ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

মাদ্রাসা সুপার হত্যা: ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার দাখিল মাদ্রাসার সুপার আমিনুল হককে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মানিক মিয়া নামে এক আসামির ফাঁসি এবং তার বাবা নূরুল করীমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে আর্ধদণ্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের দেয়া হয়।

বুধবার সকালে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবদুর রহিম জনাকির্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় প্রদানের সময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিক মিয়া পলাতক ছিলেন। তবে তার বাবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূরুল করীম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের গাবুরগাঁও গ্রামে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমিনুল হকের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মহিষজোড়া গ্রামে। তিনি হোসেনপুরে জিনারী গ্রামে একটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে চাকরি৷ করতেন।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমিনুল হকের ছেলে রক্সির সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধে স্থানীয় যুবক মানিক তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে রক্সির বাবা আমিনুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির শুরু হলে মানিক ও তার বাবা নূরুল করীম তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর এক পর্যায়ে মানিক ছুরি দিয়ে আমিনুল হকের বুকে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন তিনি।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফজলুল হক বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে হোসেনপুর থানার এসআই মিনহাজ উদ্দিন দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১০ সালের আগস্টের ১৭ তারিখে দুজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

মাদ্রাসা সুপার হত্যা: ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৩:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার দাখিল মাদ্রাসার সুপার আমিনুল হককে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মানিক মিয়া নামে এক আসামির ফাঁসি এবং তার বাবা নূরুল করীমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে আর্ধদণ্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের দেয়া হয়।

বুধবার সকালে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবদুর রহিম জনাকির্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় প্রদানের সময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিক মিয়া পলাতক ছিলেন। তবে তার বাবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূরুল করীম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের গাবুরগাঁও গ্রামে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমিনুল হকের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মহিষজোড়া গ্রামে। তিনি হোসেনপুরে জিনারী গ্রামে একটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে চাকরি৷ করতেন।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমিনুল হকের ছেলে রক্সির সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধে স্থানীয় যুবক মানিক তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে রক্সির বাবা আমিনুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির শুরু হলে মানিক ও তার বাবা নূরুল করীম তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর এক পর্যায়ে মানিক ছুরি দিয়ে আমিনুল হকের বুকে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন তিনি।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফজলুল হক বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে হোসেনপুর থানার এসআই মিনহাজ উদ্দিন দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১০ সালের আগস্টের ১৭ তারিখে দুজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।