ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ২৩ দেশে এমএলএআর পাঠিয়েছে সরকার:সংসদে অর্থমন্ত্রী তীব্র বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ভুয়া প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত হয়েছে ইরান: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভার্চুয়ালি আদালত পরিচালনায় বিচারকাজে সমস্যা হবে না : অ্যাটর্নি জেনারেল শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক রাত পর শিশু সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন সেই মহিলা লীগ নেত্রী চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল কিনবে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশকে জরিমানা করল আইসিসি

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি, বশেমুরবিপ্রবির ছাত্র গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গোপালগঞ্জে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে ফয়সাল আহম্মেদ মীনা (২৫) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ফয়সাল আহম্মেদ মীনা গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজারের আলমগীর মীনার ছেলে।

ফেসবুকে ফয়সাল আহম্মেদ নিজেকে জেএমবি, আনসার আল ইসলাম, হিজবুত তাওহীদ ও হরকাতুল জিহাদের একজন সদস্য হিসেবে দাবি করেছেন। তার পরিবার বিএনপি-জামায়াত করে বলেও ফেসবুকে তিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

এ ঘটনায় বুধবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মো. মাসুদ রানা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ থানায় ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদী মাসুদ রানা বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিটু গোপালগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে ভোট চেয়ে আমি আমার ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেই। সেখানে ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে স্ট্যাটাস দেয়। পরে আমি তার ফেসবুক আইডি ঘেঁটে দেখি গত ১৬ জুন তিনি তার একটি স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার ইচ্ছা পোষণ করেছে। পরে গোপালগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করি। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গোপাগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনার সমস্ত আলামত জব্দ করেছি। বুধবার দুপুরে তাকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীর পিতা আলমগীর মীনা বলেন, আমার ছেলে গত ২০১৪ সাল থেকে মানসিক রোগে ভুগছে। তাকে আমি ঢাকায় মানসিক রোগের চিকিৎসা করিয়েছি। সে ফেসবুকে এ ধরনের স্ট্যাটাস দিয়ে আমাদের বিপদে ফেলেছে। এখন ছেলেকে নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় পড়েছি। নানা আশঙ্কার মধ্যে আমাদের দিন কাটছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ২৩ দেশে এমএলএআর পাঠিয়েছে সরকার:সংসদে অর্থমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি, বশেমুরবিপ্রবির ছাত্র গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৯:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গোপালগঞ্জে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে ফয়সাল আহম্মেদ মীনা (২৫) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ফয়সাল আহম্মেদ মীনা গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজারের আলমগীর মীনার ছেলে।

ফেসবুকে ফয়সাল আহম্মেদ নিজেকে জেএমবি, আনসার আল ইসলাম, হিজবুত তাওহীদ ও হরকাতুল জিহাদের একজন সদস্য হিসেবে দাবি করেছেন। তার পরিবার বিএনপি-জামায়াত করে বলেও ফেসবুকে তিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

এ ঘটনায় বুধবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মো. মাসুদ রানা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ থানায় ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদী মাসুদ রানা বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিটু গোপালগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে ভোট চেয়ে আমি আমার ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেই। সেখানে ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে স্ট্যাটাস দেয়। পরে আমি তার ফেসবুক আইডি ঘেঁটে দেখি গত ১৬ জুন তিনি তার একটি স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার ইচ্ছা পোষণ করেছে। পরে গোপালগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করি। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গোপাগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনার সমস্ত আলামত জব্দ করেছি। বুধবার দুপুরে তাকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীর পিতা আলমগীর মীনা বলেন, আমার ছেলে গত ২০১৪ সাল থেকে মানসিক রোগে ভুগছে। তাকে আমি ঢাকায় মানসিক রোগের চিকিৎসা করিয়েছি। সে ফেসবুকে এ ধরনের স্ট্যাটাস দিয়ে আমাদের বিপদে ফেলেছে। এখন ছেলেকে নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় পড়েছি। নানা আশঙ্কার মধ্যে আমাদের দিন কাটছে।