ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করব : মির্জা আব্বাস ইমান এনে কোনো লাভ নেই, এরা মুনাফিকি করে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভোট চাচ্ছে: মির্জা ফখরুল বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি

সচিব সেজে তারা হাতিয়ে নিতো লাখ লাখ টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সচিব সেজে প্রতারণা করতো তারা। এই প্রতারক চক্রটির সদস্যদের একজন আইটি সচিব, একজন সংসদ সচিবালয়ের আইটি সচিবের পিএ ও আরেকজন সাজতো জমির দালাল। এরপর জমি কেনা-বেচার ফাঁদ পেতে হাতিয়ে নিতো লাখ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ফটকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম।

তিনি বলেন, সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণির সঙ্গে একটি চক্র প্রতারণা করে আসছে। সাধারণত এই চক্রটিকে বলা হয় রয়েল চিট এজেন্সি বা (আরসিটি)।

বুধবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগের একটি দল সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এরা হলেন, মো. ইদ্রিস খান, মো. শাহাবুদ্দিন হাওলাদার, মো. শহিদুল ইসলাম ও জাহিদ শিকদার।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। কদমতলী থানার একটি মামলার (নম্বর-৩১, তারিখ-১৪.০৭.২১ ইং ধারা ১৭০, ৪০৬,৪২০ ৪৬৮) তদন্ত করতে গিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মো. আশরাফ হোসেনের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. তরিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং গাড়ি চুরি প্রতিরোধ দলের লিডার মো. শামসুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব আলম বলেন, এই চক্রের প্রধান ইদ্রিসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা রয়েছে। তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

প্রতারকরা প্রথমে জমি বেচাকেনার জন্য টার্গেট ব্যক্তির কাছে গিয়ে বলতো সচিব স্যার জমি কিনতে চান। উনার কাছে টাকা কোনো বিষয় না। সচিব স্যার তো অতকিছু জানেন না, এক কোটি টাকার জমি। আপনি ২০ লাখ টাকার বায়না করেন। এই পুরো টাকাটা আপনি লাভ করতে পারবেন।

তাদের ফাঁদে পা দিলেই তারা হাতিয়ে নিতো লাখ লাখ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব আলম বলেন, এভাবে তারা একটা প্রতারণার কৌশল তৈরি করে। এমনভাবে কৌশল তৈরি করে যাতে লোভে পড়ে মানুষ তাদের টাকা দিয়ে দেয়।

এই রকম শতাধিক ঘটনা তারা করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তাদের প্রতারণার কৌশলটা জমি কেনাবেচা, রবি টাওয়ার নির্মাণ।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, মাদারীপুরের কালকিনি থানা একটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম আমাদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া শাহাবুদ্দিনের আপন বড় ভাই। তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। আমারা তাকে গোয়েন্দা পুলিশে একাধিকবার গ্রেপ্তার করেছি। তিনি এই প্রতারক চক্রটিকে চালায়। তাদের বিরুদ্ধে ঢাকার একাধিক থানায় মামলা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিব সেজে তারা হাতিয়ে নিতো লাখ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০৪:৫৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সচিব সেজে প্রতারণা করতো তারা। এই প্রতারক চক্রটির সদস্যদের একজন আইটি সচিব, একজন সংসদ সচিবালয়ের আইটি সচিবের পিএ ও আরেকজন সাজতো জমির দালাল। এরপর জমি কেনা-বেচার ফাঁদ পেতে হাতিয়ে নিতো লাখ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ফটকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম।

তিনি বলেন, সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণির সঙ্গে একটি চক্র প্রতারণা করে আসছে। সাধারণত এই চক্রটিকে বলা হয় রয়েল চিট এজেন্সি বা (আরসিটি)।

বুধবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগের একটি দল সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এরা হলেন, মো. ইদ্রিস খান, মো. শাহাবুদ্দিন হাওলাদার, মো. শহিদুল ইসলাম ও জাহিদ শিকদার।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। কদমতলী থানার একটি মামলার (নম্বর-৩১, তারিখ-১৪.০৭.২১ ইং ধারা ১৭০, ৪০৬,৪২০ ৪৬৮) তদন্ত করতে গিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মো. আশরাফ হোসেনের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. তরিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং গাড়ি চুরি প্রতিরোধ দলের লিডার মো. শামসুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব আলম বলেন, এই চক্রের প্রধান ইদ্রিসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা রয়েছে। তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

প্রতারকরা প্রথমে জমি বেচাকেনার জন্য টার্গেট ব্যক্তির কাছে গিয়ে বলতো সচিব স্যার জমি কিনতে চান। উনার কাছে টাকা কোনো বিষয় না। সচিব স্যার তো অতকিছু জানেন না, এক কোটি টাকার জমি। আপনি ২০ লাখ টাকার বায়না করেন। এই পুরো টাকাটা আপনি লাভ করতে পারবেন।

তাদের ফাঁদে পা দিলেই তারা হাতিয়ে নিতো লাখ লাখ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব আলম বলেন, এভাবে তারা একটা প্রতারণার কৌশল তৈরি করে। এমনভাবে কৌশল তৈরি করে যাতে লোভে পড়ে মানুষ তাদের টাকা দিয়ে দেয়।

এই রকম শতাধিক ঘটনা তারা করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তাদের প্রতারণার কৌশলটা জমি কেনাবেচা, রবি টাওয়ার নির্মাণ।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, মাদারীপুরের কালকিনি থানা একটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম আমাদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া শাহাবুদ্দিনের আপন বড় ভাই। তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। আমারা তাকে গোয়েন্দা পুলিশে একাধিকবার গ্রেপ্তার করেছি। তিনি এই প্রতারক চক্রটিকে চালায়। তাদের বিরুদ্ধে ঢাকার একাধিক থানায় মামলা রয়েছে।