ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচির বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ অসত্য: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে: আইনমন্ত্রী মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী কানাডার ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের দুই প্যাকেজ ঘোষণা রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে রেলপথ অবরোধ, ট্রেন চলাচল বন্ধ ভাটারায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণ, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৩

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে: রিয়াজুল হক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, বাংলাদেশেও আজ শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে। শুধু শিশু নির্যাতন নয়, করা হচ্ছে শিশুদের ধর্ষণ। বুধবার দুপুরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) এর যৌথসভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এসব হচ্ছে মূল্যবোধের প্রচন্ড অবক্ষয়ের কারণে। বেড়েছে সামাজিক অস্থিরতা। যার ফলে মানুষগণ আজ পাশবিক দিক দিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। আর এর ভয়াবহতার শিকার ছোট ছোট শিশু। শুধু তাই নয়, চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি আড়াই বছরের শিশুকেও ধর্ষণের শিকার হতে হচ্ছে। আমরা মনে করি যারা এই পাশবিক মানষিকতা ধারণ করছে বা লালন করছে এবং শিশুদের প্রতি এই ধরণের লোমহর্ষক নির্যাতন করছে। তাদেরকে বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্ত শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

তিনি আরো বলেন, বিচারের প্রত্যেকটি স্তরে স্তরে যে সমস্ত একটরগুলো (চরিত্র) কাজ করছে। যেমন বিচারের তদন্ত থেকে শুরু করে মেডিকেল রিপোর্ট, কোর্টের আইনজীবী, স্বাক্ষী উপস্থাপন করাসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যে কর্মকর্তা-কর্মচারী যার যেমন দায়িত্ব আছে সে সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। যাতে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে যেতে পারে।

রিয়াজুল হক বলেন, মিয়ানমারে শিশু নির্যাতন বন্ধে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এবং মিয়ানমারের উপর আমাদের চাপ সৃষ্টি করতে হবে। শিশু, নারীসহ যেসব নির্যাতন এরা করছে তা বন্ধ করতে হবে। শিশু ও নারীদের উপর নির্যাতনের ভয়াবহ রূপ এখন মায়ানমারে দেখা যাচ্ছে। তবে এর ভিতরে একটি বড় ভিকটিম হলো শিশুরা।

রিয়াজুল হক আরো বলেন, মিয়ানমারের শিশু ও নারীরা বাংলাদেশে এসে রাস্তার পাশে ও পাহাড়ের চুড়ায় যেভাবে আশ্রয় নিয়েছে তা অত্যন্ত মানবিক। আর এই নির্যাতনে সবচেয়ে বেশি শিশুরাই শিকার হচ্ছে। শিশু, নারি, বৃদ্ধরা বেশি হলেও যুবকরা নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে: রিয়াজুল হক

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, বাংলাদেশেও আজ শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে। শুধু শিশু নির্যাতন নয়, করা হচ্ছে শিশুদের ধর্ষণ। বুধবার দুপুরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) এর যৌথসভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এসব হচ্ছে মূল্যবোধের প্রচন্ড অবক্ষয়ের কারণে। বেড়েছে সামাজিক অস্থিরতা। যার ফলে মানুষগণ আজ পাশবিক দিক দিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। আর এর ভয়াবহতার শিকার ছোট ছোট শিশু। শুধু তাই নয়, চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি আড়াই বছরের শিশুকেও ধর্ষণের শিকার হতে হচ্ছে। আমরা মনে করি যারা এই পাশবিক মানষিকতা ধারণ করছে বা লালন করছে এবং শিশুদের প্রতি এই ধরণের লোমহর্ষক নির্যাতন করছে। তাদেরকে বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্ত শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

তিনি আরো বলেন, বিচারের প্রত্যেকটি স্তরে স্তরে যে সমস্ত একটরগুলো (চরিত্র) কাজ করছে। যেমন বিচারের তদন্ত থেকে শুরু করে মেডিকেল রিপোর্ট, কোর্টের আইনজীবী, স্বাক্ষী উপস্থাপন করাসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যে কর্মকর্তা-কর্মচারী যার যেমন দায়িত্ব আছে সে সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। যাতে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে যেতে পারে।

রিয়াজুল হক বলেন, মিয়ানমারে শিশু নির্যাতন বন্ধে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এবং মিয়ানমারের উপর আমাদের চাপ সৃষ্টি করতে হবে। শিশু, নারীসহ যেসব নির্যাতন এরা করছে তা বন্ধ করতে হবে। শিশু ও নারীদের উপর নির্যাতনের ভয়াবহ রূপ এখন মায়ানমারে দেখা যাচ্ছে। তবে এর ভিতরে একটি বড় ভিকটিম হলো শিশুরা।

রিয়াজুল হক আরো বলেন, মিয়ানমারের শিশু ও নারীরা বাংলাদেশে এসে রাস্তার পাশে ও পাহাড়ের চুড়ায় যেভাবে আশ্রয় নিয়েছে তা অত্যন্ত মানবিক। আর এই নির্যাতনে সবচেয়ে বেশি শিশুরাই শিকার হচ্ছে। শিশু, নারি, বৃদ্ধরা বেশি হলেও যুবকরা নেই।