ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ বহাল রাখলো ইউরোপিয়ান কোর্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পুরো মুখ ঢেকে রাখা নেকাবের ওপর বেলজিয়ামে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস। ২০১১ সালের জুনে নেকাব নিষিদ্ধ করে বেলজিয়াম। এর বিরুদ্ধে ওই কোর্টে আবেদন করেন দু’জন মুসলিম নারী। তাদের একজন বেলজিয়ামের সামিয়া বেলকাসেমি এবং অন্যজন মরক্কোর ইয়ামিনা আউসার। কিন্তু আদালত বলেছে, বেলজিয়াম যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটাই ঠিক। কারণ, এর মধ্য দিয়ে সমাজে অন্যদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

বেলজিয়ামে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে আংশিক বা পুরো মুখ ঢেকে, মুখোশ পড়ে বা কোনোভাবে মুখ আড়াল করে চলাফেরা করা নিষিদ্ধ। এ নির্দেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানা করা হবে। আবার সাত দিন পর্যন্ত জেলও হতে পারে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপিয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ২০১১ সালের এপ্রিলে নেকাব নিষিদ্ধ করে ফ্রাঞ্চ। এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করা হলে ২০১৪ সালে ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস তার রায় দিয়েছে। ওই সময় আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল যে, এই নিষেধাজ্ঞায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তিবিশেষের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। কিন্তু আদালত এ যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বেলজিয়ামের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে যে দু’নারী আবেদন করেছিলেন তারা বলেছিলেন, তারা নিজেরা নেকাব পরার স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন। কিন্তু বেলজিয়ামের ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের সেই অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং ওই নিষেধাজ্ঞা বৈষম্যমুলক। উল্লেখ্য, বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও সেদেশের অনেক নারী নেকাব বা বোরকা পরা অব্যাবহ রাখেন। তবে সামাজিক চাপ বৃদ্ধি ও তাদেরকে জরিমানার ভয় যখন শুরু হয় তখন তারা এগুলো পরা বাদ দেন। এখন ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস যে রায় দিয়েছে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ইয়ামিনা আউসার। তিনি বলেছেন, এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঘরেই অবস্থান করবো। বাইরে বেরুবো না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ বহাল রাখলো ইউরোপিয়ান কোর্ট

আপডেট সময় ০৩:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পুরো মুখ ঢেকে রাখা নেকাবের ওপর বেলজিয়ামে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস। ২০১১ সালের জুনে নেকাব নিষিদ্ধ করে বেলজিয়াম। এর বিরুদ্ধে ওই কোর্টে আবেদন করেন দু’জন মুসলিম নারী। তাদের একজন বেলজিয়ামের সামিয়া বেলকাসেমি এবং অন্যজন মরক্কোর ইয়ামিনা আউসার। কিন্তু আদালত বলেছে, বেলজিয়াম যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটাই ঠিক। কারণ, এর মধ্য দিয়ে সমাজে অন্যদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

বেলজিয়ামে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে আংশিক বা পুরো মুখ ঢেকে, মুখোশ পড়ে বা কোনোভাবে মুখ আড়াল করে চলাফেরা করা নিষিদ্ধ। এ নির্দেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানা করা হবে। আবার সাত দিন পর্যন্ত জেলও হতে পারে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপিয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ২০১১ সালের এপ্রিলে নেকাব নিষিদ্ধ করে ফ্রাঞ্চ। এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করা হলে ২০১৪ সালে ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস তার রায় দিয়েছে। ওই সময় আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল যে, এই নিষেধাজ্ঞায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তিবিশেষের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। কিন্তু আদালত এ যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বেলজিয়ামের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে যে দু’নারী আবেদন করেছিলেন তারা বলেছিলেন, তারা নিজেরা নেকাব পরার স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন। কিন্তু বেলজিয়ামের ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের সেই অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং ওই নিষেধাজ্ঞা বৈষম্যমুলক। উল্লেখ্য, বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও সেদেশের অনেক নারী নেকাব বা বোরকা পরা অব্যাবহ রাখেন। তবে সামাজিক চাপ বৃদ্ধি ও তাদেরকে জরিমানার ভয় যখন শুরু হয় তখন তারা এগুলো পরা বাদ দেন। এখন ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস যে রায় দিয়েছে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ইয়ামিনা আউসার। তিনি বলেছেন, এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঘরেই অবস্থান করবো। বাইরে বেরুবো না।