ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

শরণার্থী আশ্রয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চেয়ে রিট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের অভ্যন্তরে শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে। রোববার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম রিট আবেদনটি করেন।

দেশে চলমান রোহিঙ্গা ইস্যুতে সেনাবাহিনীর নির্যাতনে পালিয়ে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের অস্থায়ী শিবিরগুলোতে অবস্থান করছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন বলে মনে করেন রিটকারী আইনজীবী।

চলতি সপ্তাহে অবকাশকালীন যেকোনো বেঞ্চে বিষয়টির শুনানি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন রিটকারী এই আইনজীবী। রিটের পক্ষে শুনানি করবেন আইনজীবী রাশিদুল হক খোকন।

রিটকারী আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে লক্ষাধিক শরণার্থী আমাদের দেশে বাস করে আসছে। এর মধ্যে সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে লাখ লাখ শরণার্থী আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে এদেশে আসছে।

বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ১৯৫১ সালের শরণার্থী বিষয়ক কনভেনশন এবং ১৯৬৭ সালের শরণার্থী বিষয়ক প্রটোকল স্বাক্ষর করেনি। এ কনভেনশন এবং প্রটোকল স্বাক্ষর না করায় সরকারের পক্ষে শরণার্থী সংকট মোকাবেলা করা অনেকটা দুরূহ। এছাড়া দেশে শরণার্থী সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট আইন নেই। ফলে শরণার্থীরা কীভাবে বসবাস করবে তারও কোনো বিধি-বিধান নেই।

তিনি বলেন, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের প্রত্যেক নাগরিকের পাশাপাশি সমসাময়িক বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তিদেরও প্রত্যেকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। কিন্তু সংবিধানের এ বিধান মতে শরণার্থীরা কীভাবে এবং কোন আইনে আশ্রয় নেবে তা আইন দ্বারা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে শরণার্থী সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা জরুরি। এ কারণেই আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে এ রিটটি করা হয়েছে বলে জানান রিটকারী এই আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শরণার্থী আশ্রয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চেয়ে রিট

আপডেট সময় ০৮:২২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের অভ্যন্তরে শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে। রোববার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম রিট আবেদনটি করেন।

দেশে চলমান রোহিঙ্গা ইস্যুতে সেনাবাহিনীর নির্যাতনে পালিয়ে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের অস্থায়ী শিবিরগুলোতে অবস্থান করছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন বলে মনে করেন রিটকারী আইনজীবী।

চলতি সপ্তাহে অবকাশকালীন যেকোনো বেঞ্চে বিষয়টির শুনানি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন রিটকারী এই আইনজীবী। রিটের পক্ষে শুনানি করবেন আইনজীবী রাশিদুল হক খোকন।

রিটকারী আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে লক্ষাধিক শরণার্থী আমাদের দেশে বাস করে আসছে। এর মধ্যে সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে লাখ লাখ শরণার্থী আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে এদেশে আসছে।

বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ১৯৫১ সালের শরণার্থী বিষয়ক কনভেনশন এবং ১৯৬৭ সালের শরণার্থী বিষয়ক প্রটোকল স্বাক্ষর করেনি। এ কনভেনশন এবং প্রটোকল স্বাক্ষর না করায় সরকারের পক্ষে শরণার্থী সংকট মোকাবেলা করা অনেকটা দুরূহ। এছাড়া দেশে শরণার্থী সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট আইন নেই। ফলে শরণার্থীরা কীভাবে বসবাস করবে তারও কোনো বিধি-বিধান নেই।

তিনি বলেন, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের প্রত্যেক নাগরিকের পাশাপাশি সমসাময়িক বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তিদেরও প্রত্যেকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। কিন্তু সংবিধানের এ বিধান মতে শরণার্থীরা কীভাবে এবং কোন আইনে আশ্রয় নেবে তা আইন দ্বারা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে শরণার্থী সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা জরুরি। এ কারণেই আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে এ রিটটি করা হয়েছে বলে জানান রিটকারী এই আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম।