ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশের অবস্থা ভারতের মতো হতে পারে: ডা. লেলিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসে ভারতের চিত্র বাংলাদেশে পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) এক স্বাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, করোনা ভাইরাসের বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ‘লকডাউন’ শিথিলে খুব সহজেই বলা যায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে মৃত্যুর সংখ্যাও আরও বাড়বে। হাসপাতালগুলো ইতোমধ্যে প্রায় পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। অচিরেই হয়তো হাসপাতালে আর কোনো শয্যা খালি থাকবে না। অক্সিজেনের অভাবে মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাবে। ইতোমধ্যেই যশোরে আমরা গাছের নিচে মানুষকে অক্সিজেন নিতে দেখেছি। সেই অবস্থা সারাদেশে হতে পারে। অর্থাৎ কিছুদিন আগে করোনায় ভারতের যে চিত্র আমরা দেখেছিলাম, সেই চিত্রের পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে ঘটতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি করোনা একটি ভাইরাস বাহিত রোগ। এই ভাইরাস বাহিত রোগকে নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ করতে হবে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে যে চিকিৎসা এবং নিয়মকানুন রয়েছে সেগুলো দিয়ে। সেই দৃষ্টিকোন থেকে যখন সংক্রমণ ঊর্ধ্বগামী পৃথিবীব্যাপী প্রমাণিত এবং একটি স্বীকৃত পন্থা হচ্ছে ‘লকডাউনের’ মধ্য দিয়ে জনগণের চলাচলকে সীমিত করে, টেস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে ভাইরাস বাহিত মানুষগুলোকে শনাক্ত করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যেটাকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘লকডাউন’ বলা হয়। বাংলাদেশের সেই অর্থে ‘লকডাউন’ কখনোই আরোপ করা হয়নি। বাংলাদেশ কিছু খোলা কিছু বন্ধ টাইপের লকডাউন আরোপ করা হয়েছে। সংক্রমণের বর্তমান ঊর্ধ্বগতিতে প্রয়োজন ছিল আন্তর্জাতিকভাবে যে ‘লকডাউন’ সেটি আরোপ করা। সেটি না করে শিথিল করে দেওয়া মূলত একটি অবনতিশীল ভয়াবহ অবস্থার তৈরি করবে। করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যু বাড়বে। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে বিজ্ঞানভিত্তিক কোনো যুক্তি রয়েছে বলে মনে হয় না, সম্ভবত এটি একটি সাধারণ আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশের অবস্থা ভারতের মতো হতে পারে: ডা. লেলিন

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসে ভারতের চিত্র বাংলাদেশে পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) এক স্বাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, করোনা ভাইরাসের বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ‘লকডাউন’ শিথিলে খুব সহজেই বলা যায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে মৃত্যুর সংখ্যাও আরও বাড়বে। হাসপাতালগুলো ইতোমধ্যে প্রায় পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। অচিরেই হয়তো হাসপাতালে আর কোনো শয্যা খালি থাকবে না। অক্সিজেনের অভাবে মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাবে। ইতোমধ্যেই যশোরে আমরা গাছের নিচে মানুষকে অক্সিজেন নিতে দেখেছি। সেই অবস্থা সারাদেশে হতে পারে। অর্থাৎ কিছুদিন আগে করোনায় ভারতের যে চিত্র আমরা দেখেছিলাম, সেই চিত্রের পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে ঘটতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি করোনা একটি ভাইরাস বাহিত রোগ। এই ভাইরাস বাহিত রোগকে নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ করতে হবে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে যে চিকিৎসা এবং নিয়মকানুন রয়েছে সেগুলো দিয়ে। সেই দৃষ্টিকোন থেকে যখন সংক্রমণ ঊর্ধ্বগামী পৃথিবীব্যাপী প্রমাণিত এবং একটি স্বীকৃত পন্থা হচ্ছে ‘লকডাউনের’ মধ্য দিয়ে জনগণের চলাচলকে সীমিত করে, টেস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে ভাইরাস বাহিত মানুষগুলোকে শনাক্ত করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যেটাকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘লকডাউন’ বলা হয়। বাংলাদেশের সেই অর্থে ‘লকডাউন’ কখনোই আরোপ করা হয়নি। বাংলাদেশ কিছু খোলা কিছু বন্ধ টাইপের লকডাউন আরোপ করা হয়েছে। সংক্রমণের বর্তমান ঊর্ধ্বগতিতে প্রয়োজন ছিল আন্তর্জাতিকভাবে যে ‘লকডাউন’ সেটি আরোপ করা। সেটি না করে শিথিল করে দেওয়া মূলত একটি অবনতিশীল ভয়াবহ অবস্থার তৈরি করবে। করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যু বাড়বে। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে বিজ্ঞানভিত্তিক কোনো যুক্তি রয়েছে বলে মনে হয় না, সম্ভবত এটি একটি সাধারণ আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন।