ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

ঘুরতে আসা নারীকে দুই ভাই মিলে রাতভর গণধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে এক নারীকে দুই স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে দুই ভাইসহ তিনজন। তাদের সহযোগিতা করে অপর এক যুবক। তাদের মধ্যে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশিদ।

আটককৃতরা হলো- হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মাঝিবাড়ির মহিন উদ্দিন (২৬) ও একই বাড়ির মোহাম্মদ শাকিল হোসেন (২৪)।

পলাতক রয়েছে দুই আসামি। তারা হাজীগঞ্জ পৌরসভার রান্ধুনীমুড়া শুকু কমিশনারের বাড়ির দুই ভাই। বড়ভাই ইসমাইল হোসেন (৩২) ও ছোটভাই কালু (২১)। তারা দুই ভাই মিলেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়।

হাজীগঞ্জ থানা সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বিকালে হাজীগঞ্জের ডাকাতিয়া নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা নদীবাড়ি বিনোদন পার্কে ওই নারী ঘুরতে আসেন। ওই সময় শাকিল নামের স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। তারই সূত্র ধরে সন্ধ্যার পর তারা ওই নারীকে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের বৈষ্টববাড়ির বালুর মাঠে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে ইসমাইল ও মহিন উদ্দিন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। ওই সময় শাকিলও তাদের কাছে ছিল এবং ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করে। পরে ওই নারীকে একই রাতে শাকিলের খালার বাড়ি নোয়াদ্দা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে ইসমাইলের ভাই কালু ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এভাবে রাতভর ওই নারীকে নিয়ে এলাকার যুবকরা গণধর্ষণ করে। খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ দুই যুবককে গ্রেফতার করে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুন-অর-রশিদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনকে ধর্ষণ এবং একজনকে ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করায় মামলা করা হয়।

ওই নারীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য চাঁদপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাজীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম খলিল জানান, মামলার অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

ঘুরতে আসা নারীকে দুই ভাই মিলে রাতভর গণধর্ষণ

আপডেট সময় ০৭:১৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে এক নারীকে দুই স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে দুই ভাইসহ তিনজন। তাদের সহযোগিতা করে অপর এক যুবক। তাদের মধ্যে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশিদ।

আটককৃতরা হলো- হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মাঝিবাড়ির মহিন উদ্দিন (২৬) ও একই বাড়ির মোহাম্মদ শাকিল হোসেন (২৪)।

পলাতক রয়েছে দুই আসামি। তারা হাজীগঞ্জ পৌরসভার রান্ধুনীমুড়া শুকু কমিশনারের বাড়ির দুই ভাই। বড়ভাই ইসমাইল হোসেন (৩২) ও ছোটভাই কালু (২১)। তারা দুই ভাই মিলেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়।

হাজীগঞ্জ থানা সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বিকালে হাজীগঞ্জের ডাকাতিয়া নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা নদীবাড়ি বিনোদন পার্কে ওই নারী ঘুরতে আসেন। ওই সময় শাকিল নামের স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। তারই সূত্র ধরে সন্ধ্যার পর তারা ওই নারীকে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের বৈষ্টববাড়ির বালুর মাঠে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে ইসমাইল ও মহিন উদ্দিন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। ওই সময় শাকিলও তাদের কাছে ছিল এবং ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করে। পরে ওই নারীকে একই রাতে শাকিলের খালার বাড়ি নোয়াদ্দা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে ইসমাইলের ভাই কালু ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এভাবে রাতভর ওই নারীকে নিয়ে এলাকার যুবকরা গণধর্ষণ করে। খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ দুই যুবককে গ্রেফতার করে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুন-অর-রশিদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনকে ধর্ষণ এবং একজনকে ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করায় মামলা করা হয়।

ওই নারীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য চাঁদপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাজীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম খলিল জানান, মামলার অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।