ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও অনলাইন প্রচারণা জোরদারের আহ্বান মির্জা ফখরুলের নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর সতর্কতা বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি এবছর ২০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নাইজেরিয়ায় স্কুলে হামলায় ৩ জন নিহত, শিক্ষার্থীসহ নিখোঁজ ৩৭

মাদ্রাসা সুপার হত্যা: ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার দাখিল মাদ্রাসার সুপার আমিনুল হককে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মানিক মিয়া নামে এক আসামির ফাঁসি এবং তার বাবা নূরুল করীমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে আর্ধদণ্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের দেয়া হয়।

বুধবার সকালে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবদুর রহিম জনাকির্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় প্রদানের সময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিক মিয়া পলাতক ছিলেন। তবে তার বাবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূরুল করীম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের গাবুরগাঁও গ্রামে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমিনুল হকের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মহিষজোড়া গ্রামে। তিনি হোসেনপুরে জিনারী গ্রামে একটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে চাকরি৷ করতেন।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমিনুল হকের ছেলে রক্সির সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধে স্থানীয় যুবক মানিক তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে রক্সির বাবা আমিনুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির শুরু হলে মানিক ও তার বাবা নূরুল করীম তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর এক পর্যায়ে মানিক ছুরি দিয়ে আমিনুল হকের বুকে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন তিনি।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফজলুল হক বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে হোসেনপুর থানার এসআই মিনহাজ উদ্দিন দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১০ সালের আগস্টের ১৭ তারিখে দুজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও অনলাইন প্রচারণা জোরদারের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

মাদ্রাসা সুপার হত্যা: ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৩:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার দাখিল মাদ্রাসার সুপার আমিনুল হককে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মানিক মিয়া নামে এক আসামির ফাঁসি এবং তার বাবা নূরুল করীমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে আর্ধদণ্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের দেয়া হয়।

বুধবার সকালে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবদুর রহিম জনাকির্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় প্রদানের সময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিক মিয়া পলাতক ছিলেন। তবে তার বাবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূরুল করীম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের গাবুরগাঁও গ্রামে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমিনুল হকের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মহিষজোড়া গ্রামে। তিনি হোসেনপুরে জিনারী গ্রামে একটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে চাকরি৷ করতেন।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমিনুল হকের ছেলে রক্সির সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধে স্থানীয় যুবক মানিক তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে রক্সির বাবা আমিনুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির শুরু হলে মানিক ও তার বাবা নূরুল করীম তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর এক পর্যায়ে মানিক ছুরি দিয়ে আমিনুল হকের বুকে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন তিনি।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফজলুল হক বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে হোসেনপুর থানার এসআই মিনহাজ উদ্দিন দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১০ সালের আগস্টের ১৭ তারিখে দুজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।