ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

কানাডার সন্ত্রাসী তালিকায় ‘দায়েস বাংলাদেশ’ থাকায় প্রবাসীদের ক্ষোভ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

কানাডা সরকারের চোখে সারা বিশ্বে সক্রিয় সন্ত্রাসী চরমপন্থী গোষ্ঠীর তালিকায় ’ইসলামিক স্টেট- বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠনের নাম উঠে এসেছে।

কানাডার পাবলিক সেফটি মন্ত্রণালয় বুধবার তাদের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা হালনাগাদ করে সেখানে নতুন ১৩টি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করে।

নতুন এই তালিকায় ‘ইসলামিক স্টেট- বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সরকারি ভাষ্যে বলা হয়, এই সংগঠনটির আরেক নাম- দায়েস বাংলাদেশ।

কানাডা সরকারের তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ৭৩টি চরমপন্থী সংগঠন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছে।

এই প্রথম বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করা কোনো সংগঠনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি তালিকায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হল।

কানাডা সরকারের ভাষ্য অনুসারে, ২০১৪ সালে গঠিত এই সংগঠনটি বাংলাদেশে তাদের অনুসারীদের সে দেশের রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, এমনকি অমুসলিমদের উপর হামলার উৎসাহ দিয়েছে।

পাবলিক সেফটি বিভাগের ভাষ্য অনুসারে, ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে আইএস প্রধান আবু বকর বাগদাদির নেতৃত্বের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের একটি গ্রুপ ‘বেঙ্গলি মুসলিম’ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে।

২০১৬ সালে ঢাকার হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলার পরিকল্পনাকারী দুইজনের একজন এই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা বলে মনে করা হয়।

কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান বলেন, ইসলামিক স্টেট-বাংলাদেশ বা দায়েস- বাংলাদেশ নামে যে সন্ত্রাসী সংগঠনের অস্তিত্বের কথা কানাডার পাবলিক সেফটি মন্ত্রণালয়ের তালিকায় এসেছে, তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।

ধর্ম তথা উগ্র সাম্প্রদায়িক মৌলবাদের নামে যে কোন সন্ত্রাসী সংগঠনের ক্ষেত্রেই জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।

কানাডা সরকারের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকায় প্রবাসী বাঙ্গালীদের মধ্যে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন- এই মুহূর্তে এ ধরনের খবরে আমরা বিস্মিত, হতবাক। বিদেশের মাটিতে আমরা কোনভাবেই দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে দেব না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কানাডার সন্ত্রাসী তালিকায় ‘দায়েস বাংলাদেশ’ থাকায় প্রবাসীদের ক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

কানাডা সরকারের চোখে সারা বিশ্বে সক্রিয় সন্ত্রাসী চরমপন্থী গোষ্ঠীর তালিকায় ’ইসলামিক স্টেট- বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠনের নাম উঠে এসেছে।

কানাডার পাবলিক সেফটি মন্ত্রণালয় বুধবার তাদের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা হালনাগাদ করে সেখানে নতুন ১৩টি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করে।

নতুন এই তালিকায় ‘ইসলামিক স্টেট- বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সরকারি ভাষ্যে বলা হয়, এই সংগঠনটির আরেক নাম- দায়েস বাংলাদেশ।

কানাডা সরকারের তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ৭৩টি চরমপন্থী সংগঠন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছে।

এই প্রথম বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করা কোনো সংগঠনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি তালিকায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হল।

কানাডা সরকারের ভাষ্য অনুসারে, ২০১৪ সালে গঠিত এই সংগঠনটি বাংলাদেশে তাদের অনুসারীদের সে দেশের রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, এমনকি অমুসলিমদের উপর হামলার উৎসাহ দিয়েছে।

পাবলিক সেফটি বিভাগের ভাষ্য অনুসারে, ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে আইএস প্রধান আবু বকর বাগদাদির নেতৃত্বের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের একটি গ্রুপ ‘বেঙ্গলি মুসলিম’ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে।

২০১৬ সালে ঢাকার হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলার পরিকল্পনাকারী দুইজনের একজন এই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা বলে মনে করা হয়।

কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান বলেন, ইসলামিক স্টেট-বাংলাদেশ বা দায়েস- বাংলাদেশ নামে যে সন্ত্রাসী সংগঠনের অস্তিত্বের কথা কানাডার পাবলিক সেফটি মন্ত্রণালয়ের তালিকায় এসেছে, তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।

ধর্ম তথা উগ্র সাম্প্রদায়িক মৌলবাদের নামে যে কোন সন্ত্রাসী সংগঠনের ক্ষেত্রেই জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।

কানাডা সরকারের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকায় প্রবাসী বাঙ্গালীদের মধ্যে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন- এই মুহূর্তে এ ধরনের খবরে আমরা বিস্মিত, হতবাক। বিদেশের মাটিতে আমরা কোনভাবেই দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে দেব না।