ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘পাঁচ মাসে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’:মাহদী আমিন সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতের মতো মোনাফেক দল পৃথিবীতে আর জন্ম হয়নি : ফজলুর রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানবকেন্দ্রিক এআই নীতি প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ: আইসিটি মন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রেস সচিব কাপ্তাই বাঁধের ১৬ গেট খুলে দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে দেশের ক্ষতি করেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী স্বৈরাচারের আমলে বাগেরহাটে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: ডেপুটি স্পিকার চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেউ বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না: মির্জা ফখরুল আমাদের বাণিজ্য পরিপূর্ণভাবে চীন নির্ভর হয়ে পড়েছে: তথ্যমন্ত্রী

বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ বহাল রাখলো ইউরোপিয়ান কোর্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পুরো মুখ ঢেকে রাখা নেকাবের ওপর বেলজিয়ামে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস। ২০১১ সালের জুনে নেকাব নিষিদ্ধ করে বেলজিয়াম। এর বিরুদ্ধে ওই কোর্টে আবেদন করেন দু’জন মুসলিম নারী। তাদের একজন বেলজিয়ামের সামিয়া বেলকাসেমি এবং অন্যজন মরক্কোর ইয়ামিনা আউসার। কিন্তু আদালত বলেছে, বেলজিয়াম যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটাই ঠিক। কারণ, এর মধ্য দিয়ে সমাজে অন্যদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

বেলজিয়ামে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে আংশিক বা পুরো মুখ ঢেকে, মুখোশ পড়ে বা কোনোভাবে মুখ আড়াল করে চলাফেরা করা নিষিদ্ধ। এ নির্দেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানা করা হবে। আবার সাত দিন পর্যন্ত জেলও হতে পারে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপিয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ২০১১ সালের এপ্রিলে নেকাব নিষিদ্ধ করে ফ্রাঞ্চ। এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করা হলে ২০১৪ সালে ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস তার রায় দিয়েছে। ওই সময় আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল যে, এই নিষেধাজ্ঞায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তিবিশেষের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। কিন্তু আদালত এ যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বেলজিয়ামের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে যে দু’নারী আবেদন করেছিলেন তারা বলেছিলেন, তারা নিজেরা নেকাব পরার স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন। কিন্তু বেলজিয়ামের ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের সেই অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং ওই নিষেধাজ্ঞা বৈষম্যমুলক। উল্লেখ্য, বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও সেদেশের অনেক নারী নেকাব বা বোরকা পরা অব্যাবহ রাখেন। তবে সামাজিক চাপ বৃদ্ধি ও তাদেরকে জরিমানার ভয় যখন শুরু হয় তখন তারা এগুলো পরা বাদ দেন। এখন ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস যে রায় দিয়েছে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ইয়ামিনা আউসার। তিনি বলেছেন, এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঘরেই অবস্থান করবো। বাইরে বেরুবো না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাঁচ মাসে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’:মাহদী আমিন

বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ বহাল রাখলো ইউরোপিয়ান কোর্ট

আপডেট সময় ০৩:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পুরো মুখ ঢেকে রাখা নেকাবের ওপর বেলজিয়ামে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস। ২০১১ সালের জুনে নেকাব নিষিদ্ধ করে বেলজিয়াম। এর বিরুদ্ধে ওই কোর্টে আবেদন করেন দু’জন মুসলিম নারী। তাদের একজন বেলজিয়ামের সামিয়া বেলকাসেমি এবং অন্যজন মরক্কোর ইয়ামিনা আউসার। কিন্তু আদালত বলেছে, বেলজিয়াম যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটাই ঠিক। কারণ, এর মধ্য দিয়ে সমাজে অন্যদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

বেলজিয়ামে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে আংশিক বা পুরো মুখ ঢেকে, মুখোশ পড়ে বা কোনোভাবে মুখ আড়াল করে চলাফেরা করা নিষিদ্ধ। এ নির্দেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানা করা হবে। আবার সাত দিন পর্যন্ত জেলও হতে পারে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপিয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ২০১১ সালের এপ্রিলে নেকাব নিষিদ্ধ করে ফ্রাঞ্চ। এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করা হলে ২০১৪ সালে ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস তার রায় দিয়েছে। ওই সময় আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল যে, এই নিষেধাজ্ঞায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তিবিশেষের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। কিন্তু আদালত এ যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বেলজিয়ামের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে যে দু’নারী আবেদন করেছিলেন তারা বলেছিলেন, তারা নিজেরা নেকাব পরার স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন। কিন্তু বেলজিয়ামের ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের সেই অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং ওই নিষেধাজ্ঞা বৈষম্যমুলক। উল্লেখ্য, বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও সেদেশের অনেক নারী নেকাব বা বোরকা পরা অব্যাবহ রাখেন। তবে সামাজিক চাপ বৃদ্ধি ও তাদেরকে জরিমানার ভয় যখন শুরু হয় তখন তারা এগুলো পরা বাদ দেন। এখন ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস যে রায় দিয়েছে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ইয়ামিনা আউসার। তিনি বলেছেন, এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঘরেই অবস্থান করবো। বাইরে বেরুবো না।