অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বর্ণাঢ্য আয়োজনে যশোরে ৪৬তম জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব উদ্বোধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপশহর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া উদ্যানে পাঁচদিনের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষায় দেশের ছেলে মেয়েদের সমতা অর্জন হয়েছে। ক্রীড়াক্ষেত্রেও আমরা সমতা আনতে চাই। ছেলেদের মত মেয়েরাও ক্রীড়াক্ষেত্রে সমান ভূমিকা রাখবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। জ্ঞান অর্জনের জন্য যেমন শিক্ষার দরকার। তেমনি মেধার বিকাশে ক্রীড়া ও শারীরিক শিক্ষার প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলে কাজ করতে হবে। শিক্ষিত জাতি গড়ে তুলতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আলমগীর, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান, সিলেট শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান এ. কে.এম গোলাম কিবরিয়া তপাদার, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর একেএম ছায়েফ উল্যা, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, যশোরের জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন, সরকারি এমএম কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষাবোর্ড স্কুল এন্ড কলেজ, এমএসটিপি বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) শিক্ষার্থীরা মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাপক দর্শক সমাগম ঘটে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এক যুগ পর যশোরের মাটিতে এবার জাতীয় গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সারাদেশের চারটি অঞ্চলের ৫২৮জন খেলোয়াড় অংশ গ্রহণ করবে। এদের মধ্যে ফুটবল ছাত্র খেলোয়াড় ৬৪জন, ফুটবল ছাত্রী খেলোয়াড় ৬৪জন। হ্যান্ডবল ছাত্র খেলোয়াড় ৪৮জন, হ্যান্ডবল ছাত্রী খেলোয়াড় ৪৮জন, কাবাডি ছাত্র খেলোয়াড় ৪৮জন ও ছাত্রী খেলোয়াড় ৪৮জন।
এছাড়াও সাঁতার প্রতিযোগিতায় ১১টি ইভেন্টে ১০৪জন ছাত্র ও ১০৪জন ছাত্রী খেলোয়াড় অংশ নিবে। সারাদেশকে বকুল, গোলাপ, পদ্ম ও চাঁপা অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। বকুল অঞ্চলে রয়েছে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা। বকুল অঞ্চলের জন্য সবুজ রঙের জার্সি নির্ধারণ করা হয়েছে। খুলনা ও বরিশালকে গোলাপ অঞ্চলভুক্ত করে বেগুনি রঙে জার্সি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা ও ময়মনসিংহকে পদ্ম অঞ্চলে অন্তভুক্ত করে নীল রঙের জার্সি ও রাজশাহী ও রংপুরকে চাঁপা অঞ্চলভুক্ত করে লাল জার্সি নির্ধারণ করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















