ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দেশ বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করেছিল: আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী

অবশেষে ক্যারিবীয়দের হারাল অস্ট্রেলিয়া

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় পেল অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে হোয়াইটওয়াশ হাত থেকে বাঁচল অস্ট্রেলিয়া।

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ ইতোমধ্যে নিজেদের করে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ৪ রানে জিতে ব্যবধানটা ৩-১ করল অজিরা।

এ ম্যাচের টস ভাগ্য ছিলো অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) ভোরে সেন্ট লুসিয়ায় ড্যারেন স্যামি জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ৬ উইকেটে ১৮৫ রান করে উইন্ডিজ।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা বাজে হয় অস্ট্রেলিয়ার। দলীয় ১২ রানেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান ওপেনার ম্যাথু ওয়েড। তবে অজি অধিনায়কের ব্যাটিং নৈপুণ্যে শুরুর চাপটা সামলে উঠে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ১২৬ রানে সাজঘরে ফিরে যায় অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।

আউট হওয়ার আগেই ব্যাটসম্যান করেন ৩৭ বলে ৫৩ রান। তবে মিচেল মার্শ ছাড়া আর কেউই উইকেটে থিতু হতে পারেনি। মিচেল মার্শের ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ৭৫ রান। শেষের দিকে ড্যান ক্রিশ্চিয়ান ও মিচেল স্টার্কের ব্যাটিংয়ে ভর করে ১৮৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় অস্ট্রেলিয়া

১৯০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ৫ ওভারেই লেন্ডল সিমন্স ও এভিন লুইস ওপেনিং জুটিতে আসে ৬২ রান। তাদের এই জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জাম্পা। ১৪ বলে ৩১ রানে বিদায় নেন লুইস। এরপর মার্শ দ্রুত ফেরান ক্রিস গেইলকে (১)। পরে দ্বিতীয় শিকার হিসেবে তুলে নেন সিমন্সকে। ক্যারিবীয় ওপেনারের ৪৮ বলে ৭২ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চার ও ২ ছয়ে। এরপর উইকেটরক্ষক-অধিনায়ক নিকোলাস পুরানও (১৪) মার্শের তৃতীয় হিসেবে সাজঘরে ফেরেন।

এর আগে জাম্পা নিজের দ্বিতীয় শিকার হিসেবে ফেরান আন্দ্রে ফ্লেচারকে (৬)। হঠাৎ হাত থেকে জয় ছুটে যাচ্ছিল ক্যারিবীয়দের। তবে সেই আশা ফের জাগিয়ে তোলেন ফাবিয়ান অ্যালেন ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু শেষ হাসিটা হাসল অজিরা। রিলে ম্যারেডিথের করা ১৯তম ওভারের শেষ বলে সাজঘরে ফেরেন দুর্দান্ত খেলতে থাকা অ্যালেন। ১৪ বলে ২ চার ও ৩ ছয়ে ২৯ রান করে অজিদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

অ্যালেন ওয়েডকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে স্ট্রাইক পায় রাসেল। জয়ের জন্য ৬ বলে ১১ রান করতে ব্যর্থ হন তিনি। রাসেল ১৩ বলে অপরাজিত ছিলেন ২২ রানে। স্টার্ক ৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। তবে শেষ ওভারে রাসেলকে প্রথম পাঁচ বলই ডট দেন স্টার্ক। শেষ বলে রাসেল ছক্কা হাঁকালেও কোনো লাভ হয়নি ক্যারিবীয়দের।

ম্যাচ সেরা হয়েছেন মার্শ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে ক্যারিবীয়দের হারাল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় পেল অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে হোয়াইটওয়াশ হাত থেকে বাঁচল অস্ট্রেলিয়া।

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ ইতোমধ্যে নিজেদের করে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ৪ রানে জিতে ব্যবধানটা ৩-১ করল অজিরা।

এ ম্যাচের টস ভাগ্য ছিলো অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) ভোরে সেন্ট লুসিয়ায় ড্যারেন স্যামি জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ৬ উইকেটে ১৮৫ রান করে উইন্ডিজ।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা বাজে হয় অস্ট্রেলিয়ার। দলীয় ১২ রানেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান ওপেনার ম্যাথু ওয়েড। তবে অজি অধিনায়কের ব্যাটিং নৈপুণ্যে শুরুর চাপটা সামলে উঠে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ১২৬ রানে সাজঘরে ফিরে যায় অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।

আউট হওয়ার আগেই ব্যাটসম্যান করেন ৩৭ বলে ৫৩ রান। তবে মিচেল মার্শ ছাড়া আর কেউই উইকেটে থিতু হতে পারেনি। মিচেল মার্শের ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ৭৫ রান। শেষের দিকে ড্যান ক্রিশ্চিয়ান ও মিচেল স্টার্কের ব্যাটিংয়ে ভর করে ১৮৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় অস্ট্রেলিয়া

১৯০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ৫ ওভারেই লেন্ডল সিমন্স ও এভিন লুইস ওপেনিং জুটিতে আসে ৬২ রান। তাদের এই জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জাম্পা। ১৪ বলে ৩১ রানে বিদায় নেন লুইস। এরপর মার্শ দ্রুত ফেরান ক্রিস গেইলকে (১)। পরে দ্বিতীয় শিকার হিসেবে তুলে নেন সিমন্সকে। ক্যারিবীয় ওপেনারের ৪৮ বলে ৭২ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চার ও ২ ছয়ে। এরপর উইকেটরক্ষক-অধিনায়ক নিকোলাস পুরানও (১৪) মার্শের তৃতীয় হিসেবে সাজঘরে ফেরেন।

এর আগে জাম্পা নিজের দ্বিতীয় শিকার হিসেবে ফেরান আন্দ্রে ফ্লেচারকে (৬)। হঠাৎ হাত থেকে জয় ছুটে যাচ্ছিল ক্যারিবীয়দের। তবে সেই আশা ফের জাগিয়ে তোলেন ফাবিয়ান অ্যালেন ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু শেষ হাসিটা হাসল অজিরা। রিলে ম্যারেডিথের করা ১৯তম ওভারের শেষ বলে সাজঘরে ফেরেন দুর্দান্ত খেলতে থাকা অ্যালেন। ১৪ বলে ২ চার ও ৩ ছয়ে ২৯ রান করে অজিদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

অ্যালেন ওয়েডকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে স্ট্রাইক পায় রাসেল। জয়ের জন্য ৬ বলে ১১ রান করতে ব্যর্থ হন তিনি। রাসেল ১৩ বলে অপরাজিত ছিলেন ২২ রানে। স্টার্ক ৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। তবে শেষ ওভারে রাসেলকে প্রথম পাঁচ বলই ডট দেন স্টার্ক। শেষ বলে রাসেল ছক্কা হাঁকালেও কোনো লাভ হয়নি ক্যারিবীয়দের।

ম্যাচ সেরা হয়েছেন মার্শ।