ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল টিকা সংকটে হামের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ

স্ত্রীর লাঠির আঘাতে স্বামীর মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

যশোরে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে স্বামী মুস্তাকিন হোসেন সুমন (৩০) মারা গেছেন। বুধবার বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গত ১৪ মার্চ বিকালে ঝিকরগাছা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন সুমন।

বৃহস্পতিবার তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী মিনা খাতুনকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। নিহত সুমন ঝিকরগাছা উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে।

স্বজনদের উদ্ধৃতি দিয়ে ঝিকরগাছা থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক বলেন, মুস্তাকিন হোসেন সুমন প্রায় ৬ বছর মালেশিয়ায় ছিলেন। আড়াই বছর আগে দেশে ফিরেছেন। প্রেমের সম্পর্কে মিনা খাতুনের সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। তাদের বড় মেয়ের বয়স ৮ বছর। তাদের বিয়ের বিষয়টি ভালোভাবে গ্রহণ করেনি পরিবার। তবে দুই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।

কিন্তু সুমন শ্বশুরবাড়িতে খুবই কম যেতেন। আবার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার বাড়িতে আসুক- এটাও তিনি পছন্দ করতেন না। গত ১৪ মার্চ জামাই বাড়িতে বেড়াতে আসেন মিনা খাতুনের মা। তার আগমনে মিনা খাতুন বেশ কিছু ভালো আইটেমের খাবার রান্না করেন।

এ নিয়ে বকাবকি শুরু করেন সুমন। তখন শ্বাশুড়ি বলেন- খাবার রান্নায় যত টাকা খরচ হয়েছে দিয়ে দিব, তোমরা গণ্ডগোল করো না। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সুমনের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন মিনা খাতুন। এতে গুরুতর আহত হন সুমন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেসরকারি হাসপাতালে, পরে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানকার চিকিৎসক সুমনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অ্যাপালো হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার বিকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মিনা খাতুনকে আটক করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

স্ত্রীর লাঠির আঘাতে স্বামীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:২৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

যশোরে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে স্বামী মুস্তাকিন হোসেন সুমন (৩০) মারা গেছেন। বুধবার বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গত ১৪ মার্চ বিকালে ঝিকরগাছা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন সুমন।

বৃহস্পতিবার তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী মিনা খাতুনকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। নিহত সুমন ঝিকরগাছা উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে।

স্বজনদের উদ্ধৃতি দিয়ে ঝিকরগাছা থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক বলেন, মুস্তাকিন হোসেন সুমন প্রায় ৬ বছর মালেশিয়ায় ছিলেন। আড়াই বছর আগে দেশে ফিরেছেন। প্রেমের সম্পর্কে মিনা খাতুনের সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। তাদের বড় মেয়ের বয়স ৮ বছর। তাদের বিয়ের বিষয়টি ভালোভাবে গ্রহণ করেনি পরিবার। তবে দুই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।

কিন্তু সুমন শ্বশুরবাড়িতে খুবই কম যেতেন। আবার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার বাড়িতে আসুক- এটাও তিনি পছন্দ করতেন না। গত ১৪ মার্চ জামাই বাড়িতে বেড়াতে আসেন মিনা খাতুনের মা। তার আগমনে মিনা খাতুন বেশ কিছু ভালো আইটেমের খাবার রান্না করেন।

এ নিয়ে বকাবকি শুরু করেন সুমন। তখন শ্বাশুড়ি বলেন- খাবার রান্নায় যত টাকা খরচ হয়েছে দিয়ে দিব, তোমরা গণ্ডগোল করো না। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সুমনের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন মিনা খাতুন। এতে গুরুতর আহত হন সুমন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেসরকারি হাসপাতালে, পরে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানকার চিকিৎসক সুমনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অ্যাপালো হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার বিকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মিনা খাতুনকে আটক করা হয়েছে।