদে রবিবার এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। গত মে মাসে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে ব্যাপক সংঘাতের পর একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। কিন্তু তারপরও সেখানে সংঘাত থামেনি।
রবিবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, রাতে ইসরাইল-গাজা সীমান্তে শত শত ফিলিস্তিনি জড় হয়েছিল। তারা ইসরাইলের দিকে বিস্ফোরক দ্রব্য নিক্ষেপ করে ও টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয়। যার কারণে সেনাবাহিনী ‘দাঙ্গা ছত্রভঙ্গকারী উপায়’ অবলম্বন করে জবাব দিয়েছে।
ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী শনিবার ঘোষণা দিয়েছিল যে, তারা সীমান্তের নিকট বিক্ষোভ পুনরায় শুরু করেছে। তাদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য হচ্ছে শাস্তির বিধিনিষেধ শিথিল করতে ইসরাইলকে চাপ দেয়া।
এদিন বিক্ষোভ শুরু হলে ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাদের লক্ষ্য করে লাইভ রাউন্ড, টিয়ার গ্যাস ছুড়ে এবং গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে যে, সংঘর্ষে ১১ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন আহত হয় লাইভ রাউন্ডে।
এক বিবৃতিতে ইসরাইলের সেনাবাহিনী বলেছে, ‘বিমান হামলা করা হয়েছে ইসরাইলি ভূখণ্ডে হামাসের জ্বলন্ত বেলুন নিক্ষেপ ও সহিংস দাঙ্গার প্রতিবাদে।’
নির্বাচনে জিতে ২০০৭ সালে গাজা শাসন শুরু করে হামাস। তখন থেকে ইসরাইল ও মিসর গাজা ভূখণ্ডের উপর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। তখন শেষে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে চারটি বড় মাপের সংঘাত হয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল গত মে মাসের সংঘর্ষ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























