ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অংশ নিতে না পারাদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ কাঠামোর ওপর প্রতিমন্ত্রীর জোর ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে শিক্ষার্থীবান্ধব ৫টি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : মাহদী আমিন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ফ্রান্সে উত্তেজনা, গ্রেফতার কমপক্ষে ১৬০ বসুন্ধরায় শিক্ষিত-সচ্ছল মানুষের বসবাস: মির্জা ফখরুল শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ প্রধান যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত

নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে: গণফ্রন্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে গণফ্রন্ট দাবি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারকে সংবিধান সংশোধন করে হলেও (তত্ত্বাবধায়ক নয়, অরাজনৈতিক সরকার নয়) একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও দাবি করেছে দলটি।

তারা জানান, স্বাধীনতার পরে যেসব নিবন্ধিত দলের সংসদে প্রতিনিধিত্ব ছিল (বিতর্কিত নির্বাচন যেমন ৮৮, ৯৬ এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ছাড়া), তাদের সমন্বয়ে একটি সরকার গঠন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে সমঝোতার মাধ্যমে সে সরকারের প্রধান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে নির্বাচনকালীন সরকারের কেউ জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

তারা আরো জানান, নির্বাচনে ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসির কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়াও রাতারাতি গড়ে ওঠা অনিবন্ধিত দলগুলো যাতে নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোট করতে না পারে এজন্য নীতিমালার দাবি করা হয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এ সংলাপ। এছাড়া গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। গত ২৪ আগস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি।

দলটির অন্যান্য দাবির মধ্যে ছিল, নির্বাচনের কমপক্ষে ছয় মাস আগে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, জাতীয় সংসদের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা, সংসদের আসন সংখ্যা ন্যূনতম ৩৫০/৪৫০টি করা, প্রবাসীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা ও তাদের সহজে ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা, একই পোস্টারে সব প্রার্থীর পরিচয় ও প্রতীক ব্যবহার, নির্বাচনী জনসভায় একই মঞ্চে সব প্রার্থীর বক্তব্যের ব্যবস্থা করা এবং সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অংশ নিতে না পারাদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে: গণফ্রন্ট

আপডেট সময় ০৫:২৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে গণফ্রন্ট দাবি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারকে সংবিধান সংশোধন করে হলেও (তত্ত্বাবধায়ক নয়, অরাজনৈতিক সরকার নয়) একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও দাবি করেছে দলটি।

তারা জানান, স্বাধীনতার পরে যেসব নিবন্ধিত দলের সংসদে প্রতিনিধিত্ব ছিল (বিতর্কিত নির্বাচন যেমন ৮৮, ৯৬ এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ছাড়া), তাদের সমন্বয়ে একটি সরকার গঠন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে সমঝোতার মাধ্যমে সে সরকারের প্রধান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে নির্বাচনকালীন সরকারের কেউ জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

তারা আরো জানান, নির্বাচনে ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসির কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়াও রাতারাতি গড়ে ওঠা অনিবন্ধিত দলগুলো যাতে নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোট করতে না পারে এজন্য নীতিমালার দাবি করা হয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এ সংলাপ। এছাড়া গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। গত ২৪ আগস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি।

দলটির অন্যান্য দাবির মধ্যে ছিল, নির্বাচনের কমপক্ষে ছয় মাস আগে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, জাতীয় সংসদের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা, সংসদের আসন সংখ্যা ন্যূনতম ৩৫০/৪৫০টি করা, প্রবাসীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা ও তাদের সহজে ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা, একই পোস্টারে সব প্রার্থীর পরিচয় ও প্রতীক ব্যবহার, নির্বাচনী জনসভায় একই মঞ্চে সব প্রার্থীর বক্তব্যের ব্যবস্থা করা এবং সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।