ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৪ রানের জন্য বিশ্বরেকর্ড হলো না মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন জুটির

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

অবশেষে ব্যাট চালানো থামল পেসার তাসকিন আহমেদের। ১২৪তম ওভারে সুম্বার বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন তিনি। তার আগে খেললেন ১৩৪ বলে ১১ বাউন্ডারির সাহায্যে ৭৫ রানের অনবদ্য ইনিংস; যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ।

এর সঙ্গে দুর্দান্ত এক রেকর্ডের জন্ম দিলেন। মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন জুটি রেকর্ড ভাঙলেন বাংলাদেশের নবম উইকেটে জুটির। আগের সর্বোচ্চ ১৮৪ রানের রেকর্ড ভেঙে এ জুটি করলেন ১৯১ রান। ৯ বছর আগে নবম উইকেটে আবুল হাসান রাজুর সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৮৪ রান যোগ করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গড়া সেই জুটিটি ছিল বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নবম উইকেটে সর্বোচ্চ। ৯ বছর পর সেই রেকর্ড ভাঙলেন মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন।

এরপরও আক্ষেপ রয়েই যাচ্ছে দুজনের। পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। কারণ আর মাত্র ৪ রানের জন্য নবম উইকেট জুটির বিশ্বরেকর্ডটি স্পর্শ করতে পারলেন না তারা।

ক্রিকেটের পরিসংখ্যান বলছে, নবম উইকেটে ইতিহাসের সর্বোচ্চ জুটিটি দক্ষিণ আফ্রিকার। সেটি হলো ১৯৫ রানের। ১৯৯৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জোহানসবার্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে এ জুটি গড়েন মার্ক বাউচার ও পিএল সিমকক্স। নবম উইকেটে ১৯৫ রানের জুটিতে বাউচারের অবদান ছিল ৭৮ আর সিমকক্সের ১০৮ রান।

এরপর নবম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটিটি ছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের, ১৯০ রানের। জুটিটি হয়েছিল আসিফ ইকবাল ও ইন্তেখাব আলমের মধ্যে। ইন্তেখাব করেন ৫১ রান। আর আসিফ ইকবাল ১৪৫ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন।

১৯৬৭ সালে হওয়া সেই রেকর্ডটি বহু বছর ধরে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডে শীর্ষে অবস্থান করেছিল। এরপর ১৯৯৮ সালে সে রেকর্ডকে পেছনে ফেলে বাউচার-সিমকক্স জুটি।

এবার ২৩ বছর পর আসিফ-ইন্তেখাব জুটিকে আরো একধাপ পেছনে ফেলে টেস্ট ইতিহাসে নবম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডে নাম লেখালেন মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ রানের জন্য বিশ্বরেকর্ড হলো না মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন জুটির

আপডেট সময় ০৭:৪০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

অবশেষে ব্যাট চালানো থামল পেসার তাসকিন আহমেদের। ১২৪তম ওভারে সুম্বার বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন তিনি। তার আগে খেললেন ১৩৪ বলে ১১ বাউন্ডারির সাহায্যে ৭৫ রানের অনবদ্য ইনিংস; যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ।

এর সঙ্গে দুর্দান্ত এক রেকর্ডের জন্ম দিলেন। মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন জুটি রেকর্ড ভাঙলেন বাংলাদেশের নবম উইকেটে জুটির। আগের সর্বোচ্চ ১৮৪ রানের রেকর্ড ভেঙে এ জুটি করলেন ১৯১ রান। ৯ বছর আগে নবম উইকেটে আবুল হাসান রাজুর সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৮৪ রান যোগ করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গড়া সেই জুটিটি ছিল বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নবম উইকেটে সর্বোচ্চ। ৯ বছর পর সেই রেকর্ড ভাঙলেন মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন।

এরপরও আক্ষেপ রয়েই যাচ্ছে দুজনের। পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। কারণ আর মাত্র ৪ রানের জন্য নবম উইকেট জুটির বিশ্বরেকর্ডটি স্পর্শ করতে পারলেন না তারা।

ক্রিকেটের পরিসংখ্যান বলছে, নবম উইকেটে ইতিহাসের সর্বোচ্চ জুটিটি দক্ষিণ আফ্রিকার। সেটি হলো ১৯৫ রানের। ১৯৯৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জোহানসবার্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে এ জুটি গড়েন মার্ক বাউচার ও পিএল সিমকক্স। নবম উইকেটে ১৯৫ রানের জুটিতে বাউচারের অবদান ছিল ৭৮ আর সিমকক্সের ১০৮ রান।

এরপর নবম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটিটি ছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের, ১৯০ রানের। জুটিটি হয়েছিল আসিফ ইকবাল ও ইন্তেখাব আলমের মধ্যে। ইন্তেখাব করেন ৫১ রান। আর আসিফ ইকবাল ১৪৫ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন।

১৯৬৭ সালে হওয়া সেই রেকর্ডটি বহু বছর ধরে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডে শীর্ষে অবস্থান করেছিল। এরপর ১৯৯৮ সালে সে রেকর্ডকে পেছনে ফেলে বাউচার-সিমকক্স জুটি।

এবার ২৩ বছর পর আসিফ-ইন্তেখাব জুটিকে আরো একধাপ পেছনে ফেলে টেস্ট ইতিহাসে নবম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডে নাম লেখালেন মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন।