ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য রহমতুল্লাহ মারা গেছেন স্বামীর মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে স্ত্রীসহ নিহত ২ রামিসা হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার সোহেলের, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের আ.লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ: রাশেদ ‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’

ঘুরতে আসা নারীকে দুই ভাই মিলে রাতভর গণধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে এক নারীকে দুই স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে দুই ভাইসহ তিনজন। তাদের সহযোগিতা করে অপর এক যুবক। তাদের মধ্যে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশিদ।

আটককৃতরা হলো- হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মাঝিবাড়ির মহিন উদ্দিন (২৬) ও একই বাড়ির মোহাম্মদ শাকিল হোসেন (২৪)।

পলাতক রয়েছে দুই আসামি। তারা হাজীগঞ্জ পৌরসভার রান্ধুনীমুড়া শুকু কমিশনারের বাড়ির দুই ভাই। বড়ভাই ইসমাইল হোসেন (৩২) ও ছোটভাই কালু (২১)। তারা দুই ভাই মিলেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়।

হাজীগঞ্জ থানা সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বিকালে হাজীগঞ্জের ডাকাতিয়া নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা নদীবাড়ি বিনোদন পার্কে ওই নারী ঘুরতে আসেন। ওই সময় শাকিল নামের স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। তারই সূত্র ধরে সন্ধ্যার পর তারা ওই নারীকে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের বৈষ্টববাড়ির বালুর মাঠে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে ইসমাইল ও মহিন উদ্দিন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। ওই সময় শাকিলও তাদের কাছে ছিল এবং ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করে। পরে ওই নারীকে একই রাতে শাকিলের খালার বাড়ি নোয়াদ্দা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে ইসমাইলের ভাই কালু ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এভাবে রাতভর ওই নারীকে নিয়ে এলাকার যুবকরা গণধর্ষণ করে। খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ দুই যুবককে গ্রেফতার করে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুন-অর-রশিদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনকে ধর্ষণ এবং একজনকে ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করায় মামলা করা হয়।

ওই নারীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য চাঁদপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাজীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম খলিল জানান, মামলার অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য রহমতুল্লাহ মারা গেছেন

ঘুরতে আসা নারীকে দুই ভাই মিলে রাতভর গণধর্ষণ

আপডেট সময় ০৭:১৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে এক নারীকে দুই স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে দুই ভাইসহ তিনজন। তাদের সহযোগিতা করে অপর এক যুবক। তাদের মধ্যে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশিদ।

আটককৃতরা হলো- হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মাঝিবাড়ির মহিন উদ্দিন (২৬) ও একই বাড়ির মোহাম্মদ শাকিল হোসেন (২৪)।

পলাতক রয়েছে দুই আসামি। তারা হাজীগঞ্জ পৌরসভার রান্ধুনীমুড়া শুকু কমিশনারের বাড়ির দুই ভাই। বড়ভাই ইসমাইল হোসেন (৩২) ও ছোটভাই কালু (২১)। তারা দুই ভাই মিলেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়।

হাজীগঞ্জ থানা সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বিকালে হাজীগঞ্জের ডাকাতিয়া নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা নদীবাড়ি বিনোদন পার্কে ওই নারী ঘুরতে আসেন। ওই সময় শাকিল নামের স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। তারই সূত্র ধরে সন্ধ্যার পর তারা ওই নারীকে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের বৈষ্টববাড়ির বালুর মাঠে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে ইসমাইল ও মহিন উদ্দিন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। ওই সময় শাকিলও তাদের কাছে ছিল এবং ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করে। পরে ওই নারীকে একই রাতে শাকিলের খালার বাড়ি নোয়াদ্দা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে ইসমাইলের ভাই কালু ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এভাবে রাতভর ওই নারীকে নিয়ে এলাকার যুবকরা গণধর্ষণ করে। খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ দুই যুবককে গ্রেফতার করে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুন-অর-রশিদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনকে ধর্ষণ এবং একজনকে ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করায় মামলা করা হয়।

ওই নারীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য চাঁদপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাজীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম খলিল জানান, মামলার অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।